বৃহস্পতিবার, ৩০শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ ১৫ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কথায় কথায় পেটে গ্যাস

news-image

লাইফস্টাইল ডেস্কযাদের পেটে গ্যাস উৎপন্ন হয় তাদের প্রায় সবারই একটি বদ্ধমূল ধারণা জন্মে তিনি গ্যাস্ট্রিকে ভুগছেন, এটা ঠিক নয়। এমনকি কথায় কথায় বলা হয় পেটে গ্যাস জমেছে। গ্যাস্ট্রিক বলতে ডাক্তারি ভাষায় গ্যাস্ট্রাইটি, গ্যাস্ট্রিক আলসার, ডিওডেনাল আলসার এসব অসুস্থতাকে বুঝানো হয়। এ ধরনের অসুস্থতা সাধারণভাবে রোগীর পেটে ব্যথা অনুভূত হয়, অনেকসময় ব্যথা বেশ তীব্র আকার ধারণ করে এবং ব্যথা দীর্ঘ সময় ধরে বিদ্যমান থাকে। এ ধরনের ব্যথার সময় রোগীর সারা দেহ ঘেমে ভিজে যেতে পারে, রোগীর বমি হতে পারে, অনেকে বমি করার পর কিছুটা সুস্থতা অনুভব করতে পারেন। এন্টাসিড, রেনিটিডিন অথবা ওমিপ্রাজল জাতীয় মেডিসিন ব্যবহারে ব্যথা নিরাময় হতে পারে। গ্যাস্ট্রিক জাতীয় অসুস্থতায় রোগীর পেটে গ্যাস উৎপন্ন হতে পারে, তবে তার পরিমাণ খুব বেশি হয় না। তাই পেটে অত্যধিক গ্যাস উৎপন্ন হলে গ্যাস্ট্রিক ভেবে উপরোলি্লখিত গ্যাস্ট্রিকের ওষুধ ব্যবহার করলে তা থেকে আরোগ্য লাভ করার সম্ভাবনা কম। পেটে অত্যধিক গ্যাস উৎপন্ন হওয়ার মূল কারণ বদহজম, মেদভুঁড়ি, অধিক পরিমাণে শাকসবজি গ্রহণ, কোষ্ঠকাঠিন্য, পেটে জীবাণু সংক্রমণ হওয়া, পেটে পানি জমা হওয়া, হার্ট ফেইলুর, রিক্তশূন্যতা এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যাওয়া, রেডিওথেরাপি বা কেমোথেরাপি ইত্যাদি। গ্যাস উৎপাদন বেশি হলে যারা হার্টের অসুস্থতায় ভুগছেন তাদের বুকের ব্যথা বৃদ্ধি পেতে পারে এবং গ্যাস বের হলে অস্বস্তি ও বুকের ব্যথা দুই-ই কমে যেতে পারে। হৃৎপিণ্ডে রক্ত সরবরাহের কমতি দেখা দিলে অক্সিজেনের অভাবে হৃৎপিণ্ডের আক্রান্ত অংশে বিশেষ ধরনের রাসায়নিক পদার্থ উৎপন্ন হয়ে ব্যথার সৃষ্টি করে থাকে। এ ব্যথা তীব্র ধরনের। সাধারণত পরিশ্রমকালীন সময়ে এ ব্যথা শুরু হয়। বিশ্রাম নিলে খুব অল্প সময়ের মধ্যে ব্যথা নিরাময় হয়ে যায়। এ ব্যথাকে অ্যানজিনা বলে অভিহিত করা হয়। অ্যানজিনার ব্যথার সঙ্গে শ্বাসকষ্ট ও বুক ধড়ফড় করার মতো উপসর্গ থাকতে পারে। ব্যথা সাধারণত বুকের মাঝখানে অনুভূত হয়। এতে বুকে ভার ভার ভাব, ঘন ঘন শ্বাস-প্রশ্বাস অথবা বুক জ্বালার মতো অনুভূতি হয়ে থাকে, তবে কিছু কিছু সময় ব্যথার সঙ্গে বমি হতে পারে। অ্যানজিনার ব্যথায় নাইট্রোসল জাতীয় স্প্রে জিহ্বার নিচে প্রয়োগ করলে তাৎক্ষণিকভাবে ব্যথা উপসম হয়ে যায়। উচ্চ রক্তচাপ, হার্টের রক্তনালিতে রক্তপ্রবাহের প্রতিবন্ধকতা, থাইরয়েড হরমোনজনিত সমস্যা, অনিয়ন্ত্রিত ডায়াবেটিস, হার্ট ফেইলুর, হৃৎপিণ্ডের মাংসপেশির প্রদাহ অ্যানজিনার মূল কারণ হিসেবে বিবেচিত।

এ জাতীয় আরও খবর

বিশ্বের ‘মোমো রাজধানী’ কোন শহর?

সমতার ভিত্তিতে সম্পর্ক এগিয়ে নিতে সম্মত ঢাকা-দিল্লি : পররাষ্ট্রমন্ত্রী

পুরুষের ৫টি গোপন রহস্য জেনে নিন

সহকারী পরিচালকের ‘অদ্ভুত’ আচরণ, ভয়াল স্মৃতি কাজলের

বিএনপি সন্ত্রাসনির্ভর রাজনীতির দিকে যাচ্ছে : নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

সাগরপথে ইতালি ও গ্রীসে যাওয়ার শীর্ষে বাংলাদেশ

এই সরকার স্বৈরাচারের পথেই হাঁটছে : নাহিদ ইসলাম

ইরানের ডজনের বেশি প্রতিষ্ঠান-ট্যাংকারের ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞা

অধিনায়কত্ব হারালেন মিরাজ, দায়িত্ব বাড়ল লিটনের

কারিনার নতুন লুকে মুগ্ধ ভক্তরা, স্কার্ফ নিয়ে আলোচনা

যশোরে গ্রেপ্তার ডেভিড ইমনকে চট্টগ্রামে আনা হচ্ছে

চট্টগ্রামে বিএনপি-এনসিপি মুখোমুখি, বাড়ছে উত্তেজনা