,

আনসারুল্লাহ বাংলা টিম নিষিদ্ধ হলেও এখনো দমেনি

 

নিজস্ব প্রতিবেদক : নিষিদ্ধ ঘোষণার পরও দমেনি আনসারুল্লাহ বাংলা টিম (এবিটি)। র‌্যাব-পুলিশের অভিযানে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে এবিটি সদস্য আটক অব্যাহত থাকলেও তাদের তৎপরতা থেমে নেই। এই চক্রে কত জন সদস্য কীভাবে সক্রিয়, সে ব্যাপারে কারো কাছে সুনির্দিষ্ট তথ্য না থাকায় দমানো যাচ্ছে না তাদের। এবিটির কাছে রয়েছে টাকা ও অস্ত্র। তাদের নেটওয়ার্ক এতটাই সচল যে, কোনো অভিযানের পরও তারা নিবৃত্ত হচ্ছে না। দেশি-বিদেশি একাধিক জঙ্গি সংগঠনের সঙ্গে যোগাযোগ রেখে তারা সরব রয়েছে। ব্যক্তির পর এবার তারা গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় হামলার টার্গেট করে ছক এঁকেছে।

7521452666076_ansarullha_94900

 

র‌্যাব, ডিবি ও পুলিশের একাধিক কর্মকর্তা বলেছেন, হরকাতুল জিহাদ (হুজি), জামা’আতুল মুজাহিদীন বাংলাদেশ (জেএমবি), জাগ্রত মুসলিম জনতা বাংলাদেশ (জেএমজেবি), শাহাদাত-ই হিকমাসহ একাধিক সংগঠন নিষিদ্ধ করার পর এর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অনেকে নিবৃত্ত হয়। আবার অনেকেই নতুন জঙ্গি সংগঠনে যোগ দেয়। কিন্তু এবিটি এবং হিযবুত তাহরীরকে সরকার নিষিদ্ধ ঘোষণা করার পর তারা নিবৃত হয়নি। সম্প্রতি হিযবুত তাহরীরের পোস্টার দেয়ালে সেঁটে প্রচারণা অব্যাহত রাখলেও, এবিটি টার্গেট কিলিংসহ নাশকতামূলক কর্মকা- অব্যাহত রেখেছে।

 

পুলিশের একাধিক কর্মকর্তা বলেছেন, এ পর্যন্ত আটককৃত এবিটির একেক সদস্যের কাছ থেকে একেক রকম চাঞ্চল্যকর তথ্য মিলছে। তবে মিলছে না শেকড়ের খোঁজ। নেটওয়ার্কের ব্যাপারে নেই বিস্তারিত তথ্য। বিভিন্ন অনলাইন অ্যাক্টিভিস্টের পাশাপাশি দেশের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় হামলা চালানোর উদ্দেশ্যে সংক্ষিপ্ত একটি ‘হিট লিস্ট’ করেছিল এবিটি। বাড্ডার জঙ্গি আস্তানা থেকে আনসারুল্লাহর দুই জঙ্গিকে গ্রেপ্তার করার পর এমন তথ্য জানিয়েছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।
সূত্র জানায়, তিন-চারজন ব্যক্তি ও দুই-চারটি স্থাপনার তালিকা করেছিল এবিটি। তাদের আস্তানা থেকে উদ্ধারকৃত কাগজ, নথিপত্র ও ম্যাপ থেকে এসব তথ্য পাওয়া গেছে। এই তালিকায় এবারো তারা কয়েকজন ব্লুগারের নাম রেখেছে। তাদের ভাষায় এরা ‘নাস্তিক ও ইসলামের শত্রু’।

 

 

অন্যদিকে, ব্যক্তিকেন্দ্রিক টার্গেটের পাশাপাশি দেশের বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় হামলা চালানোর প্রস্তুতি নিয়েছিল এবিটি। এ ছাড়া জাতীয় কোনো বড় অনুষ্ঠান উদযাপনের সময় হামলার টার্গেট নিয়েছিল। তবে লিস্টে কারা আছেন, এ বিষয়ে কিছু জানাননি গোয়েন্দারা। এমনকি স্থাপনার নামও বলেননি তারা। কাউন্টার টেরোরিজম এন্ড ট্রান্সন্যাশনাল

 

 

ক্রাইম ইউনিটের (সিটি) প্রধান ও ঢাকা মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার মনিরুল ইসলাম বলেন, আনসারুলল্লাহর গ্রেপ্তারকৃতদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ করেছি। কিছু তথ্য পেয়েছি, রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। তাদের সঙ্গে কারা কারা জড়িত আছে, এত বিপুল পরিমাণ বিস্ফোরক কোথা থেকে সংগ্রহ করা হলো সব কিছু জানতে চাওয়া হবে।

 

 

নাশকতার লক্ষ্যবস্তু কী ছিল জানতে চাইলে মনিরুল ইসলাম বলেন, বিপুল পরিমাণ বিস্ফোরক দেখে মনে হয়েছে, বড় ধরনের আয়োজনে ব্যবহার করার কথা ছিল। এ মাসের বড় আয়োজন একুশে ফেব্র“য়ারি সফলভাবে শেষ হয়েছে। টি-টোয়োন্টি, এশিয়া কাপসহ বাকি ইভেন্টগুলোতেও নাশকতা চালাতে পারবে না। কারণ তাদের কারখানা চিহ্নিত করে বিস্ফোরক জব্দ করে নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। তিনি বলেন, আমরা মনে করি এ মুহূর্তে জঙ্গিদের বড় ধরনের নাশকতা ঘটনোর মতো সক্ষমতা নেই।

এ জাতীয় আরও খবর

ইউক্রেনকে স্টর্ম শ্যাডো ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির প্রযুক্তি দেবে যুক্তরাজ্য

বিএনপি সরকার ৬ মাসে সম্পূর্ণরূপে ব্যর্থ: নাহিদ ইসলাম

বাংলাদেশে বিনিয়োগে মার্কিন রাষ্ট্রদূতের প্রতি আহ্বান

মঙ্গলবার পবিত্র সিরাতুন্নবী (সা.) অনুষ্ঠান উদ্বোধন করবেন রাষ্ট্রপতি

নতুন সরকারের প্রথম ছয় মাসে অর্থনীতির কাঙ্ক্ষিত পুনরুদ্ধার হয়নি: দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য

ইবির ৪৪ শিক্ষকের বিষয়ে তদন্ত প্রতিবেদন জমা

সবাই রেডি হলে স্থানীয় নির্বাচন হবে: সিইসি

ডেঙ্গুতে আরও ৩ জনের মৃত্যু, আক্রান্ত ৯৯৪

বাণিজ্যমন্ত্রী ও ভারতীয় হাইকমিশনারের বৈঠক, যেসব বিষয়ে আলোচনা

রংপুরে ৪ হত্যাকাণ্ড নিয়ে যে তথ্য দিল ফরেনসিক বিভাগ

শিক্ষার্থীদের মিড-ডে মিলের মান নিয়ে যেন আপস না করা হয়: প্রধানমন্ত্রী

হাইকোর্টের রায়ে সন্তুষ্ট নুসরাতের মা