বৃহস্পতিবার, ৩০শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ ১৫ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বাজেটের দুই-তৃতীয়াংশই রাজস্ব খাত থেকে আদায়ের লক্ষ্য

news-image

২ লাখ ৯৫ হাজার কোটি টাকার বাজেটের দুই-তৃতীয়াংশই রাজস্ব খাত থেকে আদায়ের লক্ষ্য ঠিক করেছেন অর্থমন্ত্রী মুহিত। বৃহস্পতিবার দুপুরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে সংসদের কেবিনেট কক্ষে মন্ত্রিসভার বিশেষ বৈঠকে অনুমোদনের পর বাজেট বিলে সই করেন রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ।

এপর বিকেল সাড়ে তিনটায় জাতীয় সংসদে প্রস্তাবিত বাজেট পেশ করতে শুরু করেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিত। অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা ৭ দশমিক ১ শতাংশ ধরে সরকারের মেয়াদের দ্বিতীয় এই বাজেট উপস্থাপন করছেন তিনি। মূল্যস্ফীতি ৬ দশমিক ২ শতাংশে রাখার লক্ষ্য ঠিক করা হয়েছে।

সংসদে কালো মুজিব কোট ও সাদা পায়জামা পাঞ্চাবি পরিহিত অর্থমন্ত্রী আসেন বিকেল সাড়ে তিনটায়। এরপর তিনি স্পিকার শিরিন শারমিনের কাছে প্রস্তাবিত বাজেট উত্থাপনের অনুমতি চান। অর্থমন্ত্রী তার দীর্ঘ এ বাজেট ভাষণ বসে দেয়ার অনুমতি চাইলে স্পিকার অনুমতি দেন।

রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ২ লাখ ৮ হাজার ৪১৫ কোটি টাকা। ঘাটতি ৮৬ হাজার ২৪৮ কোটি টাকা।

বর্তমান সরকারের টানা দ্বিতীয় মেয়াদের দ্বিতীয় বাজেট হলেও এটি হবে অর্থমন্ত্রীর টানা ৭ম বাজেট। এর আগে আবুল মাল আবদুল মুহিত এরশাদ সরকারের অর্থমন্ত্রী হিসেবে ১৯৮২-৮৩ ও ১৯৮৩-৮৪ অর্থবছরের দুই বার জাতীয় বাজেট পেশ করেছিলেন। উভয় মিলে মুহিতের এটি নবম বাজেট। আর স্বাধীনতার পর বাংলাদেশের ৪৪তম বাজেট এটি।

এবার গুরুত্বপূর্ণ ৮ মেগা প্রকল্পের সঙ্গে এবার এডিপিতে যুক্ত হয়েছে কিছু নতুন প্রকল্প। নতুন বাজেটে সরকারের নানা চ্যালেঞ্জের কথা উল্লেখ থাকছে। এগুলোর মধ্যে রয়েছে- রাজস্ব খাতে পরিকল্পিত সংস্কার কার্যক্রমগুলো বাস্তবায়নের মাধ্যমে রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা অর্জন, পদ্মা সেতুসহ সরকারের অগ্রাধিকার প্রকল্পগুলোর জন্য অর্থ সরবরাহ ও বাস্তবায়ন নিশ্চিত করা, বিদ্যুৎ, জ্বালানি উৎপাদন বৃদ্ধি, কৃষি ও খাদ্যখাতে ভর্তুকিসহ কম গুরুত্বপূর্ণ ব্যয় হ্রাস এবং প্রয়োজনে কৃচ্ছ্রতাসাধান। এছাড়া জ্বালানি খাতে স্বয়ংক্রিয় মূল্য সমন্বয় প্রদ্ধতি বাস্তবায়ন, মূল্যস্ফীতি সহনীয় রাখা, বিদেশি অর্থের প্রবাহ বৃদ্ধি, সংকোচনমূলক মুদ্রানীতি অনুসরণ এবং বৈদেশিক মুদ্রার কাঙ্খিত স্তর এবং বিনিময় হারের স্থিতিশীলতা বজায় রাখাও আগামী বাজেটের অন্যতম চ্যালেঞ্জ বলে অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানানো হয়েছে।

তবে এই বিশাল অর্থ আদায়ে নতুন করের বোঝা চাপাবেন না বলে জনগণকে আশ্বস্ত করেছেন মুহিত। দুই লাখ কোটি টাকা কোত্থেকে আসবে? এমন এক প্রশ্নের জবাবে সব উপজেলায় আয়কর অফিস স্থাপনের কথা বলেন মুহিত। আর এভাবেই ১১ লাখ থেকে করদাতার সংখ্যা ২০ লাখ, ৩০ লাখ, ৪০ লাখ পেরিয়ে যাবে বলে আশা তার।

 

 

 

বিস্তারিত আসছেৃ

এ জাতীয় আরও খবর

বিশ্বের ‘মোমো রাজধানী’ কোন শহর?

সমতার ভিত্তিতে সম্পর্ক এগিয়ে নিতে সম্মত ঢাকা-দিল্লি : পররাষ্ট্রমন্ত্রী

পুরুষের ৫টি গোপন রহস্য জেনে নিন

সহকারী পরিচালকের ‘অদ্ভুত’ আচরণ, ভয়াল স্মৃতি কাজলের

বিএনপি সন্ত্রাসনির্ভর রাজনীতির দিকে যাচ্ছে : নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

সাগরপথে ইতালি ও গ্রীসে যাওয়ার শীর্ষে বাংলাদেশ

এই সরকার স্বৈরাচারের পথেই হাঁটছে : নাহিদ ইসলাম

ইরানের ডজনের বেশি প্রতিষ্ঠান-ট্যাংকারের ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞা

অধিনায়কত্ব হারালেন মিরাজ, দায়িত্ব বাড়ল লিটনের

কারিনার নতুন লুকে মুগ্ধ ভক্তরা, স্কার্ফ নিয়ে আলোচনা

যশোরে গ্রেপ্তার ডেভিড ইমনকে চট্টগ্রামে আনা হচ্ছে

চট্টগ্রামে বিএনপি-এনসিপি মুখোমুখি, বাড়ছে উত্তেজনা