বৃহস্পতিবার, ৩০শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ ১৫ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

২০০ কোটি টাকা এক বছরে গচ্ছা দিয়েছে বিমান

news-image

বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স গত অর্থবছরে (২০১৩-১৪) ২০০ কোটি টাকা লোকসান দিয়েছে বলে জাতীয় সংসদে প্রশ্লোত্তর পর্বে সংসদকে জানিয়েছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী রাশেদ খান মেনন। শনিবার ঝিনাইদহ-২ আসনের সংসদ সদস্য তাহজীব আলম সিদ্দিকীর টেবিলে উত্থাপিত এক প্রশ্নের উত্তরে মন্ত্রী সংসদকে এ তথ্য জানান। মন্ত্রী জানান, ২০১৩-১৪ অর্থবছরে বিমানের ১৯৮ কোটি ৮০ লাখ ৫৩ হাজার ৪৯ টাকা লোকসান হয়েছে। বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স লিমিটেড ২০০৭ সালের মার্চ মাস থেকে দেশ ও বিদেশের সব অফিস থেকে আন্তর্জাতিক গন্তব্যের জন্য ইলেকট্রনিক টিকেট (ই-টিকেট) কার্যক্রম শুরু করে – বলেও জানান মমতাজ বেগমের অপর এক প্রশ্নের উত্তরে মন্ত্রী।
তিনি বলেন, বিমানে সব আন্তর্জাতিক যাত্রী দেশে থেকে বিদেশ ও বিদেশে থেকে দেশের অভ্যন্তরে সব গন্তব্যের জন্য ইলেকট্রনিক টিকেট ও চেক-ইনের মাধ্যমে সেবা গ্রহণের সুযোগ পান।’
রাশেদ খান মেনন বলেন, ২০১৩ সাল থেকে হজযাত্রীদের জন্যও ইলেকট্রনিক টিকেট চালু করা হয়। দেশের অভ্যন্তরীণ যাত্রীর জন্য ইলেকট্রনিক টিকেট ইস্যু কার্যক্রম ২০১৪ সালের এপ্রিল থেকে চালু হয়। এ ছাড়াও সিট রিজারভেশন ও টিকেট ক্রয়ের জন্য অনলাইন সিস্টেম আগস্ট ২০১০ থেকে চালু রয়েছে। ফলে যাত্রীরা বিশ্বের যে কোনো প্রান্ত থেকে ঘরে বসে বিমানের ওয়েবসাইটের মাধ্যমে টিকেট বুকিং ও ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমে টিকেটের মূল্য পরিশোধ করতে পারেন। বিমানমন্ত্রী বলেন, ‘২০১৩ সালের ফেব্রুয়ারি থেকে ইন্টারনেট বুকিং কার্যক্রম আরো আধুনিকভাবে চালু করা হয়েছে। উপরন্তু ২০১৪ সালের ডিসেম্বর থেকে পরিপূর্ণভাবে টিএপি (ট্রাভেল এজেন্সি পোর্টাল) পদ্ধতি চালু হওয়ায় এজেন্টরা ইন্টারনেটের মাধ্যমে বুকিং ও টিকেট করার সুযোগ পাচ্ছে।’ মন্ত্রী বলেন, ‘২০১৪ সালের সেপ্টেম্বর থেকে রেভিনিউ ইন্টিগ্রিটি (আরআই) ও রেভিনিউ ম্যানেজমেন্ট (আরএম) চালুর ফলে যাত্রী সাধারণের সেবার মান বৃদ্ধি এবং চাহিদা মতো টিকেটের সরবরাহ নিশ্চিত করা হয়েছে।’ রাশেদ খান মেনন বলেন, ‘যাত্রীদের সেবার মান উন্নতিকল্পে বিমানের চেক-ইন ব্যবস্থায় অত্যাধুনিক ‘সফটওয়্যার’ প্রবর্তন করার ফলে উন্নত যাত্রীসেবা নিশ্চিত হয়েছে। এই ব্যবস্থা প্রবর্তনের ফলে যে সমস্ত যাত্রী ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম/সিলেট স্টেশন হয়ে বিদেশ ভ্রমণ করবেন তাদের ট্রানজিট, বোর্ডিং কার্ড মূল স্টেশন থেকে সরবরাহ করা হচ্ছে।’
‘২০১৫ সালে হজযাত্রীদের জন্য ফিরতি বোর্ডিং কার্ড এবং মক্কা ও মদিনায় হজযাত্রীদের হোটেল থেকে তাদের ব্যাগেজ সংগ্রহপূর্বক জেদ্দা এয়ারপোর্টে পৌঁছানোর ব্যবস্থা করা হয়েছে।’ বলেও সংসদকে জানান মন্ত্রী।

এ জাতীয় আরও খবর

বিশ্বের ‘মোমো রাজধানী’ কোন শহর?

সমতার ভিত্তিতে সম্পর্ক এগিয়ে নিতে সম্মত ঢাকা-দিল্লি : পররাষ্ট্রমন্ত্রী

পুরুষের ৫টি গোপন রহস্য জেনে নিন

সহকারী পরিচালকের ‘অদ্ভুত’ আচরণ, ভয়াল স্মৃতি কাজলের

বিএনপি সন্ত্রাসনির্ভর রাজনীতির দিকে যাচ্ছে : নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

সাগরপথে ইতালি ও গ্রীসে যাওয়ার শীর্ষে বাংলাদেশ

এই সরকার স্বৈরাচারের পথেই হাঁটছে : নাহিদ ইসলাম

ইরানের ডজনের বেশি প্রতিষ্ঠান-ট্যাংকারের ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞা

অধিনায়কত্ব হারালেন মিরাজ, দায়িত্ব বাড়ল লিটনের

কারিনার নতুন লুকে মুগ্ধ ভক্তরা, স্কার্ফ নিয়ে আলোচনা

যশোরে গ্রেপ্তার ডেভিড ইমনকে চট্টগ্রামে আনা হচ্ছে

চট্টগ্রামে বিএনপি-এনসিপি মুখোমুখি, বাড়ছে উত্তেজনা