,

যে ছবিতে স্তব্ধ বিশ্ব

news-image

লাল জামা আর নীল রঙের প্যান্ট পরা বছর তিনেকের ফুটফুটে একটি শিশু। সমুদ্রের পারে উপুড় হয়ে পড়ে আছে, প্রাণহীন। তুরস্কের উপকূলে তোলা এই ছবি বিশ্বজুড়ে ব্যাপক আলোড়ন তুলেছে।
যুদ্ধবিধ্বস্ত সিরিয়া ছেড়ে নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে ইউরোপের বিভিন্ন দেশে ভিড়ছে অনেক মানুষ। তবে ইউরোপীয় ইউনিয়নের বিভক্তি সেখানেও অসহায় এসব শরণার্থীকে নানা প্রতিকূলতার মুখে ফেলেছে। যদিও এতে ইউরোপমুখী আশ্রয়প্রত্যাশীদের স্রোত থেমে নেই। এরই মধ্যে তুরস্কের উপকূলে ওই শিশুর ভেসে আসা মৃতদেহকে কেন্দ্র করে সমালোচনার ঝড় উঠেছে বিশ্বব্যাপী। বুধবার তুরস্কের প্রধান পর্যটনকেন্দ্রের সামনে সমুদ্রের পার থেকে শিশুটিকে উদ্ধার করা হয়। কে এই শিশু? সেও কি শরণার্থী? প্রাথমিকভাবে শিশুটির নাম আইলান কুর্দি বলে চিহ্নিত করা হয়।
আশঙ্কা করা হচ্ছে, বুধবার সাগরপথে গ্রিসে যাওয়ার সময় নৌকাডুবিতে যে ১২ শরণার্থীর মৃত্যু হয়েছে, আইলান সেই হতভাগ্যদের দলে। কারণ, ওই নিহতদের মধ্যে পাঁচ শিশুও আছে। এতেই নতুন করে বিতর্ক দানা বেঁধেছে। ভিটেমাটি ছেড়ে আসা বিপন্ন মানুষগুলোর জন্য কারো কিছু করার নেই? অবশ্য মানবাধিকার সংগঠনগুলো তাদের পাশে দাঁড়িয়েছে। তাদের নিরাপদ আশ্রয় দেওয়ার দাবি উঠেছে বিশ্বের সব প্রান্ত থেকেই।


বুধবার টুইটারসহ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোতে আইলানের ছবি বিদ্যুৎগতিতে ছড়িয়ে পড়ে। তুর্কি ভাষায় হ্যাশট্যাগ ‘কিয়িয়াভারুনইনসানলিক’ (হিউম্যানিটি ওয়াশড অ্যাশোর) টুইটারে বিশ্বের সবচেয়ে আলোচিত বিষয়ে পরিণত হয়। মর্মন্তুদ এ ঘটনাকে বিশ্বের খ্যাতনামা পত্রিকাগুলো গতকাল বৃহস্পতিবার প্রধান শিরোনাম করেছে। ব্রিটেনের ডেইলি মেইল লিখেছে ‘মানবিক বিপর্যয়ের খুদে শিকার’। অন্যদিকে ইতালির লা রিপাবলিকা টুইট করেছে ‘একটি ছবি বিশ্বকে স্তব্ধ করে দিয়েছে’- এই বলে। ব্রিটিশ গার্ডিয়ান প্রশ্ন তুলেছে, ‘যদি সৈকতে ভেসে আসা সিরীয় এই শিশুর মর্মান্তিক পরিণতির ছবিও আশ্রয়প্রত্যাশীদের প্রতি ইউরোপের মনোভাবে পরিবর্তন না আনে, তাহলে কী হবে?’ অবশ্য এরই মধ্যে ফ্রান্স, ইতালি ও জার্মানি যৌথভাবে আশ্রয়প্রত্যাশীদের ক্ষেত্রে ইউরোপের নীতির বিষয়টি পুনর্বিবেচনার আরজি জানিয়েছে; যাতে করে ইউরোপের মাটিতে পা রাখা আশ্রয়প্রত্যাশীদের ইইউর সদস্য ২৮ দেশের মধ্যে ‘ন্যায্যভাবে বণ্টন’ করে দেওয়া যায়।
প্রসঙ্গত, মধ্যপ্রাচ্য ও আফ্রিকা থেকে ইউরোপে আশ্রয়ের খোঁজে আসা শরণার্থীদের বেশির ভাগেরই লক্ষ্য জার্মানি। এ জন্য সাগরপথে ঝুঁকি নিয়ে গ্রিস ও ইতালিতে যাওয়ার পথই বেছে নিয়েছে তারা। জাতিসংঘের হিসাবে, এ বছর সাড়ে তিন লাখের বেশি মানুষ ইউরোপে পৌঁছেছে। সূত্র : এএফপি।

এ জাতীয় আরও খবর

অফিসার্স ক্লাবের নির্মাণাধীন ভবনে সাবেক অতিরিক্ত সচিবের মরদেহ

ডেঙ্গু প্রতিরোধে তরুণদের এগিয়ে আসার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

সাংবাদিক তারিকুল ইসলামের মায়ের মৃত্যুতে মাহ্‌দী আমিনের শোক

শিশু হাসপাতালে কক্ষে ধূমপান, চিকিৎসককে বরখাস্তের নির্দেশ

কুয়েত মৈত্রী হাসপাতালে অসন্তুষ্ট প্রধানমন্ত্রী, উন্নয়নে ৭ দিনের সময়

উচ্চশিক্ষায় দক্ষ মানবসম্পদ তৈরির আহ্বান রাষ্ট্রপতির

হামের উপসর্গে আরও ৩ জনের মৃত্যু, শনাক্ত ৮৫

শিশু গৃহকর্মী নির্যাতন: বিমানের সাবেক এমডিসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র

নওগাঁয় কুড়ালের আঘাতে গণেশ প্রতিমা ভাঙচুর, আটক যুবক

পরীমণির ক্ষোভ, ‘সব দায় আপনাদের’

প্রধান তথ্য কমিশনার হলেন অধ্যাপক নাহরিন ইসলাম খান

সাড়ে ৪ ঘণ্টায় ১৩ স্থান পরিদর্শন প্রধানমন্ত্রীর