বৃহস্পতিবার, ২৩শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ ৮ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কাবার পথে আল্লাহর মেহমানের সফর

news-image

হজযাত্রীদের বলা হয় 'দুয়ুফুর রাহমান' বা রহমানের মেহমান। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, 'আল্লাহর রাস্তায় জিহাদে অংশগ্রহণকারী, হজযাত্রী ও ওমরাহ আদায়কারী হলো আল্লাহর প্রতিনিধিবর্গ। মহান আল্লাহ তাঁদের আহ্বান করেছেন আর তাঁরা সে আহ্বানে সাড়া দিয়েছেন। তাঁরা আল্লাহ তাআলার কাছে প্রার্থনা করেছেন আর আল্লাহ তাঁদের প্রর্থনা মঞ্জুর করেছেন।' (সুনানে ইবনে মাজাহ)

সুতরাং যাঁরা হজ আদায়ের সুযোগ পান, তাঁরা যে বিশেষ সৌভাগ্যবান তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না। পবিত্র কোরআনের ভাষ্যমতে, আশহুরে হজ বা হজের মাসগুলোর প্রথম মাস শাওয়াল হলেও মূলত জিলকদ মাস থেকেই সারা পৃথিবীর হজযাত্রীরা বায়তুল্লাহ শরিফ অভিমুখে যাত্রা শুরু করেন। এ বছর বাংলাদেশের হজযাত্রীদের নিয়ে প্রথম হজফ্লাইট ১৬ আগস্ট সকাল ৮টা ৩৫ মিনিটে হজরত শাহ জালাল (রহ.) আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে উড়াল দেবে জেদ্দার উদ্দেশে।images

পর্যায়ক্রমিক আনুষ্ঠানিকতা শেষে এবার ৯৭ হাজার ১৯০ জন বাংলাদেশি চূড়ান্তভাবে হজ আদায়ের সুযোগ লাভ করছেন। আর বিভিন্ন কারণে পুলিশি ছাড়পত্র না পাওয়ায় ৬৯৭ জন হজ আদায়ের মহান সুযোগ থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। ইতিমধ্যেই হজযাত্রীরা সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছেন বলে আমাদের বিশ্বাস। যাত্রার প্রাক্কালে চূড়ান্ত প্রস্তুতির গুরুত্বপূর্ণ দিকগুলো পরখ করে নেওয়া অত্যন্ত জরুরি। কারণ জীবনে দ্বিতীয়বার এ মহান সুযোগ আর না-ও আসতে পারে। তাই কোনো কারণে যেন হজ নষ্ট হয়ে না যায়, সে লক্ষ্যেই চূড়ান্ত প্রস্তুতি নিতে হবে।

আত্মিক প্রস্তুতি : আত্মিক প্রস্তুতি বলতে আমরা নিয়তের বিশুদ্ধতার কথা বলতে চেয়েছি। যেকোনো ইবাদতের ক্ষেত্রে বিশুদ্ধ নিয়ত তার গ্রহণযোগ্যতার প্রথম শর্ত। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, 'নিশ্চয়ই প্রতিটি আমলের সওয়াব নিয়তের বিশুদ্ধতার ভিত্তিতে নির্ধারিত হয়।' (বুখারি)

হজের ক্ষেত্রে নিয়তের বিশুদ্ধতা বিশেষভাবে প্রয়োজনীয়। রাসুলুল্লাহ (সা.) বিদায় হজের সময় দোয়া করেছেন, 'হে আল্লাহ, এমন হজের তাওফিক দাও, যা হবে রিয়া ও সুনাম কুড়ানোর মানসিকতামুক্ত।' (ইবনে মাজাহ) রিয়া বা লোক দেখানোর উদ্দেশ্যে কোনো ইবাদত করা শিরকতুল্য। একবার রাসুলুল্লাহ (সা.) সাহাবায়ে কেরামকে উদ্দেশ করে বললেন, 'আমি তোমাদের ব্যাপারে ছোট শিরকের ভয় করছি।' সাহাবিরা জিজ্ঞাসা করলেন, 'ছোট শিরক কী?' রাসুলুল্লাহ (সা.) বললেন, 'তা হলো রিয়া বা লোক দেখানো ইবাদত। যেদিন আল্লাহ বান্দাদের আমলের পুরস্কার প্রদান করবেন, সেদিন রিয়াকারীদের বলবেন, যাও দুনিয়াতে যাদের দেখানোর জন্য আমল করতে, তাদের কাছে যাও। দেখো তাদের কাছ থেকে কোনো পুরস্কার পাও কি না।' (মুসনাদে আহমাদ)

