,

খারাপ রান্নাকে সুস্বাদু করার সাতটি ম্যাজিক, হাসিতেই জয় নারী হৃদয়!

news-image

রান্না একটি শিল্প৷ কিন্তু সবসময় নিপুন হয় না শিল্পকর্ম৷ ঠিক তেমনই রাঁধুনীও সব রান্না সবসময় সুস্বাদু করতে পারেন না৷ অথবা সবসময় মনোসংযোগ ঠিক হয় না৷ তার ফলে সমস্যা হয় নানা রকম৷ বাড়িতে অতিথি আসলে শুধু রান্না নয়, ঘরে থাকে আরও অনেক কাজ৷ সেইসব কাজের মধ্যে রান্না করতে গিয়ে কখন খাবার পুড়ে যায় বা গলে যায়৷ আর আপনারও মাথায় হাত! চিন্তার কোনও কারণ নেই৷ আপনার রান্নার স্বাদ ফিরিয়ে আনার অনেক কৌশল রয়েছে৷ জেনে নিন সেগুলি কি৷ তাহলে আর কখনওই আপনাকে চিন্তা করতে হবা না রান্না নিয়ে৷

 
১) মাংসের ঝোল বেশি পাতলা হয়ে গিয়েছে? কিংবা খেতে ঠিক ভালো লাগছে না, ঝাল বেশি হয়েছে, মশলা কষানো না হওয়ায় গন্ধ আসছে কাঁচা মশলার, অথবা মশলা পুড়ে গিয়ে তেতো হয়ে গিয়েছে? আর আপনার চিন্তার কিছু নেই। কিছুটা পিয়াজ বেরেস্তা করুন৷ পিয়াজ ভাজার সময়েই মাঝে দিয়ে দিন আস্ত গরম মশলা। এবার এই ভাজা বেরেস্তা দিয়ে দিয়ে দিন আপনার বেস্বাদ রান্নায়। এবার ভালো করে নেড়ে, আঁচ কমিয়ে ঢেকে রাখুন ১৫ থেকে ২০ মিনিট। ঝোলের সমস্ত সমস্যা কমে আসবে অনেকটা৷
 
২) মাংসের ঝোলের তরকারিতে খুব বেশি নুন বা ঝাল দিয়ে ফেলেছেন? এত বেশি যে মুখেই দেওয়া যাচ্ছে না? কোনও সমস্যা নেই৷ ওই রান্নায় দিন দুধ। সঙ্গে সামান্য চিনি। তারপর ঢাকা দিয়ে অল্প আঁচে রাখুন। অতিরিক্ত নুন ও ঝাল দুটোই কমে যাবে। 
৩) গ্রিল চিকেন, শিক কাবাব বা অন্য যে কোনও কাবাব জাতীয় খাবার বানিয়েছেন শখ করে? কিন্তু খেতে খুব বাজে হয়েছে? বেশি পুড়িয়ে ফেলেছেন বা নুন-মশলা অতিরিক্ত হয়ে গিয়েছে? চিন্তার কিছু নেই, এই সমস্যারও সমাধান রয়েছে। এমন খাবারের সঙ্গে পরিবেশন করুন একটি বিশেষ রায়তা। টক দইকে চিনি, সামান্য নুন, চাট মশলা, মিহি ধনে পাতা-পুদিনা পাতা কুচি ও সরষে তেল দিয়ে ভালো করে ফেটিয়ে নিন। এই রায়তা কাবাব জাতীয় খাবারের সব ত্রুটিকে ঢেকে দিতে পারে। 
৪) আলুর চপ, পরোটা ইত্যাদি তৈরি করেছেন কিন্তু স্বাদ ভালো হয় নি? মশলা কম হয়েছে? ওপরে ছড়িয়ে দিন আপনার প্রিয় যে কোনও স্বাদের চাট মশলা। সুস্বাদু হয়ে উঠবে আপনার তেলে ভাজা। 
৫) ফ্রায়েড রাইস, পোলাও বা বিরিয়ানি বেশি নরম হয়ে গিয়েছে? গলে গিয়েছে চাল? এটাকে আবার ঝরঝরে করে তুলতে চান? ছড়ানো কোন পাত্রে খাবারটি ঢেলে ফ্যানের নিচে শুকাতে দিন। খুব ভালো করে ঠাণ্ডা হয়ে গেলে অনেকটা ঝরঝরে হয়ে আসবে,তখন ছড়ানো কড়াইতে গরম করে নিন। ব্যাস আবার তৈরি আপনার ঝরঝরে ফ্রায়েড রাইস৷ 
৬) তেলে ভাজা জাতীয় স্ন্যাক্স তৈরি করেছেন, কিন্তু স্বাদ হয়নি? অথবা রান্না খারাপ হয়ে গিয়েছে? সঙ্গে পরিবেশন করুন একটি বিশেষ সস। সম পরিমাণ মেয়নেজ ও টমেটো কেচাপ নিন। সঙ্গে যোগ করুন খানিকটা চিলি সস, গোলমরিচ গুঁড়ো, লেবুর রস ও জল। ভালো করে ফেটিয়ে নিন মিশ্রণটিকে। এই দারুণ সস দিয়ে খেলে সমস্ত বাজের খাবারও সুস্বাদু মনে হবে। 
৭) মাছের ঝোলে আঁশটে গন্ধ পাচ্ছেন? ঝোলের মধ্যে টমেটো টুকরো করে দিয়ে দিন। তারপর ভাজা জিরার গুঁড়ো ছড়িয়ে দিয়ে দিন অনেকটা ধনেপাতার কুচি। এবার ঢাকা দিয়ে রাখুন। তাহলেই দেখুন আঁশটে গন্ধ ভ্যানিশ হয়ে গিয়ে ঝোলে পাবন সুন্দর গন্ধ। সূত্র: 


