,

যশোরে শহীদ মিনারে বোমাবাজির ঘটনায় ১০জন আটক

jessore-arrest_4848নিজস্ব প্রতিবেদক : যশোর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে একুশের প্রথম প্রহরে বোমাবাজি ও পুলিশের উপর্যুপুরি গুলিবর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। তবে এতে কেউ হতাহত হয়নি।

সহিংসতার পরপরই গোটা এমএম কলেজ এলাকায় আতংক ছড়িয়ে পড়ে। পরে রোববার ভোরে পুলিশ এমএম কলেজের আসাদ হলে অভিযান চালিয়ে ১০ জনকে আটক এবং বোমা তৈরির সরঞ্জাম উদ্ধার করেছে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, একুশে ফেব্রুয়ারির প্রথম প্রহরে যশোর এমএম কলেজ কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করতে আসেন স্থানীয় সংসদ সদস্য কাজী নাবিল আহমেদ, জেলা প্রশাসক ড. হুমায়ুন কবীর ও পুলিশ সুপার আনিসুর রহমান।

এর পরপরই পুষ্পার্ঘ্য অর্পণের প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন জেলা সিভিল সার্জন ডা. শাহাদাৎ হোসেন, এমএম কলেজের অধ্যক্ষ মিজানুর রহমান। এ সময় হঠাৎ করেই মূলগেটসহ প্রবেশ পথের পুরোটা উন্মুক্ত করে দেয় পুলিশ।

ফলে আগে থেকে অবস্থান নেয়া ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা হট্টগোল করে শহীদ মিনারের বেদিতে চলে যায়। এর পরপরই শহীদ মিনারের উত্তরপাশে একটি হাতবোমার বিস্ফোরণ ঘটে।

বিস্ফোরণের পর পুলিশ লাঠিচার্জ ও ফাঁকা গুলি শুরু করে। এতে গোটা এলাকায় আতংক ছড়িয়ে পড়ে। শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা জানাতে আসা নারী-পুরুষ ও শিশুরা আতকিংত হয়ে দিগ্বিদিক ছোটাছুটি শুরু করে। এক পর্যায়ে বিভিন্ন সংগঠন ও শ্রেণী-পেশার মানুষ ফুল না দিয়েই বাড়ি ফিরে যায়।

প্রথম প্রহরের এ ঘটনার পর রোববার ভোরে পুলিশ এমএম কলেজের আসাদ হলে অভিযান চালিয়ে ১০ জনকে আটক করেছে। আটকরা হলেন- শহরের রেলগেট এলাকার রকি (২২), সদর উপজেলার বাহাদুরপুর গ্রামের গাজী হাসান (২০), শার্শা উপজেলার নহিহাটি রাশেদ নিয়াজি (২৪), বেনাপোলের কাগজপুর এলাকার সুমন হোসেন (২১), খুলনার আড়ংঘাটার মিথুন সরকার (২৬), ঝিনাইদহের মহেশপুরের ডালভাঙ্গা গ্রামে এএম আকাশ (২২), কচুয়ার পোতা গ্রামের জেডএ বিজয় (২৫), বাঘাডাঙ্গা গ্রামের তিতাস মিয়া (২৩), কোটচাঁদপুর উপজেলার মানিকদিহি গ্রামের শাহিন (২২) ও মাগুরার শালিখার নাঘোপা গ্রামের মহিদুল ইসলাম (১৯)।

এ সময় তাদের কাছ থেকে ১০০ গ্রাম গান পাউডারসহ বোমা তৈরির সরঞ্জাম, ১০টি হাতবোমা ও ১৪ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।

তবে আটকের ছাত্রলীগের কর্মী দাবি করে ঘটনায় নিন্দা জানিয়েছে জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার হোসেন বিপুল।

তিনি বলেন, শহীদ বেদিতে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণের পর এমপি নাবিল আহমেদের সঙ্গে থাকা সন্ত্রাসী ম্যানসেলের নেতৃত্বে বোমা হামলার ঘটনা ঘটেছে। এরপর এমপির গাড়িচালক গুলিবর্ষণ শুরু করে। আর পরে পুলিশ অভিযান চালিয়ে ছাত্রলীগ কর্মীদের আটক করে।

এদিকে শহীদ মিনারে বোমাবাজি ও গুলিবর্ষণের ঘটনায় পুলিশের সমালোচনা করে সাংস্কৃতিক জোটের সভাপতি ডিএম শাহিদুজ্জামান বলেন, প্রশাসন শহীদ মিনারের পবিত্রতা রক্ষা করতে ব্যর্থ হয়েছে।

তবে পুলিশের এএসপি শাফিন মাহমুদ এ অভিযোগকে অস্বীকার করে বলেন, সেখানে তিন স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা ছিল। শহীদ মিনারের ভেতরে কেউ বোমা ফেলেনি। বোমা পড়েছে কলেজ প্রাচীরের বাইরে।

তবে শহীদ মিনার এলাকায় কেন গুলি করা হল-এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, হামলাকারীদের ছত্রভঙ্গ করার জন্যই পুলিশ গুলি করতে বাধ্য হয়েছে।

এ জাতীয় আরও খবর

ইউক্রেনকে স্টর্ম শ্যাডো ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির প্রযুক্তি দেবে যুক্তরাজ্য

বিএনপি সরকার ৬ মাসে সম্পূর্ণরূপে ব্যর্থ: নাহিদ ইসলাম

বাংলাদেশে বিনিয়োগে মার্কিন রাষ্ট্রদূতের প্রতি আহ্বান

মঙ্গলবার পবিত্র সিরাতুন্নবী (সা.) অনুষ্ঠান উদ্বোধন করবেন রাষ্ট্রপতি

নতুন সরকারের প্রথম ছয় মাসে অর্থনীতির কাঙ্ক্ষিত পুনরুদ্ধার হয়নি: দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য

ইবির ৪৪ শিক্ষকের বিষয়ে তদন্ত প্রতিবেদন জমা

সবাই রেডি হলে স্থানীয় নির্বাচন হবে: সিইসি

ডেঙ্গুতে আরও ৩ জনের মৃত্যু, আক্রান্ত ৯৯৪

বাণিজ্যমন্ত্রী ও ভারতীয় হাইকমিশনারের বৈঠক, যেসব বিষয়ে আলোচনা

রংপুরে ৪ হত্যাকাণ্ড নিয়ে যে তথ্য দিল ফরেনসিক বিভাগ

শিক্ষার্থীদের মিড-ডে মিলের মান নিয়ে যেন আপস না করা হয়: প্রধানমন্ত্রী

হাইকোর্টের রায়ে সন্তুষ্ট নুসরাতের মা