বৃহস্পতিবার, ৩০শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ ১৫ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে ফের সাক্ষ্য গ্রহণ ১৮ জুন

news-image

সাবেক প্রধানমন্ত্রী, বিএনপি চেয়াপারসন খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে বিচারাধীন জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলার বাদী দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) উপপরিচালক হারুন-অর-রশিদের  সাক্ষ্য গ্রহণ শেষ হয়েছে। একইসঙ্গে বিএনপি প্রধানের অনুপস্থিতিতে নেওয়া সাক্ষ্য বাতিলের আবেদন না মঞ্জুর করে ১৮ জুন সাক্ষ্য গ্রহণের পরবর্তী দিন ধার্য করা হয়েছে।

সোমবার ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৩ এর বিচারক আবু আহমেদ জমাদ্দার এ তারিখ ধার্য করেন।

পুরান ঢাকার বকশীবাজার এলাকায় আলিয়া মাদ্রাসার মাঠে অস্থায়ী বিশেষ এজলাসে এই মামলার বিচারকাজ চলছে।  সোমবার এই মামলায় সাক্ষ্যক্ষগ্রহণের দিন ধার্য ছিল। খালেদা জিয়ার আইনজীবীদের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আদালত সাক্ষ্য নেওয়ার কার্যক্রম মুলতবি করে পরবর্তী তারিখ ধার্য করেন।

সোমবার বেলা ১১ টার কিছু আগে বিশেষ আদালতে পৌঁছান বেগম জিয়া। মামলার কার্যক্রম শেষে দুপুর সাড়ে ১২ টার দিকে আদালত চত্ত্বর  ত্যাগ করে গুলশানের বাসভবনে ফিরে যান তিনি।

এর আগে গত ৫ মে খালেদা জিয়ার অনুপস্থিতিতে বাদীর সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়েছে। এরপর আদালত ২৫ মে সাক্ষ্য-জেরার জন্য দিন ধার্য করেন।

৫ মে দুটি মামলায় সাক্ষ্য গ্রহণের জন্য দিন ধার্য ছিল। খালেদা জিয়া আদালতে হাজির না হওয়ায় তাঁর পক্ষে সময়ের আবেদন করেন আইনজীবীরা। আবেদনে বলা হয়, খালেদা জিয়া নিরাপত্তাজনিত কারণে আদালতে হাজির হতে পারেননি। এ মামলায় খালেদা জিয়ার পক্ষে নিযুক্ত আইনজীবীরা বার কাউন্সিল নির্বাচনে ব্যস্ত আছেন। এ ছাড়া মামলা দুটি বদলি চেয়ে হাইকোর্টে রিট আবেদন করা হয়েছে। তা নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত আইনজীবীরা সাক্ষ্য গ্রহণ মুলতবি রাখার আবেদন জানান। শুনানি শেষে আদালত তা নাকচ করে দিয়ে খালেদা জিয়ার অনুপস্থিতিতে সাক্ষ্য গ্রহণের নির্দেশ দেন।

এর আগে ২৫ ফেব্র“য়ারি খালেদা জিয়া আদালতে হাজির না হওয়ায় তাঁর জামিন বাতিল করে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন আদালত। ৫ এপ্রিল আত্মসমর্পণ করে জামিন নেন তিনি।

চলতি বছরের ১৯ মার্চ জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট ও জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতির দুই মামলায় খালেদা জিয়াসহ নয়জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন ঢাকার তৃতীয় বিশেষ জজ বাসুদেব রায়।

জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্টের নামে অবৈধভাবে ৩ কোটি ১৫ লাখ ৪৩ হাজার টাকা লেনদেনের অভিযোগ এনে খালেদা জিয়াসহ চারজনের বিরুদ্ধে ২০১০ সালের ৮ আগস্ট তেজগাঁও থানায় একটি মামলা করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) ।

এই মামলার অপর আসামিরা হলেন খালেদার সাবেক রাজনৈতিক সচিব হারিছ চৌধুরী, হারিছের তখনকার সহকারী একান্ত সচিব ও বি আইডব্লিউটিএর নৌনিরাপত্তা ও ট্রাফিক বিভাগের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক জিয়াউল ইসলাম মুন্না এবং ঢাকার সাবেক মেয়র সাদেক হোসেন খোকার একান্ত সচিব মনিরুল ইসলাম খান।
 

এ জাতীয় আরও খবর

বিশ্বের ‘মোমো রাজধানী’ কোন শহর?

সমতার ভিত্তিতে সম্পর্ক এগিয়ে নিতে সম্মত ঢাকা-দিল্লি : পররাষ্ট্রমন্ত্রী

পুরুষের ৫টি গোপন রহস্য জেনে নিন

সহকারী পরিচালকের ‘অদ্ভুত’ আচরণ, ভয়াল স্মৃতি কাজলের

বিএনপি সন্ত্রাসনির্ভর রাজনীতির দিকে যাচ্ছে : নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

সাগরপথে ইতালি ও গ্রীসে যাওয়ার শীর্ষে বাংলাদেশ

এই সরকার স্বৈরাচারের পথেই হাঁটছে : নাহিদ ইসলাম

ইরানের ডজনের বেশি প্রতিষ্ঠান-ট্যাংকারের ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞা

অধিনায়কত্ব হারালেন মিরাজ, দায়িত্ব বাড়ল লিটনের

কারিনার নতুন লুকে মুগ্ধ ভক্তরা, স্কার্ফ নিয়ে আলোচনা

যশোরে গ্রেপ্তার ডেভিড ইমনকে চট্টগ্রামে আনা হচ্ছে

চট্টগ্রামে বিএনপি-এনসিপি মুখোমুখি, বাড়ছে উত্তেজনা