হাসিতেই জয় নারী হৃদয়

চেহারা কিংবা কথাবার্তা নয় হাসি-খুশি রাখতে পারলেই মেয়ে হৃদয় জয় করতে পারবেন যেকোন পুুরুষ সঙ্গী। গৎ বাঁধা নানা ধারণা পেছনে ফেলে এটি একটি নয়া কৌশলই বটে। 
সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের কানসাস বিশ্ববিদ্যালয়ের এক গবেষণায় মিলেছে এমন তথ্য। গবেষণা বলছে, যখন দুই অপরিচিত নারী-পুরুষ প্রথমবার দেখা করেন, পুরুষটি সঙ্গিনীকে যত বেশি মজার কথা বলে হাসাতে পারবেন, তত বেশি বাড়বে পরর্বতী ডেটিংয়ের সম্ভাবনা।  
গবেষণার দায়িত্বে থাকা বিশ্ববিদ্যালয়টির কম্যুউনিকেশন স্টাডিসের সহযোগী অধ্যাপক জেফেরি হল বলেন, রসবোধ আসলে এক্ষেত্রে বুদ্ধিমত্তার পরিচয়ক হিসেবে গণ্য হয়। 
গবেষণায় দেখা যাচ্ছে, যদি, দু'জনই প্রথম সাক্ষাতের দিন প্রাণ খুলে হাসতে পারে তাহলে সম্পরকের রোম্যান্টিক পরিণতির সম্ভাবনা প্রবল। nobel___shokh_160812
জেফরি হলের মতে, যদি এমন কারোর সঙ্গে আপনার দেখা হয়, যার সঙ্গে আপনি দ্বিধাহীনভাবে হাসতে পারেন, তার অর্থ সম্ভবত এই সম্পর্কের ভবিষ্যত মজা, খুশি আর আনন্দে ভরপুর। 
রোম্যান্টিক সম্পর্কে রসবোধের ভূমিকা কতটুকু? ছেলেরা কীভাবে রসবোধকে মেয়েদের আকৃষ্ট করতে কাজে লাগায়, আর মেয়েরাও কীভাবে সেই রসবোধের প্রতি আকৃষ্ট হয়? এমন প্রশ্ন নিয়ে ৫১ জোড়া অপরিচিত কলেজ পড়ুয়াদের ওপর সমীক্ষা চালিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা।প্রতি জোড়াকে ১০ মিনিট করে আলাদা সময় কাটাতে দেওয়া হয়েছিল। 
এরপর দেখা গেছে, যৌনতা নয়, একটি ছেলে একটি মেয়েকে ওই ১০ মিনিটে যত বেশি হাসি খুশি রাখার চেষ্টা করেছে, মেয়েটি ছেলেটির প্রতি তত বেশি আকৃষ্ট হয়েছে। কিন্তু উল্টোটা দেখা যায়নি। অর্থাৎ যদি মেয়েটি ছেলেটিকে হাসানোর চেষ্টা করে সেক্ষেত্রে কিন্তু ছেলেটি মেয়েটির প্রতি আকৃষ্ট হয়নি। গবেষণায় দেখা গেছে, যদি দুজনই এক সঙ্গে হাসি-খুশি মুহূর্ত কাটায় তাহলে তাদের পরস্পরের প্রতি আকর্ষণ বাড়ে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কিছু ছেলেরা সচেতনভাবেই এই কৌশলকে কাজে লাগায়। মেয়েরা মনে করে, হাসি-খুশি ছেলেরা অনেক বেশি সামাজিক হয়। অন্যের কথাও তারা বেশি শোনে এবং গুরুত্ব দেয়। 

এ জাতীয় আরও খবর

ইউক্রেনকে স্টর্ম শ্যাডো ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির প্রযুক্তি দেবে যুক্তরাজ্য

বিএনপি সরকার ৬ মাসে সম্পূর্ণরূপে ব্যর্থ: নাহিদ ইসলাম

বাংলাদেশে বিনিয়োগে মার্কিন রাষ্ট্রদূতের প্রতি আহ্বান

মঙ্গলবার পবিত্র সিরাতুন্নবী (সা.) অনুষ্ঠান উদ্বোধন করবেন রাষ্ট্রপতি

নতুন সরকারের প্রথম ছয় মাসে অর্থনীতির কাঙ্ক্ষিত পুনরুদ্ধার হয়নি: দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য

ইবির ৪৪ শিক্ষকের বিষয়ে তদন্ত প্রতিবেদন জমা

সবাই রেডি হলে স্থানীয় নির্বাচন হবে: সিইসি

ডেঙ্গুতে আরও ৩ জনের মৃত্যু, আক্রান্ত ৯৯৪

বাণিজ্যমন্ত্রী ও ভারতীয় হাইকমিশনারের বৈঠক, যেসব বিষয়ে আলোচনা

রংপুরে ৪ হত্যাকাণ্ড নিয়ে যে তথ্য দিল ফরেনসিক বিভাগ

শিক্ষার্থীদের মিড-ডে মিলের মান নিয়ে যেন আপস না করা হয়: প্রধানমন্ত্রী

হাইকোর্টের রায়ে সন্তুষ্ট নুসরাতের মা