,

এক দশকে মুশফিকের বিশেষ বার্তা

news-image

ক্রীড়া ডেস্কদশ বছর—মহকালের হিসেবে খুব বেশি সময় নয়। তবে মানুষের জীবনে সময়টা নেহাত কম নয়। খেলোয়াড়দের জন্য সেটা আরও বড়। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে দশ বছর কেটে গেল মুশফিকুর রহিমের। টাইম মেশিনে চড়ে মুশফিক ফিরে নিশ্চয় ফিরে যেতে চাইবেন লর্ডসের সেই দিনটিতে। আজ থেকে ১০ বছর আগে, এই দিনে ক্রিকেট তীর্থ লর্ডসে অভিষেক হয়েছিল মুশফিকের। 

আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের এক দশক পূর্তিতে ফেসবুকে নিজের অফিশিয়াল পেজে একটি ভিডিও বার্তা দিয়েছেন বাংলাদেশ টেস্ট অধিনায়ক। সবাইকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেছেন, ‘আজকের এই দিনে ১০ বছর আগে বাংলাদেশের হয়ে আমার অভিষেক হয়েছিল। এটা এক দীর্ঘ যাত্রা। মনেপ্রাণে চেষ্টা করেছি ভালো কিছু করতে। এ যাত্রায় আমার সঙ্গে থাকার জন্য বাবা-মা, ভাই-বোন, পরিবার সদস্যদের জানাই ধন্যবাদ। আমার বন্ধু—বগুড়া, বিকেএসপি ও জাহাঙ্গীরনগরে (বিশ্ববিদ্যালয়) যারা ছিল, তাদের বিশেষ ধন্যবাদ। কোচ-শিক্ষকেরা যারা ছিলেন, তাঁদের ধন্যবাদ।’

তবে মুশফিকের সবচেয়ে বেশি কৃতজ্ঞতা দর্শক-সমর্থকদের প্রতি, ‘সবচেয়ে বেশি ধন্যবাদ বাংলাদেশের মানুষদের, যারা সব সময় আমার এবং আমাদের দলের সঙ্গে ছিলেন। এভাবেই আমাদের সমর্থন করতে থাকুন। ইনশা আল্লাহ আমরা এর প্রতিদান দেওয়ার চেষ্টা করব।’

বিকেএসপির পাঠ চুকিয়ে বয়সভিত্তিক ক্রিকেট পেরিয়ে মুশফিক উঠে এসেছিলেন অনূর্ধ্ব-১৯ দলের ক্রিকেটারদের নিয়ে গড়া অস্ট্রেলিয়ান কোচ রিচার্ড ম্যাকিন্সের অধীনে হাইপারফরম্যান্স ইউনিট থেকে। ২০০৫ সালে ইংল্যান্ডে সফরে নর্দাম্পটনশায়ারের বিপক্ষে একমাত্র প্রস্তুতি ম্যাচে অপরাজিত ১১৫ রানের ইনিংস খেলে টিম ম্যানেজমেন্টের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছিলেন। এমনিতে দেখতে ‘বেবি ফেস’ হলেও ক্রিকেটীয় পরিক্কতায় নজর কেড়েছিলেন ওই সময়ের কোচ ডেভ হোয়াটমোরকে। ব্যস, লর্ডস টেস্টে হার্মিস, ফ্লিনটফ, হোগার্ডদের সামনে নামিয়ে দেওয়া হলো ১৮ বছরের মুশফিককে। অবশ্য বলার মতো অভিষেক হয়নি। প্রথম ইনিংসে প্রায় ৮৫ মিনিট উইকেটে টিকে ৫৬ বলে করেছিলেন ১৯ রান। দ্বিতীয় ইনিংসে ফিরেছিলেন মাত্র ৩ রানে। তবে সেখানেই থেমে যাননি। দিন যত পেরিয়েছে ততই ধার বেড়েছে। ১৯ বছর বয়সের আগে বাংলাদেশের যে ২৪ খেলোয়াড়ের টেস্ট অভিষেক হয়েছে, তাদের মধ্যে সবচেয়ে উজ্জ্বল ও ধারাবাহিক মুশফিকই। 

গত কয়েক বছরে দলে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন ‘মি.ডিপেন্ডবল’ হিসেবে। টেস্টে বাংলাদেশের প্রথম ডাবল সেঞ্চুরিয়ান তিনি। তাঁর অধিনায়কত্ব নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠলেও টেস্টে তিনিই সবচেয়ে সফল অধিনায়ক। বাংলাদেশের পক্ষে সর্বোচ্চ ২১ ম্যাচে অধিনায়কত্ব করে জিতেছেন ৪ ম্যাচে, হার ১১ আর ড্র ৬টিতে। সাফল্যের হার ১৯ শতাংশ। তার পরে থাকা হাবিবুল বাশারের সেখানে ৫.৫৫ শতাংশ। 

তবে সাম্প্রতিক সময়ে টেস্টের চেয়ে ওয়ানডেতে মুশফিক আরও ভয়ংকর! সর্বশেষ ১২ ইনিংস দেখলেই পরিষ্কার হবে বিষয়টি: ৪৯*, ৬৫, ১০৬, ২৭, ১৫, ৮৯, ৬০, ৩৬, ৭১, ১১, ৭৭ ও ৩৩।

মুশফিক মানেই নির্ভরতা। মুশফিক মানে আস্থার প্রতীক। মুশফিক মানে যেন আশ্চর্য রকমের ধারাবাহিকতা। ক্যারিয়ারের বাকি দিনগুলোয় এ ধারাবাহিকতা বজায় রাখবেন, এটাই নিশ্চয় চাইবেন তাঁর ভক্ত-সমর্থকেরা।

এ জাতীয় আরও খবর

দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ কমবে, সহজ ও নিরাপদ যোগাযোগের নতুন দ্বার উন্মোচন হল নবীনগর-বাঞ্ছারামপুর সড়ক প্রশস্তকরণ কাজের উদ্বোধন

স্বনির্ভর দেশ গড়তে গ্রামীণ অর্থনীতিতে গুরুত্ব: পানিসম্পদমন্ত্রী

রংপুর জামায়াত দখল করেছে, অভিযোগ রাশেদ খাঁনের

ইরানে দুই হামলায় যুদ্ধাপরাধের অভিযোগ যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে

শনিবার জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হচ্ছে সাড়ে ১২ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস

নভেম্বরে প্রধানমন্ত্রীর দিল্লি সফর চূড়ান্ত করতে ফের আলোচনা: দ্য হিন্দু

তৃণমূলের নাম-প্রতীক নিয়ে মমতা-ঋতব্রতকে নতুন সিদ্ধান্ত কমিশনের

জামায়াতের ৭১-এর ভূমিকা নিয়ে রাজ্জাকের বক্তব্যের গুরুত্ব তুলে ধরলেন আইনমন্ত্রী

শেখ হাসিনা কালকেই আসুন, হাতকড়া দিয়ে রিসিভ করব: বিমানমন্ত্রী

নির্যাতনের অভিযোগে দাম্পত্যে ইতি, থানায় সমঝোতায় সংগীতশিল্পী কনটেন্ট ক্রিয়েটর ইউসুফ রায়হান ও মুন্নির বিবাহ বিচ্ছেদ

আজ প্রথম প্রেম মনে করার দিন

বিশ্ব বাঁশ দিবস আজ