হজ মূলত হজরত ইবরাহিম (আ.), হজরত ইসমাইল (আ.) ও হজরত হাজেরা (রা.) আল্লাহর জমিনে আল্লাহর দীন প্রতিষ্ঠার জন্য নিজেদের সর্বস্ব উজাড় করে দেওয়ার যে বলিষ্ঠ নিদর্শন স্থাপন করে গেছেন, সে স্মৃতিগুলোর নৈতিক অনুশীলনের আন্তরিক অভিব্যক্তি। তাই হজ আদায়ে আন্তরিকভাবে আল্লাহর জমিনে আল্লাহর দীন প্রতিষ্ঠায় ত্যাগের মহতী শিক্ষাটাই সব থেকে গুরুত্বপূর্ণ। হজের বহ্যিক আনুষ্ঠানিকতা পালনের মধ্য দিয়ে হাজিরা হজরত ইবরাহিম (আ.), হজরত ইসমাইল (আ.) ও হজরত হাজেরা (রা.)-এর প্রেরণা লাভ করতে পারলে হজের আত্মিক শিক্ষাটা পরিপূর্ণতা পাবে বলে আমাদের বিশ্বাস। অন্যথায় ব্যর্থতাই সঙ্গী হবে, তাতে সন্দেহ নেই।

মানসিক প্রস্তুতি : হজের সফরটা দীর্ঘ প্রায় চল্লিশ দিনের সফর। সফরে বিভিন্ন ধরনের প্রতিকূলতার সম্মুখীন হতে হয়। যেমন- প্রতিকূল আবহাওয়া, পরিবেশ, খাদ্য। সার্বিক প্রতিকূলতার মধ্য দিয়েই হজের আহকাম পালন করতে হয়। মানসিকভাবে পুরোপুরি প্রস্তুতি না থাকলে হজের কার্যক্রম সুচারুরূপে আদায় করা কষ্টসাধ্য হয়ে পড়ে। তাই প্রতিকূল পরিস্থিতিতে স্বাভাবিক থেকে যথাযথভাবে হজের যাবতীয় বিধান সম্পন্ন করার মানসিক প্রস্তুতি গ্রহণ করতে হবে।

শারীরিক প্রস্তুতি : হজের আহকাম পালন করা বেশ কষ্টসাধ্য বিষয়। বাইতুল্লাহর তওয়াফ, সাফা-মারওয়ায় সাঈ করা, আরাফায় অবস্থান, আরাফা থেকে মুজদালিফায় গমন, জামরাতে পাথর নিক্ষেপ ইত্যাদি খুব কষ্টকর। তাই শারীরিকভাবে সুস্থ না থাকলে হজের আহকাম সঠিকভাবে আদায় করা সম্ভব নয়। সে জন্য এখন থেকে খুব সাবধানে সুস্থতা ধরে রাখার চেষ্টা করা দরকার। প্রয়োজনে ডাক্তারের পরামর্শ গ্রহণ করা- কিভাবে সফরকালীন দিনগুলোতে সুস্থ ও স্বাভাবিক থেকে যথাযথভাবে হজ সম্পন্ন করা যায়। কোনো প্রকার অসুস্থতা বা দুর্বলতা থাকলে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ও পরিচর্যার মাধ্যমে দ্রুত সেরে ওঠা ও পূর্ণ শারীরিক সুস্থতা নিয়ে হজযাত্রা শুরু করা আবশ্যক। শারীরিক সক্ষমতা ও সুস্থতা হজ ফরজ হওয়ার জন্য শর্তও বটে। মহান আল্লাহ ইরশাদ করেছেন, 'সেখানে (বাইতুল্লাহতে) রয়েছে (আল্লাহর) সুস্পষ্ট নিদর্শনাবলি, রয়েছে (ইবাদতের জন্য) মাকামে ইবরাহিম। আর যে ব্যক্তি সেখানে প্রবেশ করবে, সে নিশ্চিত নিরাপত্তা লাভ করবে। আর মানুষের মধ্য থেকে যে বাইতুল্লাহতে যেতে সক্ষম, তার ওপর আল্লাহর উদ্দেশে হজ আদায় করা অপরিহার্য। আর এটা যে অস্বীকার করবে, তবে নিশ্চয়ই আল্লাহ সৃষ্টিকুলের মোটেও মুখাপেক্ষী নন।' (সুরা আলে ইমরান : ৯৭) আয়াতে উল্লিখিত সক্ষমতা বলতে শরীরিক সক্ষমতা ও সুস্থতাকে বোঝানো হয়েছে বলে মুহাদ্দিসিনে কেরামের অভিমত।

