,

সূরা ফীল নাযিলের প্রেক্ষাপট ও বঙ্গানুবাদ

news-image

সূরা ফীল কোরআনের একটি গুরুত্বপূর্ণ সূরা। এ সূরাটি নাযিল হয়েছে মক্কায়, ইসলামের শুরুর দিকে।“আসহাবুল ফীল” থেকে এর নাম করণ করা হয়েছে। এর মধ্যমে একটি ঐতিহাসিক ঘটনার দিকে ইঙ্গিত করা হয়েছে। ইসলামের শুরুর দিকে এই সূরার মাধ্যমে মূলত: আবরবাসীকে ইসলামের পথে আহবান  করা হয়েছে। সকল ক্ষমতার মালিক যে আল্লাহ তাই মূলত এ সূরার মাধ্যমে প্রকাশ করা হয়েছে। দুনিয়ার মানুষের ক্ষমতা দেখে মানুষ তার মত হতে চাই এবং আল্লাহর যে দুনিয়ার একচ্ছত্র মালিক, তার বল ও ক্ষমতার যে কোন সীমা নেই তখনকার মক্কাবাসীসহ দুনিয়ার সকল মানুষকে তিনি এ বিষয়টিই বুঝাতে চেয়েছেন।

এই সূরার ঐতিহাসিক ঘটনা একাধিক হাদিছে বর্ণিত হয়েছে এবং ঘটনার মাঝে কিছু  অংশ কম বেশিও আছে। তবে একজন জলিলুর কদর সাহাবি হযরত ইবনে আব্বাসের বর্ণনা তুলে ধরা হলো। তিনি বর্ণনা করেন। অর্থ: আবদ ইবনে হুমাইদ, ইবনুল মুনযির, ইবনে মারদুইয়া, হাকেম, আবু নু’আইম ও বাইহাকী তাঁর থেকে যে ঘটনা বর্ণনা করেছেন তাতে তিনি বলেন, আবরাহা আসসিফাই (আরাফাত ও তায়েফের পাহাড়গুলোর মধ্যে হারাম শরীফের সীমানার কাছাকাছি একটি স্থান) পৌঁছে গেলে আবদুল মুত্তালিব নিজেই তার কাছে যান এবং তাকে বলেন, আপনার এখানে আসার কি প্রয়োজন ছিল? আপনার কোন জিনিসের প্রয়োজন থাকলে আমাদের কাছে বলে পাঠাতেন। আমরা নিজেরাই সে জিনিস নিয়ে আপনার কাছে পৌঁছে যেতাম।

জবাবে সে বলে, আমি শুনেছি, এটি শান্তি ও নিরাপত্তার ঘর। আমি এর শান্তি ও নিরাপত্তা খতম করতে এসেছি। আবদুল মুত্তালিব বলেন, এটি আল্লাহর ঘর। আজ পর্যন্ত তিনি কাউকে এর ওপর চেপে বসতে দেননি। আবরাহা জবাব দেয়, আমি একে বিধ্বস্ত না করে এখান থেকে সরে যাবো না। আবদুল মুত্তালিব বলেন, আপনি যা কিছু চান আমাদের কাছ থেকে নিয়ে চলে যান। কিন্তু আবরাহা অস্বীকার করে। আবদুল মুত্তালিবকে পেছনে রেখে নিজের সেনাবাহিনী নিয়ে সে সামনে দিকে এগিয়ে যায়। “আসহাবুল ফীল”এর ঘটনা ঘটে।
উচ্চারণ

১.আলাম তারা কায়ফাফা আলা রাব্বুকা বি আসহাবিল ফীল। ২. আলাম ইয়াজ আল কায়দা হুম ফী তাদলীন। ৩. ও আর সালা আলাইহীম তয়রান আবা বিল। ৪. তারমী হীম বি হিজারতিম্মিন সিজ্জিন। ৫. ফাজা আলা হুম কায়াস ফিম্মায়াকুর।
বাঙ্গানুবাদ
১.তুমি কি দেখনি তোমার রব হাতিওয়ালাদের সাথে কি করেছেন? ২. তিনি কি তাদের কৌশল ব্যর্থ করে দেননি? ৩. আর তাদের ওপর ঝাঁকে ঝাঁকে পাখি পাঠান, ৪. যারা তাদের ওপর নিক্ষেপ করছিল পোড়া মাটির পাথর। ৫. তারপর তাদের অবস্থা করে দেন পশুর খাওয়া ভূষির মতো।

সূরা ফীর আমরা সকলেই জানি। কখনো না কখনো আমরা এই সূরা শিখেছি ঠিক। কিন্তু আমরা জানি না এই সূরা আল্লাহ কেন নাযিল করেছেন। কি ছিলো এই সূরা নাযিলের প্রেক্ষাপট? এসব বিষয় আমরা অনেকেই জানি না। হা সূরা আমাদেরকে অবশ্যই শিখতে হবে। মুখস্তও করতে হবে। এছাড়াতো আমরা নামাজ-ই পড়তে পারবো না। তবে ইসলামকে জানতে হলে, গভীর মনোযোগসহ নামাজ পড়তে হলে অবশ্যই কোরআনের প্রত্যেটি সূরার অর্থ, ব্যাখ্যা ও নাযিলের প্রেক্ষাপট জানতে হবে। আল্লাহ আমাদের সে তৌফিক দান করুন। আমীন।

এ জাতীয় আরও খবর

আলমনগরে মেধাবীদের বৃত্তি ও শিক্ষা উপকরণ বিতরণ, উন্নয়নে অগ্রাধিকারের আশ্বাস এমপি আব্দুল মান্নানের

প্রতিমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করলেন ইশরাক হোসেন

পূজার আয়োজনে ঘরেই বানান নারিকেলের নাড়ু

লোকসান ও বিদ্যুৎ বিলের চাপে বন্ধ হচ্ছে উল্কা সিনেমা হল

সব সম্প্রদায়ের অধিকার রক্ষার কথা বলল বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ: রিজভী

মঙ্গলবার থেকে টানা ৫ দিনের ছুটি, ছুটিতে থাকবেন না যারা

ঢাকায় তাপমাত্রা অপরিবর্তিত থাকার আভাস

ফ্রান্সে বিক্ষোভ-সহিংসতা, গ্রেপ্তার ২ হাজার ৪০০

সেঞ্চুরির পর ঘরোয়া ক্রিকেটের প্রশংসায় আগা সালমান

টাইগার শ্রফকে লক্ষ্য করে গুলি, অল্পের জন্য রক্ষা

জুলাই স্মৃতিস্তম্ভ ও আধুনিক ওসমানী উদ্যান উদ্বোধন প্রধানমন্ত্রীর

ফ্রান্সে সহিংসতা, অপরাধীদের শাস্তির হুঁশিয়ারি ম্যাক্রনের