,

নায়িকা হ্যাপির নারাজি খারিজ করেছে ট্রাইবুনাল

news-image

জাতীয় ক্রিকেট দলের পেসার রুবেল হোসেনের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলায় হ্যাপির নারাজি খারিজ করেছে ট্রাইবুনাল। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তার দাখিল করা চূড়ান্ত প্রতিবেদনের বিরুদ্ধে চিত্রনায়িকা নাজনীন আক্তার হ্যাপির নারাজি আবেদন করেন। বুধবার আদালতে শুনানি শেষে তা খারিজ করে রুবেলকে অব্যাহতি দিয়েছেন  ট্রাইবুনাল।

বুধবার (২০ মে) দুপুরে শুনানি শেষে ঢাকার ৫ নম্বর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক তানজিনা ইসমাইল ক্রিকেটার রুবেলকে অব্যাহতি দেন। গত ১৭ মে হ্যাপি ট্রাইব্যুনালে এ নারাজি দাখিল করেছিলেন। শুনানির সময় রুবেল ও হ্যাপি আদালতে উপস্থিত ছিলেন। এ বিষয়ে হ্যাপির আইনজীবী তুহিন হাওলাদার জানান, মামলার তদন্ত সঠিকভাবে না হওয়ায় হ্যাপি এ নারাজি দাখিল করেছিলেন।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা চূড়ান্ত প্রতিবেদনে উল্লেখ করেন, মামলার বাদী সাক্ষ্য-প্রমাণ হাজির করতে পারেননি। অথচ আইনের বিধান থাকার পরও মূলত তিনি সাক্ষী হাজির করতে বাদীকে কোনো নোটিসই দেননি। নারাজি আবেদনে ৮জন সাক্ষীর একটি তালিকাও দেওয়া হয়।

উল্লেখ্য, গত ৬ এপ্রিল ঢাকার সিএমএম আদালতে চূড়ান্ত প্রতিবেদনটি দাখিল করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা নারী সহায়তা ও তদন্ত বিভাগের পুলিশ পরিদর্শক (ভিকটিম সাপোর্ট সেন্টার) পরিদর্শক হালিমা খাতুন। বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে দৈহিক সম্পর্ক গড়ে তোলার অভিযোগে মিরপুর থানায় গত বছরের ১৩ ডিসেম্বর রুবেলের বিরুদ্ধে এ মামলা দায়ের করেন হ্যাপি। এ মামলায় ৪দিন কারাগারেও ছিলেন রুবেল। পরে জামিনে মুক্ত হয়ে বাংলাদেশের হয়ে বিশ্বকাপ ক্রিকেটে অংশ নিয়ে অসাধারণ নৈপূণ্য প্রদর্শন করেন রুবেল।

চূড়ান্ত প্রতিবেদনে বলা হয়, বাদী হ্যাপির উপস্থাপন করা নাইটি, পাপোষ ও জার্সিতে রুবেলের বীর্য পাওয়া যাবে বলে যে দাবি করা হয়েছিল, তার সত্যতা পাওয়া যায়নি। তিন সদস্যের মেডিকেল বোর্ড তার শারীরিক পরীক্ষা করে মতামত দিয়েছিলেন যে, হ্যাপির শরীরের কোথাও কোনো ধরনের ধর্ষণের  প্রমাণ পাওয়া যায়নি। তদন্ত কর্মকর্তা তার প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করেন, বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ধর্ষণের কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি। বাদী প্রাপ্তবয়স্ক নারী। এ হিসেবে পারস্পরিক সম্মতিতে এ ঘটনা ঘটতে পারে।

মামলার চূড়ান্ত প্রতিবেদন দিয়ে বাদী হ্যাপির অভিযোগের দায় থেকে রুবেলকে অব্যাহতি দেওয়ার সুপারিশ করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা। মামলা দায়েরের পর পরই গত বছরের ১৫ ডিসেম্বর হাইকোর্টে হাজির হয়ে চার সপ্তাহের আগাম জামিন নেন রুবেল। বিচারপতি সৈয়দ এবি মাহমুদুল হক ও বিচারপতি মো. আকরাম হোসেন চৌধুরীর সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ তাকে আগাম জামিন দেন। আইন অনুসারে বিচারিক আদালত থেকেও জামিন নিতে হয়। সে কারণে আগাম জামিনের মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই গত ৮জানুয়ারি সিএমএম আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন চান রুবেল। তার এ আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠিয়ে দেন মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আনোয়ার সাদাতের আদালত। এরপর গত ১১ জানুয়ারি রুবেলের জামিনের আবেদন জানানো হলে মঞ্জুর করেন ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতের ভারপ্রাপ্ত বিচারক ইমরুল কায়েস।ওইদিন বিকেলেই কারাগার থেকে মুক্ত হয়ে পরদিন ১২ জানুয়ারি থেকে জাতীয় ক্রিকেট দলের ক্যাম্পে যোগ দেন তিনি।২৪ জানুয়ারি দলের সঙ্গেই অস্ট্রেলিয়ায় বিশ্বকাপ ক্রিকেট খেলতে যান রুবেল।
 

এ জাতীয় আরও খবর

ইউক্রেনকে স্টর্ম শ্যাডো ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির প্রযুক্তি দেবে যুক্তরাজ্য

বিএনপি সরকার ৬ মাসে সম্পূর্ণরূপে ব্যর্থ: নাহিদ ইসলাম

বাংলাদেশে বিনিয়োগে মার্কিন রাষ্ট্রদূতের প্রতি আহ্বান

মঙ্গলবার পবিত্র সিরাতুন্নবী (সা.) অনুষ্ঠান উদ্বোধন করবেন রাষ্ট্রপতি

নতুন সরকারের প্রথম ছয় মাসে অর্থনীতির কাঙ্ক্ষিত পুনরুদ্ধার হয়নি: দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য

ইবির ৪৪ শিক্ষকের বিষয়ে তদন্ত প্রতিবেদন জমা

সবাই রেডি হলে স্থানীয় নির্বাচন হবে: সিইসি

ডেঙ্গুতে আরও ৩ জনের মৃত্যু, আক্রান্ত ৯৯৪

বাণিজ্যমন্ত্রী ও ভারতীয় হাইকমিশনারের বৈঠক, যেসব বিষয়ে আলোচনা

রংপুরে ৪ হত্যাকাণ্ড নিয়ে যে তথ্য দিল ফরেনসিক বিভাগ

শিক্ষার্থীদের মিড-ডে মিলের মান নিয়ে যেন আপস না করা হয়: প্রধানমন্ত্রী

হাইকোর্টের রায়ে সন্তুষ্ট নুসরাতের মা