তওবা : গুনাহ বা পাপ মানবজীবনের অংশ। শয়তানের প্রতারণা, নফসের প্রবঞ্চনা আর পার্থিব মোহে মানুষের মাধ্যমে পাপকাজ সংঘটিত হবে- এটাই স্বাভাবিক। জ্ঞাতসারে বা অজ্ঞাতে কোনো গুনাহর কাজ ঘটে যাওয়ার পর তওবা করে নিজেকে শুধরে নেওয়াটা মুমিনের বৈশিষ্ট্য। হজরত আনাস (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, 'প্রতিটি আদম সন্তানই পাপকারী। আর পাপকারীদের মধ্যে উত্তম হলো তওবাকারী।' (তিরমিজি-ইবনে মাজাহ) হজের উদ্দেশ্য যতটা না বাহ্যিক ইবাদত, তার চেয়ে বেশি হলো আত্মিক পরিশুদ্ধি। তাই অতীত জীবনের সব পাপের জন্য অনুশোচনা, অনুতাপ আর দৃঢ়প্রত্যয় নিয়ে মহান আল্লাহর দরবারে তওবা করে পরিশুদ্ধ অন্তর নিয়েই হজের সফর শুরু করা উচিত।

হক আদায় : দুটি হক সঙ্গে নিয়ে মানুষকে জীবন ধারণ করতে হয়। এই হককে উপেক্ষা করার কোনো সুযোগ মানবজীবনে নেই। দুটি হকের একটি হাককুল্লাহ বা আল্লাহর হক। আর দ্বিতীয়টি হাককুল ইবাদ বা বান্দার হক। নামাজ, রোজাসহ ইবাদত সম্পর্কিত হক তথা ফরজ ইবাদত আদায় না করার কারণে অতীতে যে গুনাহ হয়েছে, সে জন্য মহান আল্লাহর কাছে তওবা করতে হবে এবং ক্ষমা ও সাহায্য প্রার্থনা করতে হবে। মহান আল্লাহ তওবাকারীকে ক্ষমার প্রতিশ্রুতি দিয়ে ইরশাদ করেছেন, আমার যেসব বান্দা (পাপের কারণে) নিজেদের ওপর সম্পূর্ণ নিরাশ হয়ে গেছে, আপনি তাদের বলে দিন, 'তোমরা আল্লাহর রহমত থেকে নিরাশ হয়ো না, নিশ্চয়ই আল্লাহ সব পাপ মার্জনা করবেন। নিশ্চয়ই তিনি পরম ক্ষমাশীল, অসীম দয়ালু।' (সুরা জুমার : ৫৩)

