,

স্পার্ম ব্যাঙ্কের ভুলে জন্ম নিল মিশ্র বর্ণের শিশু : ক্ষুব্ধ সমপ্রেমী দম্পতি

news-image

চেয়েছিলেন সোনালি চুল আর নীল চোখের ফুটফুটে রাজকন্যা, কিন্তু স্পার্ম ব্যাঙ্কের ভুলে জন্ম নিল মিশ্র বর্ণের শিশু। সংস্থার বিরুদ্ধে মামলা ঠুকলেন ক্ষুব্ধ সমপ্রেমী দম্পতি। সঙ্গী আমান্ডা সিঙ্কনের (৩০) চেহারার সঙ্গে মেলে, এমন দাতার শুক্রাণু ফরমাইশ করেছিলেন আমেরিকার ওহায়ো ইউনিয়নটাউনের বাসিন্দা জেনিফার ক্র্যাম্বলেট (৩৭)। কিন্তু স্পার্ম ব্যাঙ্ক ভুল করে তাঁকে কৃষ্ণাঙ্গ পুরুষের থেকে সংগৃহীত শুক্রাণু পাঠায়। বিষয়টি সম্পর্কে বিন্দুমাত্র না জেনে স্থানীয় এক ক্লিনিকে সেই শুক্রাণুর সাহায্যে গর্ভধারণ করেন জেনিফার। পরবর্তীকালে নিজেদের ভুল জানিয়ে ক্ষমা চেয়ে অর্থ ফেরত্‍ দেয় স্পার্মব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষ।
তাঁরা জানান, ভুলবশত ৩৮০ নম্বর ভায়ালে রাখা শুক্রাণুর বদলে ওই ক্লিনিকে রাখা ৩৩০ নম্বর ভায়াল পাঠানো হয়। সেই ভায়ালে সংরক্ষিত ছিল এক আফ্রো-আমেরিকান কৃষ্ণাঙ্গের শুক্রাণু। কিন্তু তত দিনে দেরি হয়ে গিয়েছে। ভুলের কথা জানতে পেরে ক্ষোভে ফেটে পড়েন গর্ভবতী জেনিফার। গাফিলতির কারণে কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে ক্রেতা সুরক্ষা আইনে মামলা দায়ের করেন।
আদালতে জেনিফার জানিয়েছেন, ছোট থেকে শ্বেতাঙ্গ অধ্যুষিত পাড়ায় থাকার কারণে এবং সঙ্গী আমান্ডা ও তিনি নিজে ককেশীয় হওয়ার সুবাদে সাদা চামড়ার শিশুর জন্ম দেওয়ার ইচ্ছা পোষণ করতেন। কিন্তু স্পার্ম ব্যাঙ্কের উদাসীনতায় কৃষ্ণাঙ্গ আমেরিকান পুরুষের ঔরসে তাঁর গর্ভে যে সন্তান জন্ম নিয়েছে, সে মিশ্র বর্ণের। তাঁর অভিযোগ, গর্ভাবস্থায় এই ভুলের কথা জানতে পেরে প্রবল মানসিক ক্লেশের শিকার হয়েছেন। ক্রেতা সুরক্ষা আইন লঙ্ঘন করার অপরাধে তাই স্পার্ম ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে তিনি অভিযোগ জানাচ্ছেন।
আইনি ব্যবস্থা যা-ই নিন, কন্যাসন্তান পেটন-এর প্রতি স্নেহে কোনও রকম খামতি নেই জেনিফার ও আমান্ডার। তবে বছর তিনেকের মেয়ের চুল কাটা নিয়ে প্রতি মাসে তীব্র সমস্যার মুখোমুখি হতে হয় তাঁদের। জেনিফার জানিয়েছেন, তাঁদের পাড়ায় সকলেই সাদা চামড়ার বাসিন্দা। পাড়ার সেলুনে পেটনকে নিয়ে গেলে তাই নানা অসুবিধা দেখা দেয়। আবার কৃষ্ণাঙ্গ এলাকার সেলুনে নিয়ে গেলেও পেটনকে দেখে অস্বস্তিতে ভুগতে থাকেন বাসিন্দারা। জেনিফারের আশঙ্কা, বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে অস্বস্তির পারদ চড়লে আরও বড় ধরনের সমস্যায় পড়বে পেটন।
সুস্থ শিশুর জন্ম দিয়ে সুখী জেনিফার স্পার্ম ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষের উদাসীনতার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করলেও আদালত তা নাকচ করেছে। তবে তাতে দমবার পাত্রী নন জেনিফার ক্র্যাম্বলেট। তাঁর সাফ কথা, 'এর শেষ দেখে ছাড়ব।'
এদিকে এত কিছুর মাঝে উঠে এসেছে আমেরিকার বর্ণবৈষম্য সঙ্কট। সাম্প্রতিক কালে শ্বেতাঙ্গ পুলিশের হাতে পর পর কৃষ্ণাঙ্গ নাগরিকের হেনস্থা ও মৃত্যুর প্রেক্ষিতে জেনিফারের সমস্যা যে ভিন্ন মাত্রা পাচ্ছে, তা বলাই বাহুল্য।

 

এ জাতীয় আরও খবর

অফিসার্স ক্লাবের নির্মাণাধীন ভবনে সাবেক অতিরিক্ত সচিবের মরদেহ

ডেঙ্গু প্রতিরোধে তরুণদের এগিয়ে আসার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

সাংবাদিক তারিকুল ইসলামের মায়ের মৃত্যুতে মাহ্‌দী আমিনের শোক

শিশু হাসপাতালে কক্ষে ধূমপান, চিকিৎসককে বরখাস্তের নির্দেশ

কুয়েত মৈত্রী হাসপাতালে অসন্তুষ্ট প্রধানমন্ত্রী, উন্নয়নে ৭ দিনের সময়

উচ্চশিক্ষায় দক্ষ মানবসম্পদ তৈরির আহ্বান রাষ্ট্রপতির

হামের উপসর্গে আরও ৩ জনের মৃত্যু, শনাক্ত ৮৫

শিশু গৃহকর্মী নির্যাতন: বিমানের সাবেক এমডিসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র

নওগাঁয় কুড়ালের আঘাতে গণেশ প্রতিমা ভাঙচুর, আটক যুবক

পরীমণির ক্ষোভ, ‘সব দায় আপনাদের’

প্রধান তথ্য কমিশনার হলেন অধ্যাপক নাহরিন ইসলাম খান

সাড়ে ৪ ঘণ্টায় ১৩ স্থান পরিদর্শন প্রধানমন্ত্রীর