,

মুয়াজ্জিন মসজিদের টাকায় সুদের ব্যবসা করত!

 

 
নিজস্ব প্রতিবেদক : মসজিদের টাকায় সুদের ব্যবসা ও অর্থ সংক্রান্ত লেনদেনের জেরেই পুরান ঢাকার ইসলামপুর ঝব্বু খানম মসজিদের মুয়াজ্জিন বিল্লাল হোসেন খুন হয়েছেন বলে চাঞ্চল্যকর তথ্য জানিয়েছে পুলিশ।পুলিশ জানায়, ঝব্বু খানম মসজিদের নিচে ৩৩টি দোকান আছে। ওই দোকানগুলো থেকে মুয়াজ্জিন বিল্লাল প্রতি মাসে ৪২ হাজার টাকা ভাড়া তুলতেন। কিছু টাকা মসজিদের পেছনে খরচ হতো। বাকি টাকা তার অ্যাকাউন্টেই জমা রাখতেন তিনি। এ টাকা দিয়েই তিনি সুদের ব্যবসা করতেন।

2016_04_04_21_51_50_PTyX19LIrdyqhcR3XrDrMjBYiERwh9_original

 

মঙ্গলবার গভীর রাতে রাজধানীর দেশের বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে মুয়াজ্জিন হত্যাকাণ্ডে পরিকল্পনাকারীসহ চারজনকে আটক করে পুলিশ। আটকরা হলেন : সারোয়ার আলম, হাবিব, মোশাররফ ও তোফাজ্জল।বুধবার (২০ এপ্রিল) সকালে বাংলামেইলকে এ তথ্য জানান ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) মিডিয়া ও পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের উপ-কমিশনার (ডিসি) মারুফ হোসেন সরদার।তিনি বলেন, ‘মুয়াজ্জিন হত্যার ঘটনায় ওই মসজিদের খাদেমসহ ৪ জনকে মঙ্গলবার গভীর রাতে আটক করে পুলিশ। প্রথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা এই হত্যাকাণ্ডে সরাসরি জড়িত থাকার কথাও স্বীকার করেছেন। অর্থদ্বন্দ্বের জেরে বিল্লাল হোসেনকে হত্যা করা হয়েছে।’ সংবাদ সম্মেলন করে বিস্তারিত জানানো হবে, বলেছিলেন তিনি।

 

 

পরে দুপুরে সংবাদ সম্মেলনে লালবাগ জোনের উপ-পুলিশ কমিশনার মফিজ উদ্দিন আহমেদ মুয়াজ্জিন হত্যার রহস্য খুলে বলেন।মফিজ উদ্দিন বলেন, ‘মুয়াজ্জিন বিল্লাল হোসেন ওই মসজিদে ২৮ বছর কর্মরত ছিলেন। মসজিদের টাকা থেকে তিনি সুদে বিভিন্ন ব্যবসায়ীকে দাদন দিতেন।’তিনি জানান, আটক সারোয়ার আলম এ হত্যাকাণ্ডের মূল পরিকল্পনাকারী। বিল্লাল হোসেন তাকে সুদের বিনিময়ে ৮ লাখ টাকা দিয়েছিলেন। মূলত এই টাকা মুয়াজ্জিন ফেরত চাইলেই দ্বন্দ্ব শুরু হয়। সারোয়ার আলম তাকে হত্যার পরিকল্পনা করেন।

 

 

দুই বছর আগেই মুয়াজ্জিন হত্যার পরিকল্পনা করা হয়। দুই বার তারা চেষ্টাও করেছিলেন। কিন্তু সে সময় তারা ব্যর্থ হন।সর্বশেষ তৃতীয় বারের মতো কেরানিগঞ্জের একটি মসজিদে বসে এ হত্যাকাণ্ডের পরিকল্পনা করেন সারোয়ার আলম। গত ৩ এপ্রিল রাতে খুনিরা সফল হয়।৪ এপ্রিল পুরান ঢাকার ইসলামপুরের ঝব্বু খানম জামে মসজিদের ভেতর থেকে মুয়াজ্জিন বিল্লাল হোসেনের (৫৭) রক্তাক্ত লাশ উদ্ধার করা হয়।পুরান ঢাকার ২৪ নম্বর ইসলামপুর রোডের চারতলা একটি ভবনের ওপরের তিনতলাজুড়ে ঝব্বু খানম মসজিদ, নিচতলায় মার্কেট। মসজিদের তৃতীয় তলার একপাশে তিনটি কক্ষ। এর পশ্চিম পাশের কক্ষটিতে থাকতেন বিল্লাল।

 

বিল্লালের গ্রামের বাড়ি মানিকগঞ্জের সিদ্দিকনগরের দাসুরাপাড়ায়। তবে ছোটবেলা থেকেই তিনি ঢাকায় থাকেন। পড়ালেখা করেছেন তাঁতীবাজারের একটি কওমি মাদ্রাসায়। তার এক ছেলে ঢাকায় একটি মাদরাসায় পড়েন। আর মেয়েকে নিয়ে স্ত্রী থাকেন মানিকগঞ্জে।

এ জাতীয় আরও খবর

ইন্টারনেট ব্যবহার বাড়লেও নিজস্ব মোবাইল নেই ৩৪ শতাংশের

জুলাই সনদ বাস্তবায়নে সরকার পিছিয়ে যাচ্ছে: বিরোধী নেতারা

পাপ্পু হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হলো মাইটিভির সাথীকে

ইশরাকের অস্ত্র প্রদর্শন, আইনের ব্যত্যয় পেলে ব্যবস্থা

সাংবিধানিক অধিকার রক্ষায় ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান রাষ্ট্রপতির

উইলিয়ামস সোয়েটার্সের বিরুদ্ধে ১৩ কোটি টাকার শুল্ক ফাঁকির অভিযোগ

দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড, সৌদির কাছে ব্যাখ্যা চাইল ঢাকা

অস্ত্র প্রদর্শনের কারণ জানালেন প্রতিমন্ত্রী ইশরাক

ডেঙ্গুতে আরও ৬ মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ২ হাজারের বেশি

কাতারে গ্রেপ্তার বিমান বাহিনীর সাবেক প্রধান হান্নান

হামের উপসর্গে আরও ৭ জনের মৃত্যু, মোট ১১৯৬

কাঁধের হাড় ভাঙা ও অস্টিওপোরোসিস: লক্ষণ, পরীক্ষা ও চিকিৎসা