,

তাপদাহে নাকাল জনজীবন, বাবাড়ছে ডায়রিয়া, হিটস্ট্রোক ও অ্যাজমা

5357a331d92a4-10নিজস্ব প্রতিবেদক : গ্রীষ্মের শুরুতে দেশজুড়ে চলমান তীব্র দাবদাহে অতিষ্ঠ জনজীবন। সেই সঙ্গে দেখা দিয়েছে পানিবাহিত রোগের প্রকোপ। ডায়রিয়া, কলেরা, আমাশয়, অ্যাজমাসহ বিভিন্ন পেটের পীড়ায় আক্রান্ত হয়ে প্রতিদিনই হাসপাতালে ভিড় জমাচ্ছেন রোগীরা। ডায়রিয়া হাসপাতালে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে ডায়রিয়াসহ বিভিন্ন পানিবাহিত রোগীর সংখ্যা। রাজধানীর কলেরা হাসপাতালে ঢাকা ও এর আশপাশের জেলা থেকে আসা রোগীর ৮০ ভাগই শিশু ও বৃদ্ধ।

আবহাওয়া কর্মকর্তা ও চিকিৎসকদের মতে, প্রখর রোদের তাপদাহে গত এক সপ্তাহে থার্মোমিটারের পারদ বাড়ছে, হু হু করে। যা আরও ২/১ দিন অব্যাহত থাকবে বলছেন আবহাওয়া পর্যবেক্ষকরা। সেই সাথে বেড়েছে মানুষের ভোগান্তি, হাসপাতালেও প্রতিদিনই বেড়েই চলেছে নানা ধরণের রোগীর সংখ্যা। বিশেষ করে জন্ডিস, ডায়রিয়া, ব্রঙ্কাইটিজ বা অ্যাজমাসহ পানি শুন্যতা রোগ বালাই বেড়ে চলেছে। এছাড়া প্রচন্ড তাপদাহে হিটষ্ট্রোকে অসুস্থ হয়ে পড়ছে অধিকাংশ লোক। বিশেষ করে স্কুল কলেজ শিক্ষা-প্রতিষ্ঠানে বা জন বহুল এলাকায় হিটষ্ট্রোকে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়েই চলেছে। ফেনীর সোনাগাজীতে একটি স্কুলে গরমে প্রায় অর্ধশত শিক্ষার্থী হিটষ্ট্রেকে আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসা নিয়েছে। এছাড়া চুয়াডাঙ্গা, রাজশাহী, যশোর, পাবনা ও কুষ্টিয়ায় তাপদাহে অতিষ্ট হয়ে উঠেছে এলাকাবাসি। আবহাওয়া দপ্তর বলছে, চুয়াডাঙ্গা, রাজশাহী, যশোর, পাবনা ও কুষ্টিয়া অঞ্চলের ওপর দিয়ে তীব্র ও ফরিদপুর, ঢাকা, বগুড়া অঞ্চলে মাঝারি তাপপ্রবাহ বইছে। বরিশাল, রংপুর, ময়মনসিংহ, সিলেট ও চট্টগ্রাম বিভাগের ওপর দিয়ে বইছে মৃদু থেকে মাঝারি তাপপ্রবাহ। যা আরও ৩ থেকে ৪ দিন অব্যাহত থাকবে। আবহাওয়ার এ বৈরি আচরণে জনজীবন হয়ে উঠেছে দুর্বিসহ। গরম থেকে রক্ষায় সচেতনতার বিকল্প নেই বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা।

গত তিনদিন ধরে চুয়াডাঙ্গায় তাপমাত্রা থাকছে ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের আশপাশেই। সকাল থেকেই রোদের তীব্রতা অসহনীয়, বেলা বাড়ার সাথে সাথে রাস্তাঘাট জনশূন্য হয়ে পড়ে। ভ্যাপসা গরমে কাহিল কুষ্টিয়াবাসীও। স্বস্তি পেতে গাছতলা আর ঠা-া পানীয়ের দোকানে ভিড় বাড়ছে। প্রকৃতির বৈরিতায় পুড়ছে খেটে খাওয়া মানুষও। গরমে গত এক সপ্তাহে লক্ষ্মীপুরে ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হয়েছে ছয় শতাধিক মানুষ। সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগে প্রতিদিন আসা রোগীর বেশিরভাগই বৃদ্ধ ও শিশু।

প্রখর এই রৌদ্রতাপে সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন খেটে খাওয়া মানুষ। ক্লান্তি দূর করতে কাজের ফাঁকে বিশ্রাম নিচ্ছেন কেউ কেউ। দুচোখ যেন খুঁজে ফিরছে তৃষ্ণা নিবারণের উপাদান। গলা ভেজাতে রাস্তার পাশের ডাবের পানি, লেবুর শরবত, আখের রস আর তরমুজের চাহিদা এখন সবচাইতে বেশি। এ অবস্থায় সুস্থ থাকতে পর্যাপ্ত পানি পান এবং প্রতিদিনের খাবার তৈরি ও সংরক্ষণে সতর্ক থাকার পরামর্শ বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের। এ মাসের মাঝামাঝি কালবৈশাখীর পূর্বাভাস আছে, এতে কিছুটা কমবে গরমের তীব্রতা।

এবিষয়ে শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক অধ্যাপক ডা. উত্তম কুমার বড়–য়া বলেন, প্রয়োজন ছাড়া ঘরের বাইরে না যাওয়া এবং ঢিলে-ঢালা পোশাক পরিধানেরও পরামর্শ তার।

এ জাতীয় আরও খবর

ইউক্রেনকে স্টর্ম শ্যাডো ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির প্রযুক্তি দেবে যুক্তরাজ্য

বিএনপি সরকার ৬ মাসে সম্পূর্ণরূপে ব্যর্থ: নাহিদ ইসলাম

বাংলাদেশে বিনিয়োগে মার্কিন রাষ্ট্রদূতের প্রতি আহ্বান

মঙ্গলবার পবিত্র সিরাতুন্নবী (সা.) অনুষ্ঠান উদ্বোধন করবেন রাষ্ট্রপতি

নতুন সরকারের প্রথম ছয় মাসে অর্থনীতির কাঙ্ক্ষিত পুনরুদ্ধার হয়নি: দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য

ইবির ৪৪ শিক্ষকের বিষয়ে তদন্ত প্রতিবেদন জমা

সবাই রেডি হলে স্থানীয় নির্বাচন হবে: সিইসি

ডেঙ্গুতে আরও ৩ জনের মৃত্যু, আক্রান্ত ৯৯৪

বাণিজ্যমন্ত্রী ও ভারতীয় হাইকমিশনারের বৈঠক, যেসব বিষয়ে আলোচনা

রংপুরে ৪ হত্যাকাণ্ড নিয়ে যে তথ্য দিল ফরেনসিক বিভাগ

শিক্ষার্থীদের মিড-ডে মিলের মান নিয়ে যেন আপস না করা হয়: প্রধানমন্ত্রী

হাইকোর্টের রায়ে সন্তুষ্ট নুসরাতের মা