,

আশুগঞ্জ সার কারখানায় ইউরিয়া সার উৎপাদন ৪ মাস বন্ধ থাকায় ২৮০ কোটি টাকার ক্ষতি

news-image

আমিরজাদা চৌধুরী. ব্রাহ্মণবাড়িয়া থেকে : গ্যাস সঙ্কটের কারণে দীর্ঘ ৪ মাসেরও অধীক সময় বন্ধ থাকার পর গতকাল সোমবার সকাল থেকে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জ সার কারখানায় পূনরায় ইউরিয়া সার উৎপাদন শুরু হয়েছে।কর্ম চাঞ্চলতা ফিরে এসেছে শ্রমিক কর্মচারী ও কর্মকর্তাদের মাঝে।এদিকে কারখানা প্রতিদিন ১৫‘শ টন উৎপাদন ক্ষমতা হিসাবে ৪ মাস বন্ধ থাকায় প্রায় ২ লাখ টন সার উৎপাদন ব্যাহত হয়েছে।এতে কারখানার উৎপাদন খাতে লোকসান হয়েছে প্রায় ২৮০ কোটি টাকা।
কারখানার কারিগরি বিভাগ সূত্রে জানাযায়, গ্যাস সঙ্কটের কারণে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রনালয়ের সিদ্বান্ত অনুযায়ী গত ১২ মে আশুগঞ্জ সার কারখানা চালু থাকা অবস্থায় ইউরিয়া সার উৎপাদন বন্ধ করে দেয়া হয়। ফলে প্রতিদিন প্রায় ১৫শ’ টন ইউরিয়া সার উৎপাদন ব্যাহত হয়।এক পর্যায়ে কারখানায় ইউরিয়া সারের মজুদ নেমে আসে শূন্যের কোটায়।ফলে কারখানার অধীনস্থ ৭ জেলার ডিলারদেরকে বিদেশ থেকে উচ্চ মূল্যে আমদানী করা ইউরিয়া সার সরবরাহ করা হয়।পরবর্তিতে আন্তঃমন্ত্রনালয়ের সিদ্বান্ত মোতাবেক গত ১ লা সেপ্টেম্বর থেকে কারখানায় পূনরায় গ্যাস সরবরাহ দেয়া হয়। কিন্তু দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার কারণে কারখানায় নানান যান্ত্রিক জটিলতা দেখা দেয়।এতে করে গ্যাস সরবরাহ পেয়েও নির্ধারিত সময়ে কারখানার উৎপাদন চালু করা সম্ভব হয়নি।বিশেষজ্ঞদের পরামর্শে স্থানীয় প্রকৌশলীরা গত ২০দিনে সকল ত্রুটি মেরামত করে গতকাল সোমবার সকাল থেকে ইউরিয়া সার উৎপাদন চালু করতে সক্ষম হয়।তবে আবারো যে কোন সময় কারখানায় যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা দিয়ে উৎপাদন বন্ধ হয়ে যাওয়ার আশংকা করছেন প্রকৌশলীরা। 
এদিকে কারখানা ৪ মাস বন্ধ থাকায় প্রতিদিন ১৫‘শ টন উৎপাদন ক্ষমতা হিসাবে প্রায় ২৮০ কোটি টাকা মূল্যের ২ লাখ টন সার উৎপাদন ব্যাহত হয়েছে।এতে করে চলতি অর্থ বছরে ইউরিয়া সার উৎপাদনে লক্ষ্যমাত্রা অর্জন ব্যাহত হওয়া আশংকা দেখা দিয়েছে।বিসিআইসি থেকে চলতি বছর কারখানার উৎপাদনে লক্ষমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে প্রায় আড়াই লাখ টন। কারখানা গুদামে পর্যাপ্ত পরিমান সার মজুদ না থাকায় আগামী ব্যুরো মৌসুমে সার সংকটের আশংকা করছেন ডিলারগণ। 
জেলা সার সমিতির সাধারণ সম্পাদক মোঃ জালাল উদ্দিন জানান গত ৪/৫ মাস যাবত ডিলারদেরকে আমদানী ইউরিয়া সার সরবরাহ করা হয়েছে।এসব সার নিম্নমানের হওয়ায় কৃষকদের কাছে বিক্রি করতে নানান জটিলতায় পড়তে হয়েছে।আগামী ডিসেম্বর মাস থেকে বুরো মৌসুম শুরু হবে।গুদামে কারখানার উৎপাদিত সার মজুদ নেই।এখন থেকে কারখানা নিয়মিত চালু না থাকলে আগামী ব্যুরো মৌসুমে সার সংকট সৃষ্টি হতে পারে।
আশুগঞ্জ সার কারখানার মহাব্যবস্থাপক (প্রশাসন) আব্দুল্লাহ আল বাক্কী জানান গ্যাস সরবরাহ পেলেও কারখানায় নানান যান্ত্রিক জটিলতা দেখা দেয়ায় তাৎক্ষণিক উৎপাদন চালু করা সম্ভব হয়নি।ত্রুটি মেরামত করে কারখানার উৎপাদন চালু করা হয়েছে।কারখানা নিয়মিত চালু থাকলে উৎপাদনে লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করা সম্ভব এবং সার সংকটেরও সম্ভ্যবনা নেই।বর্তমানে গুদামে আমদানী করা ১৪ হাজার টন সার মজুদ রয়েছে।

 

এ জাতীয় আরও খবর

বাড়ি দখলের গুজব, যা বললেন দিলারা জামান

সংসদ কার্যকর থাকলে রাজপথে লংমার্চ গণআকাঙ্ক্ষার বিরোধী: স্বপন

জাগৃকের শর্তে ১২৭ জনের ফ্ল্যাট অনিশ্চিত

ভাইরাল হতেই প্রধানমন্ত্রীকে কটূক্তি করেন সিফাত: স্থানীয়রা

রংপুরের চার খুনের বিচার দ্রুত শেষ হবে: ত্রাণমন্ত্রী

বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর সভায় তারেক রহমান

পাত্রী না পেয়ে আত্মহত্যা, মহারাষ্ট্রে আলোচনায় ২৯ মৃত্যু

হাম-উপসর্গে আরও ৪ মৃত্যু, আক্রান্ত ৯১৭

শিবির নেতাকে থাপ্পড়, ইবিতে ছাত্রদল-শিবির উত্তেজনা

দক্ষ শ্রমিকই দেশের বড় উৎপাদনশীল সম্পদ: মাহ্দী আমিন

জাতিসংঘে ট্রাম্পের সঙ্গে বৈঠক হতে পারে প্রধানমন্ত্রীর

ইউরোপ কেন যুক্তরাষ্ট্র থেকে স্বর্ণ সরাচ্ছে?