,

অর্থমন্ত্রী জানালেন ভারত-পাকিস্তানের চেয়ে দেশে ক্ষুধার্ত মানুষ কম

news-image

ক্যাম্পাস প্রতিবেদক দক্ষিণ এশিয়ায় ভারত, পাকিস্তান ও নেপালের তুলনায় বাংলাদেশে ক্ষুধার্ত মানুষের হার কম। ভারতের মোট জনসংখ্যার সাড়ে ১৭ শতাংশ ক্ষুধার্ত। পাকিস্তানে তা ১৯.৯ শতাংশ। অন্যদিকে নেপালের ১৮ শতাংশ মানুষ খাদ্য সংকটে ভোগে। বাংলাদেশে ক্ষুধার্ত মানুষের হার ১৬.৮ শতাংশ। ‘দক্ষিণ এশিয়া খাদ্য অধিকার সম্মেলন-২০১৫’-এর সমাপনী অনুষ্ঠানে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত এ কথা জানান।
ঢাকায় তিন দিনব্যাপী খাদ্য অধিকার সম্মেলনের আয়োজন করেছিল কয়েকটি সংগঠন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনে আয়োজিত এ সম্মেলনের সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন অর্থমন্ত্রী। সমাপনী অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন সম্মেলন সাংগঠনিক পরিষদের চেয়ারম্যান অর্থনীতিবিদ ড. কাজী খলীকুজ্জমান আহমদ। এতে মানুষের জন্য ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক শাহীন আনাম, অ্যান্টিপোভার্টি প্লাটফর্মের আহ্বায়ক মহসিন আলী, অক্সফ্যামের অ্যাডভোকেসি ম্যানেজার মণীষা বিশ্বাসসহ বিভিন্ন দেশ থেকে আসা প্রতিনিধিরা বক্তব্য দেন।
সম্মেলনে সব মানুষের জন্য সাশ্রয়ী, সহজলভ্য ও পুষ্টিকর খাদ্য নিশ্চিত করা, সার্ক ফুড ব্যাংক কার্যকর করা ও সার্ক বীজ ব্যাংক প্রতিষ্ঠা করা, প্রতিবেশগত কৃষি ও চাষাবাদের প্রসারে ভূমিকা রাখা, করপোরেট প্রযুক্তির প্রসার বন্ধ করা এবং খাদ্য অধিকার আইন প্রণয়নে সুনির্দিষ্ট পদক্ষেপ গ্রহণের প্রস্তাবনা উত্থাপন করা হয়।
অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত বলেন, ‘২০০৭ ও ২০০৮ সাল ছিল খাদ্য সরবরাহের জন্য কঠিন সময়। ওই সময়ের সংকট কিছু শিক্ষা দিয়েছে। কৃষির উৎপাদন বাড়ানো সব সময় গুরুত্বপূর্ণ, সেটা ভুলে যাওয়া হয়েছিল। কৃষিতে গুরুত্ব দেওয়ার ফলে বর্তমানে খাদ্য উৎপাদন বেড়েছে। এটা সত্যি যে আমরা খাদ্যের প্রাপ্যতা নিশ্চিত করেছি। তবে এটাও সত্যি, পুষ্টিকর খাদ্য নিশ্চিত করা যায়নি।’
দক্ষিণ এশিয়ার বিভিন্ন দেশের ক্ষুধার্ত মানুষের হারের পার্থক্য তুলে ধরে অর্থমন্ত্রী বলেন, দুটি দেশে ক্ষুধার্ত মানুষের হার কম। একটি শ্রীলঙ্কা, সেখানে ২.৪ শতাংশ। মালদ্বীপে ৫.৬ শতাংশ। অন্য দেশগুলোতে বেশি। মানুষের খাদ্য প্রাপ্তির দিক থেকে দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে যে বৈষম্য রয়েছে তা নিরসনের দিকে সবার নজর দেওয়ার প্রয়োজন রয়েছে। সব শ্রেণির মানুষের জন্য শুধু পর্যাপ্ত খাদ্য নয়, মানসম্পন্ন খাদ্য নিশ্চিত করার প্রত্যয়ও ব্যক্ত করেন অর্থমন্ত্রী।
ড. কাজী খলীকুজ্জমান আহমদ বলেন, খাদ্য ও পুষ্টি বাংলাদেশের মানুষের সংবিধান স্বীকৃত অধিকার।
শাহীন আনাম বলেন, খাদ্যের প্রাপ্যতার দিক দিয়ে বাংলাদেশ ভালো করেছে। এখন দেশ খাদ্য উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণতার কাছাকাছি। এখন দুর্গম এলাকায়ও খাবার কিনতে পাওয়া যায়। সমস্যা হলো, সেটা কেনার ক্ষমতা অনেকের নেই।

এ জাতীয় আরও খবর

ইউক্রেনকে স্টর্ম শ্যাডো ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির প্রযুক্তি দেবে যুক্তরাজ্য

বিএনপি সরকার ৬ মাসে সম্পূর্ণরূপে ব্যর্থ: নাহিদ ইসলাম

বাংলাদেশে বিনিয়োগে মার্কিন রাষ্ট্রদূতের প্রতি আহ্বান

মঙ্গলবার পবিত্র সিরাতুন্নবী (সা.) অনুষ্ঠান উদ্বোধন করবেন রাষ্ট্রপতি

নতুন সরকারের প্রথম ছয় মাসে অর্থনীতির কাঙ্ক্ষিত পুনরুদ্ধার হয়নি: দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য

ইবির ৪৪ শিক্ষকের বিষয়ে তদন্ত প্রতিবেদন জমা

সবাই রেডি হলে স্থানীয় নির্বাচন হবে: সিইসি

ডেঙ্গুতে আরও ৩ জনের মৃত্যু, আক্রান্ত ৯৯৪

বাণিজ্যমন্ত্রী ও ভারতীয় হাইকমিশনারের বৈঠক, যেসব বিষয়ে আলোচনা

রংপুরে ৪ হত্যাকাণ্ড নিয়ে যে তথ্য দিল ফরেনসিক বিভাগ

শিক্ষার্থীদের মিড-ডে মিলের মান নিয়ে যেন আপস না করা হয়: প্রধানমন্ত্রী

হাইকোর্টের রায়ে সন্তুষ্ট নুসরাতের মা