,

জেনে নিন অরগানিক খাবার কেন কিনবেন?

news-image

অরগানিক,কনভেনশনাল ও জিএমও খাদ্যের নাম আমরা অনেকেই শুনেছি। অরগানিক খাদ্যের প্রসঙ্গে অনেকেই ভাবেন কেন এটা ভাল বা তার ক্রয় ক্ষমতার মধ্যে আছে কিনা? আবার অনেকেই ভাবেন এটা স্বাস্থ্যকর নাকি অস্বাস্থ্যকর?
কনভেনশনাল বা প্রচলিত খাদ্য উৎপাদনে কৃত্রিম রাসায়নিক উপাদান যেমন- সার ও কীটনাশক ব্যবহার করা হয়। মাটি এই রাসায়নিক উপাদানগুলো শোষণ করে নেয় যা কখনো দূর হয় না এবং মাটির উর্বরতা নষ্ট হয়। তাই খাদ্য স্বাদহীন হয়।
জেনেটিক্যালি মডিফাইড অরগানিজমকে জিএমও ফুড বলা হয়। অর্থাৎ জিনগত পরিবর্তনের মাধ্যমে এবং অ্যান্টিবায়োটিক ও হরমোন প্রয়োগের মাধ্যমে যে সকল খাদ্য উৎপাদন করা হয় তাদের জিএমও খাদ্য বলা হয়।
অরগানিক ফুড উর্বর মাটিতে চাষ করা হয় যা কৃত্রিম রাসায়নিক মুক্ত। এগুলো উৎপাদনে অ্যান্টিবায়োটিক ও হরমোন ব্যবহার করা হয়না। বিজ্ঞানীদের মতে অরগানিক ফুড অনেক বেশি পুষ্টিগুণ সমৃদ্ধ। গবেষণায় দেখা গেছে যে জৈব খাদ্য বা অরগানিক ফুড শরীরের চর্বি কমায় এবং পেশীর গঠনে সহায়তা করে। আজ আমরা এমন কিছু জৈব খাদ্যের নাম জেনে নেব যাদেরকে আপনার প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় রাখতে পারেন।
১। স্ট্রবেরি
সবচেয়ে ভাল সুপারফুড হচ্ছে স্ট্রবেরি। স্ট্রবেরি যদি অরগানিক না হয় তাহলে সম্ভাব্য স্বাস্থ্য ঝুঁকি থেকে যায়। স্ট্রবেরির উপরের খোসায় খুব সহজেই কীটনাশক আটকে থাকতে পারে। স্ট্রবেরিকে কীটনাশক মুক্ত করার জন্য ধোয়াও কঠিন। তাই যদি অরগানিক স্ট্রবেরি না কিনা হয় তাহলে আপনার শরীরে কীটনাশক যাওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যায়। সুস্বাস্থ্যের নিশ্চিত করার জন্য অরগানিক স্ট্রবেরি খান।
২। শস্য
ইউএসডিএ পেস্টিসাইড প্রোগ্রামের মতে, কনভেনশনাল শস্যে ১৫ ধরণের কীটনাশক থাকে এবং কারসিনোজেন ও নিউরোটক্সিন থাকে যা বিভিন্ন প্রকার স্বাস্থ্য সমস্যা সৃষ্টি করে। অরগানিক শস্যদানা স্ট্রোক,হার্ট ডিজিজ ও দীর্ঘস্থায়ী অসুখের ঝুঁকি কমায় এবং ওজন নিয়ন্ত্রণেও সহায়তা করে। বেশি পরিমাণে জৈব আস্ত শস্যদানা কিনে সংরক্ষণ করুন এতে খরচ বাঁচবে।
৩। আপেল
আপেল কীটনাশক দিয়ে খুব বেশি কলুষিত হয়। আপেল সতেজ রাখার জন্য এর উপরে মোমের প্রলেপ দেয়া হয় জা স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। তাই স্বাস্থ্য ভালো রাখার জন্য অরগানিক আপেল খান।
৪। দুধ
যেসব ফার্মের গরুকে জিএমও ফুড খাওয়ানো হয়না এবং হরমোন বা অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহার করা হয়না সেই গরুর দুধ পান করুন।
৫। মাংস
অরগানিক মাংস খাওয়া উচিৎ কারণ কনভেনশনাল মাংসে যে হরমোন বা অ্যান্টিবায়োটিক ব্যাবহার করা হয় তা ক্যান্সার এর ঝুঁকি বাড়ায় ও অন্যান্য ক্ষতিকর স্বাস্থ্য সমস্যা সৃষ্টি করে।অরগানিক মাংসের দাম বেশি হতে পারে কিন্তু এর পুষ্টিগুন অনেক বেশি।
এছাড়াও আরো কিছু খাবার আছে যা অরগানিক হওয়া ভালো, যেমন-আঙ্গুর,পিচ ফল,টমাটো,শশা,আলু ও মরিচ ইত্যাদি।

এ জাতীয় আরও খবর

আলমনগরে মেধাবীদের বৃত্তি ও শিক্ষা উপকরণ বিতরণ, উন্নয়নে অগ্রাধিকারের আশ্বাস এমপি আব্দুল মান্নানের

প্রতিমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করলেন ইশরাক হোসেন

পূজার আয়োজনে ঘরেই বানান নারিকেলের নাড়ু

লোকসান ও বিদ্যুৎ বিলের চাপে বন্ধ হচ্ছে উল্কা সিনেমা হল

সব সম্প্রদায়ের অধিকার রক্ষার কথা বলল বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ: রিজভী

মঙ্গলবার থেকে টানা ৫ দিনের ছুটি, ছুটিতে থাকবেন না যারা

ঢাকায় তাপমাত্রা অপরিবর্তিত থাকার আভাস

ফ্রান্সে বিক্ষোভ-সহিংসতা, গ্রেপ্তার ২ হাজার ৪০০

সেঞ্চুরির পর ঘরোয়া ক্রিকেটের প্রশংসায় আগা সালমান

টাইগার শ্রফকে লক্ষ্য করে গুলি, অল্পের জন্য রক্ষা

জুলাই স্মৃতিস্তম্ভ ও আধুনিক ওসমানী উদ্যান উদ্বোধন প্রধানমন্ত্রীর

ফ্রান্সে সহিংসতা, অপরাধীদের শাস্তির হুঁশিয়ারি ম্যাক্রনের