,

মানব পাচার ঠেকাতে পারছে না কোষ্টগার্ড

news-image

থাইল্যান্ড, মালয়েশিয়া ও ইন্দোনেশিয়ার উপকূলে ভাসছে পাচার হওয়া ট্টলার ভর্তি মানুষ। এরা সবাই বাংলাদেশী ও রোহিঙ্গা।  বাংলাদেশের টেকনাফ উপকূল দিয়ে পাচার হচ্ছে এসব মানুষ। অথচ বাংলাদেশের উপকূলে পাহারায় কাজ করছে কোষ্ট গার্ড, নৌবাহিনী, বর্ডার গার্ড । এসব বাহিনীর চোখ এড়িয়ে কিভাবে ঘটছে মানবপাচারের মত ঘটনা।

এ বিষয়ে টেকনাফ কোষ্ট গার্ডের ষ্টেশন কমান্ডার শাহীদ হোসেন চৌধুরী কথা বলেছেন বিবিসির সঙ্গে। শাহীদ হোসেন বলেন, সবাইকে বুঝতে হবে যে আমাদের কোষ্টগার্ড খুব উন্নত না। যদি দীর্ঘ ৬ কি.মি. কোষ্ট গার্ডের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। এই ৬ কিলোমিটার ২৪ ঘন্টা পেট্টল করতে কোষ্ট গার্ড দেওয়ার জন্য অনেক বোট দরকার হয়। এপ্রিল মাস থেকে সাগর উত্তাল থাকে। এই উত্তাল সাগরে যাওয়ার জন্য সেরকম বোট আমাদের নেই। আমাদের যেগুলো রয়েছে হাইস্পীড বোট। সেগুলো দিয়ে সেন্টমার্টিন থেকে ৮-১০ নটিকেল মাইল যেতে পারি। তার ভিতরে যাওয়া সম্ভব হয় না এই সময়ে।

বিবিসি : এরা যখন ছোট ছোট নৌকায় করে গভীর সমুদ্রে যায় আপনাদের সন্দেহ হয় না, এরা কোথায় যাচ্ছে কেন যাচ্ছে?

শাহীদ হোসেন চৌধুরী : আমরা যখন নিয়মিত পেট্রল করি। আমাদের দায়িত্ব থাকে আমদের জল সীমায় যেসব নৌকা চলাচল করে তাদের সেগুলোকে রুটিন চেক করা। সমুদ্রে অনেক মৎস্য ট্রলার আছে সবাইকে সব সময় চেক করা সম্ভব হয় না। শুধু কিছু গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গিয়ে সন্দেহ জনক ট্রলারগুলো চেক করা হয়। তা না হলে সমুদ্রে প্রত্যেকটি বোট চেক করা সম্ভব হয় না।

বিবিসি : এসমস্ত নৌকায় করে মাছ ধরার নামে জেলে সেজে গভীর সমুদ্রে যাচ্ছে দু’তিন জন করে গভীর সমুদ্রে গিয়ে বড় ট্রলারে উঠছে, যারা থাইল্যান্ড ইন্দোনেশিয়ার মালয়েশিয়া যাওয়ার জন্য সাগরে ভাসছে, যারা সেখানে নেমেছে, সংবাদপত্রের ছবিতে দেখেছি অনেক শিশু ও মহিলাও আছে তারাও কি মাছ ধরতে যাচ্ছে?

শাহীদ হোসেন চৌধুরী : কিছু কিছু হতে পারে এমন করে যাচ্ছে। নারী ও মহিলা যাদের পাওয়া যায় তাদের বেশির ভাগই রোহিঙ্গা। বাংলাদেশ থেকে যায় নারী ও শিশুর সংখ্যা তেমন নেই।

বিবিসি : একটা অভিযোগ আছে, এই ধরনের পাচারে স্থানীয় প্রভাবশালী ব্যক্তি, কোষ্টগার্ডের কর্মকতাদের একটা যোগসাজস আছে। তা না হলে তারা যেতে পারত না, তাদের সহযোগিতা ছাড়া অনায়াসে দিনের পর দিন এসব যাওয়া সম্ভব?

শাহীদ হোসেন চৌধুরী : বাইরে থেকে এর সাথে যারা জড়িত না মন্তব্যটা করা অতি সহজ। চোখ এড়িয়ে কিভাবে যায়। তারা রাত দুটা তিনটার সময় যেতে পারে। সবসময় তো আমরা সংবাদ পাচ্ছি না। আর যারা যাচ্ছে তারাও আমাদের মনিটর করছে কখন আমরা টহলে থাকি না থাকি। তাদেরও একটা নেটওর্য়াক আছে। আমি দৃঢভাবে অস্বীকার করছি এর সাথে কোষ্ট গার্ড জড়িত না ।

বিবিসি

এ জাতীয় আরও খবর

ইউক্রেনকে স্টর্ম শ্যাডো ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির প্রযুক্তি দেবে যুক্তরাজ্য

বিএনপি সরকার ৬ মাসে সম্পূর্ণরূপে ব্যর্থ: নাহিদ ইসলাম

বাংলাদেশে বিনিয়োগে মার্কিন রাষ্ট্রদূতের প্রতি আহ্বান

মঙ্গলবার পবিত্র সিরাতুন্নবী (সা.) অনুষ্ঠান উদ্বোধন করবেন রাষ্ট্রপতি

নতুন সরকারের প্রথম ছয় মাসে অর্থনীতির কাঙ্ক্ষিত পুনরুদ্ধার হয়নি: দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য

ইবির ৪৪ শিক্ষকের বিষয়ে তদন্ত প্রতিবেদন জমা

সবাই রেডি হলে স্থানীয় নির্বাচন হবে: সিইসি

ডেঙ্গুতে আরও ৩ জনের মৃত্যু, আক্রান্ত ৯৯৪

বাণিজ্যমন্ত্রী ও ভারতীয় হাইকমিশনারের বৈঠক, যেসব বিষয়ে আলোচনা

রংপুরে ৪ হত্যাকাণ্ড নিয়ে যে তথ্য দিল ফরেনসিক বিভাগ

শিক্ষার্থীদের মিড-ডে মিলের মান নিয়ে যেন আপস না করা হয়: প্রধানমন্ত্রী

হাইকোর্টের রায়ে সন্তুষ্ট নুসরাতের মা