,

আনন্দে ভাসছে দেশ

news-image

সংযমের মাস হলেও ভারতের বিপক্ষে সিরিজ জয়ের আনন্দ যেন ভেঙে দিয়েছে সব বাঁধ। দেশজুড়ে তাই খুশির মিছিল, উৎসবের আবহ।
২০০৭ সালের বিশ্বকাপে ভারতের বিপক্ষে জয়ের পর দেশজুড়ে জেগেছিল খুশির ঢেউ। পাড়া-মহল্লা থেকে বেরিয়েছিল আনন্দ মিছিল, টিএসসি চত্বর মধ্যরাতেও পরিণত হয়েছিল লাল-সবুজের সমুদ্রে। গতকালও এর ব্যতিক্রম হয়নি। তবে এবারের ঢেউয়ের উত্স সুদূর ক্যারিবিয়ান নয়, বরং মিরপুরের হোম অব ক্রিকেট। এমনিতে দিবা-রাত্রির খেলা শেষ হতে হতে ফাঁকা হয়ে পড়ে গ্যালারি, বাড়ি যাদের দূরে তাদের অনেকেই ধরে ফিরতি পথ। কিন্তু কাল বিজয়-মুহূর্ত পর্যন্ত গ্যালারির বেশির ভাগটাই ছিল ভরা। থেকে থেকে শোনা যাচ্ছিল আনন্দের হর্ষধ্বনি, উল্লাসের সুতীব্র চিত্কার; যার একটাই সুর- 'মওকা মওকা'। ২০১৫ বিশ্বকাপ ক্রিকেটের সময় একটি টেলিভিশন চ্যানেলে প্রচার করা এই বিজ্ঞাপনচিত্রটি নিয়ে আলোচনা-সমালোচনা হয়েছে চায়ের দোকান থেকে শুরু করে পরাবাস্তবতার জগতে। খেলাধুলায় প্রতিশোধের ব্যাপারটা না থাকলেও 'মওকা' বুঝে সেই 'মওকা মওকা'র জবাবটা যেন মাঠেই ফিরিয়ে দিল বাংলাদেশের দর্শকরা। ম্যাচ শেষে পুরস্কার নিতে যখন একে একে নাসির হোসেন, সাকিব আল হাসান ও মুস্তাফিজুর রহমানরা আসছিলেন, তখনো উল্লাসে উল্লাসে ফেটে পড়ে গ্যালারি। বাঘের রং গায়ে মাখা শোয়েব আলী আর মিলনের সুতীব্র চিৎকারে 'বাংলাদেশ বাংলাদেশ' শব্দটাকে শোনায় মধুরতম সংগীতের মতোই! তাদের হাতে ধরা জাতীয় পতাকাটা যেন আবারও দোলা দিয়ে যায় দেশাত্মবোধের চেতনাকে।
বাংলাদেশ দলের খেলোয়াড়রা বাসে করে বের হতে হতে বেজে যায় রাত সাড়ে ১২টা। খেলোয়াড়দের অভিবাদন জানাতে শেরে বাংলা স্টেডিয়ামের প্রধান ফটকের বাইরে তখনো ক্রিকেট অনুরাগীদের ভিড়। 'শাবাশ বাংলাদেশ, বাংলাদেশ' ধ্বনিতে তারা রাতের নীরবতাকে খানখান করে ভেঙে দিচ্ছিল মুহূর্তে মুহূর্তে। এ ছাড়া বেরিয়ে পড়ে বাইসাইকেলচালকদের কয়েকটি গ্রুপ। বাংলাদেশের জার্সি গায়ে, বাংলাদেশের পতাকা পিঠে বা মাথায় বেঁধে, সাইকেলের বেল বাজিয়ে আর হর্ষধ্বনিতে আনন্দ-উল্লাসে তারা শহর প্রদক্ষিণ করে। মোটরসাইকেল শোভাযাত্রায়ও চলে আনন্দ উদ্‌যাপন। শহরজুড়ে এক আনন্দের ঢেউয়ে মাতোয়ারা সবাই। শুধু রাজধানী ঢাকা নয়, গোটা বাংলাদেশজুড়েই চলেছে এই 'মওকা মওকা' উত্সব। সিলেটেও মোটরসাইকেল ও বাইসাইকেল শোভাযাত্রা হয়েছে, উল্লাসের ভাষা একটাই, 'মওকা মওকা'। এই দুটি শব্দে যেন ভারতীয় গণমাধ্যমে বাংলাদেশকে খাটো করে দেখারই প্রতু্যত্তর! সাতক্ষীরায় উৎসবের রংটা তো আরো গাঢ়। ম্যাচসেরা ও ইতিহাস গড়া মুস্তাফিজ যে সাতক্ষীরারই সন্তান। 
তাইতো সাতক্ষীরার ছেলে মুস্তাফিজুর রহমানকে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক ভক্ত মন্তব্য করেছেন, ক্রিকেটপ্রেমীর সুন্দরবনের খুব কাছের জেলা সাতক্ষীরা। বনঘেঁষা এই জেলার বেশ কিছু লোকালয়ে মাঝেমাধ্যেই ঢুকে পড়ে বাঘ। এ রকম একটা বাঘই হয়তো মানুষের বেশ ধরে চলে এসেছে ক্রিকেট দলে!

এ জাতীয় আরও খবর

ইউক্রেনকে স্টর্ম শ্যাডো ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির প্রযুক্তি দেবে যুক্তরাজ্য

বিএনপি সরকার ৬ মাসে সম্পূর্ণরূপে ব্যর্থ: নাহিদ ইসলাম

বাংলাদেশে বিনিয়োগে মার্কিন রাষ্ট্রদূতের প্রতি আহ্বান

মঙ্গলবার পবিত্র সিরাতুন্নবী (সা.) অনুষ্ঠান উদ্বোধন করবেন রাষ্ট্রপতি

নতুন সরকারের প্রথম ছয় মাসে অর্থনীতির কাঙ্ক্ষিত পুনরুদ্ধার হয়নি: দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য

ইবির ৪৪ শিক্ষকের বিষয়ে তদন্ত প্রতিবেদন জমা

সবাই রেডি হলে স্থানীয় নির্বাচন হবে: সিইসি

ডেঙ্গুতে আরও ৩ জনের মৃত্যু, আক্রান্ত ৯৯৪

বাণিজ্যমন্ত্রী ও ভারতীয় হাইকমিশনারের বৈঠক, যেসব বিষয়ে আলোচনা

রংপুরে ৪ হত্যাকাণ্ড নিয়ে যে তথ্য দিল ফরেনসিক বিভাগ

শিক্ষার্থীদের মিড-ডে মিলের মান নিয়ে যেন আপস না করা হয়: প্রধানমন্ত্রী

হাইকোর্টের রায়ে সন্তুষ্ট নুসরাতের মা