,

বাচ্চুর গ্যারেজে নয়, হত্যা করা হয় আলীর লেবু বাগানে

4child_5130নিজস্ব প্রতিবেদক : হবিগঞ্জের বাহুবলে চার শিশুকে সিএনজি অটোরিকশা চালক বাচ্চুর গাড়ির গ্যারেজে নয়, হত্যা করা হয়েছে আবদুল আলী বাগালের মালিকানাধীন লেবু বাগানে। সেখানেই দুদিন লাশ রাখা হয়েছিল।

বর্বরোচিত এই হত্যাকাণ্ডের তদন্ত সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্র বুধবার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।

এদিকে বুধবার বিকাল ৩টায় হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে স্বীকারোক্তি দিয়েছে সাত দিনের রিমান্ডে থাকা আসামি হাবিবুর রহমান আরজু। তার বক্তব্যে আরও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য বেরিয়ে এসেছে।

হবিগঞ্জের সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. কাউছার আলমের আদালতে তার জবানবন্দি রেকর্ড করা হয়।

এ নিয়ে ওই ঘটনায় মোট তিনজন আসামি স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে। এর আগে শুক্রবার আবদুল আলী বাগালের ছেলে রুবেল মিয়া ও রোববার জুয়েল মিয়া স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেয়।

অন্যদিকে এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় পুলিশের গাফিলতির অভিযোগের তদন্তের জন্য আরও পাঁচ দিন সময় বাড়িয়ে দেয়া হয়েছে।

তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, লাশগুলো মাটি চাপা দেয়া হয় ১৪ ফেব্রুয়ারি। আলীর মোট তিনটি লেবু বাগান রয়েছে। কিন্তু হত্যা করা হয়েছে উত্তরের লেবু বাগানে। যেখানে স্থানীয় শিমুলতলা ছড়া দিয়ে যেতে হয়। আর হত্যাকাণ্ডের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত জড়িত ছিল নয়জন।

ঘটনার তদন্তকারী কর্মকর্তা মো. মোকতাদির হোসেন জানান, এখন পর্যন্ত ঘটনার শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত নয়জনের সম্পৃক্ততা পাওয়া গেছে। তবে সবাই সরাসরি হত্যার সঙ্গে জড়িত নয়। পূর্ণাঙ্গ তথ্য উদ্ঘাটনের চেষ্টা চলছে। শেষ হলে সবকিছুই জানানো হবে।

এ বিষয়ে তদন্ত দলের প্রধান সমন্বয়কারী অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. শহীদুল ইসলাম জানান, আবদুল আলী বাগালের সেকেন্ড ইন কমান্ড হাবিবুর রহমান আরজু। সে আলীর সব নির্দেশ পালন করতো। ওই ঘটনার সঙ্গে মূল নায়ক আবদুল আলীসহ ৮/৯ জনের সম্পৃক্ততা পাওয়া গেছে।

পুলিশের গাফিলতির অভিযোগের তদন্ত কমিটির সমন্বয়কারীও শহীদুল ইসলাম। এ বিষয়ে তিনি যুগান্তরকে বলেন, তদন্ত প্রতিবেদন দেয়ার জন্য আরও পাঁচ দিন সময় বাড়ানো হয়েছে। আগামী রোববার তদন্ত প্রতিবেদন দেয়া হবে।

আদালত সূত্রে জানা যায়, বুধবার বেলা ২টায় জবানবন্দি গ্রহণের জন্য কড়া নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে আদালতে আনা হয় আবদুল আলী বাগালের অন্যতম সহযোগী হাবিবুর রহমান আরজুকে। এর পর তাকে রাখা হয় কোর্ট পরিদর্শকের কক্ষে।

বিকাল ৩টা থেকে সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. কাউছার আলমের খাসকামরায় দুই ঘণ্টাব্যাপী জবানবন্দি গ্রহণ করা হয়। পরে তাকে কারাগারে প্রেরণ করা হয়।

গত ১২ ফেব্রুয়ারি বাহুবল উপজেলার সুন্দ্রাটিকি গ্রামের মো. ওয়াহিদ মিয়ার ছেলে জাকারিয়া আহমেদ শুভ (৮), তার দুই চাচাতো ভাই আবদুল আজিজের ছেলে তাজেল মিয়া (১০) ও আবদাল মিয়ার ছেলে মনির মিয়া (৭) এবং তাদের আত্মীয় আবদুল কাদিরের ছেলে ইসমাঈল হোসেন (১০) অপহরণ হয়।

১৩ ফেব্রুয়ারি এ বিষয়ে থানায় সাধারণ ডায়রি করেন জাকারিয়া শুভর বাবা ওয়াহিদ মিয়া। ১৬ ফেব্রুয়ারি থানায় অপহরণ মামলা দায়ের করেন নিহত মনির মিয়ার বাবা আবদাল মিয়া।

এরপর ১৭ ফেব্রুয়ারি (বুধবার) বাড়ির পাশে ইছাবিল নামক স্থান থেকে ওই চার শিশুর মাটিচাপা দেয়া লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। মর্মান্তিক এ ঘটনা দেশ-বিদেশে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করে। যুগান্তর

এ জাতীয় আরও খবর

স্বনির্ভর দেশ গড়তে গ্রামীণ অর্থনীতিতে গুরুত্ব: পানিসম্পদমন্ত্রী

রংপুর জামায়াত দখল করেছে, অভিযোগ রাশেদ খাঁনের

ইরানে দুই হামলায় যুদ্ধাপরাধের অভিযোগ যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে

শনিবার জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হচ্ছে সাড়ে ১২ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস

নভেম্বরে প্রধানমন্ত্রীর দিল্লি সফর চূড়ান্ত করতে ফের আলোচনা: দ্য হিন্দু

তৃণমূলের নাম-প্রতীক নিয়ে মমতা-ঋতব্রতকে নতুন সিদ্ধান্ত কমিশনের

জামায়াতের ৭১-এর ভূমিকা নিয়ে রাজ্জাকের বক্তব্যের গুরুত্ব তুলে ধরলেন আইনমন্ত্রী

শেখ হাসিনা কালকেই আসুন, হাতকড়া দিয়ে রিসিভ করব: বিমানমন্ত্রী

নির্যাতনের অভিযোগে দাম্পত্যে ইতি, থানায় সমঝোতায় সংগীতশিল্পী কনটেন্ট ক্রিয়েটর ইউসুফ রায়হান ও মুন্নির বিবাহ বিচ্ছেদ

আজ প্রথম প্রেম মনে করার দিন

বিশ্ব বাঁশ দিবস আজ

মূল্যস্ফীতি কমার প্রভাব নেই বাজারে