আর বান্দার হকসংক্রান্ত কোনো দায় কাঁধে থেকে থাকলে অবশ্যই সে দায় থেকে মুক্ত হয়ে হজের সফর শুরু করা দরকার। যেমন- কারো সম্পদ বা সম্মানহানি করে থাকলে অথবা কারো ওপর জুলুম-নির্যাতন করে থাকলে তার থেকে ক্ষমা চেয়ে নিতে হবে। আর আর্থিক ঋণ বা দায়, সেটি পরিশোধ করেই মুক্ত হতে হবে। যদি হজের সফর শুরু করার আগে বাস্তবসম্মত কোনো কারণে পরিশোধ করা সম্ভব না হয়, তাহলে তার কাছ থেকে ক্ষমা ও অনুমতি নিয়ে সফর শুরু করতে হবে। আর যেহেতু হজের সফর দীর্ঘ দূরত্বের ও অনেক দিনের এবং মৃত্যু অনিশ্চিত, তাই সফরে যাওয়ার আগে ঋণ ও লেনদেনসংক্রান্ত ওসিয়তনামা লিখে রেখে যাওয়া বাঞ্ছনীয়। যাতে সফরে মৃত্যু হয়ে গেলে ওয়ারিশরা তাঁর ঋণ আদায়ের ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারেন। মনে রাখতে হবে, যত ছোটই হোক, কোনো হাককুল ইবাদ নষ্টকারীকে আল্লাহ ক্ষমা করবেন না। হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আমর ইবনুল আস (রা.) বর্ণনা করেছেন, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, 'শহীদের সব গুনাহই ক্ষমা করে দেওয়া হয়; কিন্তু তার ঋণ মাফ করা হয় না (কারণ সেটা হাককুল ইবাদ)।' (মুসলিম) অতএব শহীদকে যদি আল্লাহ তাআলা হাক্কুল ইবাদ ক্ষমা না করেন, তাহলে আর কাকে?

জ্ঞান অর্জন : হজ হলো নির্দিষ্ট সময়ে, নির্ধারিত স্থানগুলোতে বিশেষ পদ্ধতিতে জেয়ারত করা, নির্দিষ্ট দোয়া পাঠ করা ইত্যাদির সমষ্টি। তাই নির্দিষ্ট স্থানগুলো সম্পর্কে এবং কোন স্থানে কোন সময় উপস্থিত হতে হবে, সে সময় সম্পর্কে এবং উপস্থিতির ভঙ্গিমাটা কেমন হবে সে সম্পর্কে জ্ঞান অর্জন করা যথাযথভাবে হজ আদায়ের জন্য সবচেয়ে জরুরি বিষয়। আর তালবিয়া, প্রয়োজনীয় দোয়া এবং পবিত্র কোরআনের অন্তত প্রয়োজনীয়সংখ্যক সুরা বিশুদ্ধভাবে তেলাওয়াত করতে পারা এবং হজসংক্রান্ত মাসলা-মাসায়েল জানা বিশেষ জরুরি।

প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র সঙ্গে নেওয়া : হজের সফরে প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র ও দ্রব্যাদি সঙ্গে নেওয়া সবচেয়ে জরুরি। হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রা.) বর্ণনা করেছেন, 'ইয়েমেনের অধিবাসীরা হজ করত; কিন্তু তারা কোনো প্রয়োজনীয় সামগ্রী সঙ্গে নিয়ে আসত না। মক্কায় আসার পর তারা মানুষের কাছে জাঞ্চা করত। তাদের এ অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে মহান আল্লাহ আয়াত নাজিল করেন, 'হজের মাসগুলো সুপরিজ্ঞাত। সুতরাং এ সময়ের মধ্যে যে ব্যক্তি হজ আদায় করতে মনস্থ করবে, সে হজ পালনকালে কোনো যৌনতা, অশ্লীলতা ও গালিগালাজ করবে না। আর তোমরা যেসব ভালো কাজ করো, সে সম্পর্কে আল্লাহ ভালো জানেন। আর তোমরা হজের জন্য প্রয়োজনীয় পাথেয় সঙ্গে করে নেবে, সর্বোত্তম পাথেয় হলো তাকওয়া। আর হে বুদ্ধিমানরা, তোমরা আমাকেই ভয় করো।' (সুরা বাকারা : ১৯৭)

