বৃহস্পতিবার, ৩০শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ ১৫ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

অবৈধভাবে বিদেশ গেলেই শাস্তি

news-image

ডেস্ক রির্পোট প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, মানব পাচারে জড়িতদের পাশাপাশি যারা সাগর পাড়ি দিয়ে অবৈধভাবে অভিবাসনের চেষ্টা করছে, তাদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নিতে হবে। টাকার সন্ধানে অবৈধ পন্থায় পরদেশে পাড়ি দেয়া এই মানুষগুলো মানসিকভাবে অসুস্থ। গতকাল সচিবালয়ে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এসব কথা বলেন। সমপ্রতি দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় সাগরপথে মানব পাচার নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হওয়ার প্রেক্ষাপটে প্রধানমন্ত্রীর এ বক্তব্য এলো। প্রধানমন্ত্রী বলেন, অবৈধভাবে অভিবাসনকারীরা মৃত্যুর মুখোমুখি হচ্ছে বা তাদের জীবন অনিশ্চিত হয়ে পড়ছে। অথচ তারা বিদেশে যাওয়ার জন্য যে পরিমাণ অর্থ দালালদের দিচ্ছে তা দিয়ে তারা দেশে কিছু করলে অনেক সুন্দর জীবনযাপন করতে পারত। তিনি বলেন, দালালদের পাশাপাশি যারা অবৈধভাবে বিদেশে যাচ্ছে তাদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নিতে হবে। এভাবে তারা তাদের জীবন বিপদের মধ্যে ঠেলে দেয়ার সঙ্গে দেশের ভাবমূর্তিও ক্ষুণ্ন করছে। আমি মনে করি, দালালদের পাশাপাশি ভাগ্য পরিবর্তনের আশায় অবৈধ পথে বিদেশগামীদের বিরুদ্ধে শাস্তির ব্যবস্থা করলে এ ধরনের প্রবণতা বন্ধ হতে পারে। শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী মুজিবুল হক চুন্নু অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তৃতা দেন। বেআইনিভাবে বিদেশ যাত্রা বন্ধে প্রচারণা চালাতে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়কে নির্দেশ দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, অবৈধ পথে বিদেশে যেতে দালালদের টাকা দেওয়ার প্রয়োজন নেই। এজন্য প্রচার-প্রচারণা চালাতে হবে। কারণ এভাবে দেশত্যাগ করে তারা বিপদে পড়ছে। তিনি বলেন, যারা সাগরে ভেসে দেশ ছাড়ছে, তারা নিজেরাও জানে না যে তারা কোথায় যাচ্ছে। তাদের মৃতদেহ বনেজঙ্গলে পাওয়া যাচ্ছে- এটা খুবই দুর্ভাগ্যজনক। প্রধানমন্ত্রী বলেন, সবাই অভাবের তাড়নায় এভাবে দেশ ছাড়ছে, একথা সঠিক নয়। প্রকৃতপক্ষে তারা সোনার হরিণের পেছনে ছুটছে। তারা মনে করছে বিদেশে যেতে পারলে তারা অনেক টাকা উপার্জন করবে। বাংলাদেশের নাগরিকদের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে পাচারকারীদের মাধ্যমে বিদেশে যাওয়ার প্রবণতায় দুঃখ প্রকাশ করে শেখ হাসিনা বলেন, দুর্ভাগ্য হলো, এত সুযোগ-সুবিধা করে দেয়ার পরও মানুষ দালালের হাতে টাকা দিয়ে একবারে একটা অনিশ্চিত জায়গায় যাচ্ছে। কেন যে এভাবে যাচ্ছে? অবৈধভাবে বিদেশে যাওয়ার এই প্রবণতা ‘সংক্রামক’ আকার ধারণ করেছে মন্তব্য করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, মানসিক অসুস্থতার মতো হয়ে যাচ্ছে মানুষের। বাইরে যেতে হবে, গেলেই যেন অনেক টাকা পাবে। এতে জীবনটা যাচ্ছে, অথবা অনিশ্চিত হয়ে যাচ্ছে। এদিকে জাতিসংঘ ও আন্তর্জাতিক সমপ্রদায়ের উদ্বেগের মুখে বিপদগ্রস্ত মানুষদের সাগর থেকে উদ্ধার করে সাময়িক আশ্রয় দিতে ও নিজেদের দেশে ফেরত পাঠাতে সম্মত হয়েছে  মালয়েশিয়া ও ইন্দোনেশিয়া। এ ছাড়া বাংলাদেশ সরকারও আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার সহায়তায় সেখানে আটক বাংলাদেশীর ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ নিয়েছে। 

এ জাতীয় আরও খবর

বিশ্বের ‘মোমো রাজধানী’ কোন শহর?

সমতার ভিত্তিতে সম্পর্ক এগিয়ে নিতে সম্মত ঢাকা-দিল্লি : পররাষ্ট্রমন্ত্রী

পুরুষের ৫টি গোপন রহস্য জেনে নিন

সহকারী পরিচালকের ‘অদ্ভুত’ আচরণ, ভয়াল স্মৃতি কাজলের

বিএনপি সন্ত্রাসনির্ভর রাজনীতির দিকে যাচ্ছে : নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

সাগরপথে ইতালি ও গ্রীসে যাওয়ার শীর্ষে বাংলাদেশ

এই সরকার স্বৈরাচারের পথেই হাঁটছে : নাহিদ ইসলাম

ইরানের ডজনের বেশি প্রতিষ্ঠান-ট্যাংকারের ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞা

অধিনায়কত্ব হারালেন মিরাজ, দায়িত্ব বাড়ল লিটনের

কারিনার নতুন লুকে মুগ্ধ ভক্তরা, স্কার্ফ নিয়ে আলোচনা

যশোরে গ্রেপ্তার ডেভিড ইমনকে চট্টগ্রামে আনা হচ্ছে

চট্টগ্রামে বিএনপি-এনসিপি মুখোমুখি, বাড়ছে উত্তেজনা