,

টাইটানিকের শেষ লাঞ্চের মেনু কী ছিল?

news-image

১৪ই এপ্রিল, ১৯১২। ওই দিনই যে শেষ মধ্যাহ্নভোজ হবে সেটা ভাবতেই পারেননি টাইটানিকের প্রথম শ্রেণীর অন্যতম জীবিত যাত্রী আব্রাহাম লিঙ্কন সলোমন। কারণ, পরদিনই বিশ্বের বিলাসবহুল জাহাজ টাইটানিকের সলিল সমাধি হয়। মৃত্যু হয় প্রায় দেড় হাজার মানুষের। তবে, বেঁচে গিয়েছিলেন প্রথম শ্রেণীর যাত্রীদের অনেকেই। তাদেরই একজন এই সলোমন। সমপ্রতি তার কাছ থেকে টাইটানিকে ১৪ই এপ্রিলের শেষ মধ্যাহ্নভোজের একটি মেনু পাওয়া গিয়েছে। তার সঙ্গে ওই ভোজের আসরে ছিলেন আরও এক যাত্রী। তিনি আইজ্যাক জেরাল্ড ফ্রয়েন্থাল। মেনু কার্ডটির পিছনে জেরাল্ডের একটি সই-ও রয়েছে। কী ছিল মেনুতে? প্রথম শ্রেণীর যাত্রীদের জন্য ওই দিন রান্না করা হয়েছিল গ্রিলড মাটন চপ, পুডিং, স্যামন মেয়োনিজ, ফ্রায়েড অ্যান্ড বেকড পটেটো, কর্নড বিফ এবং চিকেনের বেশ কয়েকটি পদ। মেনুতে দিনটিরও উল্লেখ রয়েছে। আগামী ৩০শে সেপ্টেম্বর ওই মেনু কার্ডের নিলাম হবে অনলাইনে। একই সঙ্গে ওই দিন নিলাম হবে টাইটানিকের এক যাত্রীর চিঠি এবং ওজন যন্ত্রের একটি টিকিট। টাইটানিক ডুবে বহু যাত্রী প্রাণ হারানোর পর একটি বিতর্কিত খবর সামনে আসে। বিত্তবান যাত্রীরা জাহাজের কর্মীদের ঘুষ দিয়ে লাইফবোটে  সংগ্রহ করে নিজেদের প্রাণ বাঁচিয়েছিলেন। তাদের মধ্যেই কী ছিলেন এই সলোমন? তা নিয়ে অবশ্য কোন স্পষ্ট সূত্র পাওয়া যায়নি। সূত্র: আনন্দবাজার পত্রিকা

এ জাতীয় আরও খবর

অফিসার্স ক্লাবের নির্মাণাধীন ভবনে সাবেক অতিরিক্ত সচিবের মরদেহ

ডেঙ্গু প্রতিরোধে তরুণদের এগিয়ে আসার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

সাংবাদিক তারিকুল ইসলামের মায়ের মৃত্যুতে মাহ্‌দী আমিনের শোক

শিশু হাসপাতালে কক্ষে ধূমপান, চিকিৎসককে বরখাস্তের নির্দেশ

কুয়েত মৈত্রী হাসপাতালে অসন্তুষ্ট প্রধানমন্ত্রী, উন্নয়নে ৭ দিনের সময়

উচ্চশিক্ষায় দক্ষ মানবসম্পদ তৈরির আহ্বান রাষ্ট্রপতির

হামের উপসর্গে আরও ৩ জনের মৃত্যু, শনাক্ত ৮৫

শিশু গৃহকর্মী নির্যাতন: বিমানের সাবেক এমডিসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র

নওগাঁয় কুড়ালের আঘাতে গণেশ প্রতিমা ভাঙচুর, আটক যুবক

পরীমণির ক্ষোভ, ‘সব দায় আপনাদের’

প্রধান তথ্য কমিশনার হলেন অধ্যাপক নাহরিন ইসলাম খান

সাড়ে ৪ ঘণ্টায় ১৩ স্থান পরিদর্শন প্রধানমন্ত্রীর