প্রয়োজনীয় পরিমাণ অর্থকড়ি সঙ্গে নিতে হবে : হজের সফরে বের হওয়ার সময় প্রয়োজনমতো টাকা সঙ্গে নিয়ে যেতে হবে। তা ২০ থেকে ৩০ হাজার বা এর চেয়েও বেশি হলে ভালো। আর হজের জন্য ব্যয়ের সমুদয় অর্থই হতে হবে হালাল উপার্জনের। সামান্য পরিমাণ হারামও যদি হজব্যয়ের সঙ্গে যুক্ত হয়, তাহলে সে হজ মহান আল্লাহ কবুল করবেন না। হজরত আবু হুরায়রা (রা.) বর্ণনা করেছেন, "যখন কেউ কোনো অবৈধ উপার্জন দিয়ে হজ আদায়ের জন্য বের হয় এবং লাব্বাইক আল্লাহুম্মা লাব্বাইক বলতে শুরু করে, তখন আসমান থেকে একজন ঘোষক ঘোষণা করেন- 'তোমার লাব্বাইক গ্রহণযোগ্য নয়। তোমার জন্য কোনো সৌভাগ্য নেই। তোমার পাথেয় হারাম, তোমার খাবার হারাম, আর তোমার হজ মাবরুর হজ নয়'।"

অর্থকড়ি ছাড়াও প্রয়োজনীয় (ক) পোশাক যেমন- কমপক্ষে দুই সেট ইহরামের কাপড়, দুই সেট পাঞ্জাবি-পাজামা, দুটি লুঙ্গি, দুটি টুপি, দুটি গেঞ্জি, একটি তোয়ালে, দুটি গামছা, দুই জোড়া স্পঞ্জের স্যান্ডেল; (খ) কিছু শুকনা খাবার যেমন- চিঁড়া, গুড়, বিস্কুট; (গ) প্রয়োজনীয় প্রাথমিক চিকিৎসাসামগ্রী যেমন- মাথাব্যথা, বমি, পাতলা পায়খানার ওষুধ, কিছু খাবার স্যালাইন ও ডায়াবেটিস, ব্লাডপ্রেশার, হাইপার-টেনশন ইত্যাদি রোগ থাকলে তার ওষুধ; (ঘ) মহিলাদের জন্য স্যানেটারি ন্যাপকিন ও অতিরিক্ত জামাকাপড় অবশ্যই সঙ্গে নিতে হবে। হজযাত্রীদের সঙ্গে প্রয়োজনীয় দোয়া ও হজের মাসায়েলের বইসহ এক জিলদ কোরআন মাজিদ থাকাও বাঞ্ছনীয়।

আর মাত্র দুদিন পর সম্মানিত হজযাত্রীরা যাত্রা শুরু করবেন। সর্বিক প্রস্তুতি সম্পন্নের পর প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র সঙ্গে নিয়ে যাবেন। চূড়ান্ত প্রস্তুতিটা পরখ করে নেবেন, যাতে মহতী সফরটা সার্থক হয়। মাবরুর বা মকবুল হজ সম্পন্ন করে তারা দেশে ফিরে আসতে পারেন, সেটাই আমাদের কামনা। মহান আল্লাহর বাণী- 'ফাইন্না খাইরা জাদিত-তাকওয়া'- নিশ্চয়ই তাকওয়া হলো সর্বোত্তম পাথেয়। সে অনুযায়ী সব হজযাত্রীর আসল পাথেয় হোক তাকওয়া বা আল্লাহর ভয়।

 

এ জাতীয় আরও খবর

বিক্ষোভে গিয়ে আটক ‘ধুরন্ধর’ অভিনেত্রী আয়েশা খান

আন্দোলনে কাঁপছে দিল্লি, চাপের মুখে মোদি

তফসিল আগস্টে, প্রথম ধাপের ভোট অক্টোবরে : ইসি আনোয়ারুল

১২৮ দলের বিশ্বকাপও হতে পারে ভবিষ্যতে

নিট আন্দোলন: আলোচনার উদ্যোগ সরকারকেই নিতে হবে বলল সিজেপি

তাসনিম জারার তদন্তের দাবি, এমপি গাজী নজরুলের ভিডিও নিয়ে বিতর্ক

২০২৭ সালের হজে বেসরকারি ৩ প্যাকেজ, খরচ কত

টেক্সটাইল খাতের সমস্যা সমাধানে কমিটি গঠন

একনেকে ১৪ হাজার কোটি টাকার ৮ প্রকল্প অনুমোদন

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বিদায়ী নৌপ্রধানের সাক্ষাৎ

শিক্ষার্থী বিক্ষোভে উত্তাল ভারত, রাহুলের পাঁচ দাবি

আহমদ ছফার দেহাবশেষ স্থানান্তর হলো বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে