,

মিয়ানমার থেকে ইলিশ আসছে

 

 

নিজস্ব প্রতিবেদক : বাঙালির সার্বজনীন উৎসব পহেলা বৈশাখ। তাইতো দেশের সর্বত্র চলছে বাংলা বর্ষবরণে নানা আয়োজন। আর পহেলা বৈশাখে পান্তা-ইলিশ খাওয়া-তো বাঙালির ঐতিহ্য।ty

অথচ ইলিশের রাজধানী হিসেবে খ্যাত পদ্মা-মেঘনা পাড়ের জেলা চাঁদপুর এখন অনেকটাই ইলিশশূন্য। জাটকা রক্ষা কার্যক্রমের কারণে মার্চ-এপ্রিল নদীতে ইলিশ ধরা ক্রয়-বিক্রয়ের ওপর রয়েছে সরকারি নিষেধজ্ঞা। যে কারণে মিলছে না সুস্বাদু তাজা ইলিশ। এ জেলার হিমাগারগুলোতেও নেই পর্যাপ্ত ইলিশ। ইলিশ সংকটে পহেলা বৈশাখের আগেই ইলিশের দাম বেড়েছে আকাশছোঁয়া। চাহিদা বেশি থাকায় মিয়ানমার থেকেও আমদানি করা হচ্ছে ইলিশ।
মৎস্য আইন অনুয়ায়ি চাঁদপুরসহ দেশের ১৯টি জেলার প্রায় ৮ হাজার বর্গ কিলোমিটার নদীতে মার্চ-এপ্রিল এ দুইমাস ইলিশ মাছ ধরা নিষেধ থাকায় পহেলা বৈশাখের আগেই দেখা দিয়েছে তাজা ইলিশের সংকট। সেই সঙ্গে বেড়ে গেছে হিমায়িত ইলিশের দাম।

 

অন্যদিকে জাটকা রক্ষা আইনের কারণে দেশের অন্যতম ইলিশের পাইকারী আড়ৎ- এ ইলিশ বিক্রি বন্ধ থাকলেও বিভিন্ন জেলায় ইলিশ ধরা ও বিক্রি চলছে নিবিঘ্নে। এ নিয়ে ক্ষুব্ধ এ জেলার ব্যবসায়ীরা।মাছঘাটের ব্যবসায়ী দেলোয়ার হোসেন দেলু জানান, মৎস্য আইন অনুযায়ি সারা দেশেই এই সময় ইলিশ ধরা ক্রয়-বিক্রয় নিষিদ্ধ। কিন্তু এখন দেখছি চাঁদপুর ছাড়া সারা দেশেই ইলিশ বিক্রি হচ্ছে, ধরাও হচ্ছে।আড়ৎদার টিটু বলেন, ‘বৈশাখে একটু বেশি দামে ইলিশ বেচমু লাভ করমু চাঁদপুরে অহন হেই সুয়োগ নাই। সারা দেশেই ইলিশ বিক্রি হচ্ছে চাঁদপুরের নামে অথচ চাঁদপুরে কোন ইলিশ পাওয়া যায় না।’

 

গেল বৈশাখে ইলিশ মজুত করে লোকসান হওয়ায় এ বছর হিমাগার মালিকরা ইলিশ মজুত করেছে চাহিদার তুলনায় কম। যার কারণে এবারের বৈশাখে চাহিদা মেটাতে মিয়ানমার থেকে ইলিশ আমাদানি করা হচ্ছে।চাঁদপুরের হিমায়িত ইলিশ মাছের পাইকারী ব্যবসায়ী আলহাজ্ব মালেক খন্দকার বলেন, ‘গেল বছর ইলিশ স্টক করে বৈশাখে বিক্রি করতে না পারার অনেক লোকসান হইছে। যার কারণে চাঁদপুর, চট্টগ্রাম ও ঢাকার হিমাগার মালিকরা এ বছর কম ইলিশ মজুত করেছে। তাই বৈশাখে বাড়তি চাহিদা পুরণ করা সম্ভব হচ্ছে না। এ জন্য মিয়ানমার থেকে ইলিশ আমদানি করা হচ্ছে। এ পর্যন্ত ৫ হাজার মন ইলিশ এসেছে দেশে।’

 

অন্যদিকে ইলিশের উৎপাদন বৃদ্ধিতে সরকারের চলমান উদ্যোগকে সহায়তা দেওয়ার জন্য এবারের পহেলা বৈশাখের আয়োজনে পান্তা ইলিশ না রাখার দাবি জানিয়েছেন সংস্কৃতিকর্মীরা।ইলিশ উৎসবের রুপকার শিল্পি হারুন আল রশিদ, বর্ষবরণের আয়োজনে ইলিশ থাকতেই হবে এমন তো কোনো কথা নয়। দেশের জাতীয় মাছ ইলিশের উৎপাদন বৃদ্ধিতে বর্ষবরণে বিলাশিত হিসেবে ইলিশ না খেয়ে এ বছর সবারই ত্যাগের মানসিকতা সৃষ্টি করা উচিত।

 

চাঁদপুরের হাট বাজারগুলোতে প্রকাশ্যে ইলিশ মাছ বিক্রি না হলেও হিমাগারগুলোতে হিমায়িত ইলিশ (দুই তিনমাস আগে ধরা ফ্রিজিং করা) বিক্রি হচ্ছে। বর্তমানে ৬০০ থেকে ৭০০ গ্রাম ওজনের হিমায়িত ইলিশ ১৫০০ থেকে ১৬০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। আর নদীর তাজা ইলিশ কোথাও কোথাও গোপনে বিক্রি হচ্ছে ৩ হাজার টাকা কেজি দরে। যা পহেলা বৈশাখের পূর্বে আরে বৃদ্ধি পাবে বলে মনে করছেন ব্যবসায়ীরা ।

এ জাতীয় আরও খবর

স্বনির্ভর দেশ গড়তে গ্রামীণ অর্থনীতিতে গুরুত্ব: পানিসম্পদমন্ত্রী

রংপুর জামায়াত দখল করেছে, অভিযোগ রাশেদ খাঁনের

ইরানে দুই হামলায় যুদ্ধাপরাধের অভিযোগ যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে

শনিবার জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হচ্ছে সাড়ে ১২ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস

নভেম্বরে প্রধানমন্ত্রীর দিল্লি সফর চূড়ান্ত করতে ফের আলোচনা: দ্য হিন্দু

তৃণমূলের নাম-প্রতীক নিয়ে মমতা-ঋতব্রতকে নতুন সিদ্ধান্ত কমিশনের

জামায়াতের ৭১-এর ভূমিকা নিয়ে রাজ্জাকের বক্তব্যের গুরুত্ব তুলে ধরলেন আইনমন্ত্রী

শেখ হাসিনা কালকেই আসুন, হাতকড়া দিয়ে রিসিভ করব: বিমানমন্ত্রী

নির্যাতনের অভিযোগে দাম্পত্যে ইতি, থানায় সমঝোতায় সংগীতশিল্পী কনটেন্ট ক্রিয়েটর ইউসুফ রায়হান ও মুন্নির বিবাহ বিচ্ছেদ

আজ প্রথম প্রেম মনে করার দিন

বিশ্ব বাঁশ দিবস আজ

মূল্যস্ফীতি কমার প্রভাব নেই বাজারে