,

অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ বদলে গেছে সরাইল, সওজের মাপে অনিয়মের অভিযোগ

news-image

স্টাফ রিপোর্টার সরাইল : সরাইলে দেড় শতাধিক অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করেছে জেলা সওজের কর্মকর্তারা ও উপজেলা প্রশাসন। মাইকিং ও মাপের কয়েক দিন পর গতকাল মঙ্গলবার সরাইল- নাসিরনগর- লাখাই আঞ্চলিক সড়কের সরাইলের বিভিন্ন জায়গায় দিনভর চলে এ উচ্ছেদ অভিযান। উচ্ছেদের পর বদলে গেছে সরাইল। সবকিছু এখন ফকফকা। কমে গেছে যানজট। স্বাচ্ছন্দে হাঁটছে পথচারীরা। এ উচ্ছেদ অভিযানে স্বস্থ্যির নিঃশ্বাস ফেলেছেন সাধারন লোকজন ও পথচারীরা। তবে প্রশাসনের উপর ক্ষুদ্ধ হয়েছেন পর্দার আড়ালের প্রভাবশালী চাঁদাবাজরা। তবে সওজের কর্মচারিদের বিরুদ্ধে সরাসরি মাপে অনিয়মের অভিযোগ করেছেন আহসান উল্লাহ নামের এক ব্যবসায়ি। জেলা সওজ ও উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে মহাসড়ক ও আঞ্চলিক সড়কের দুই পাশে সড়ক ও জনপথের জায়গা মনগড়া মত দখল করে চলেছে কতিপয় লোক। স্থানীয় বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা ও প্রভাবশালীরা এ দখলে সহায়তা করছেন। প্রথমে বাঁশের খুঁটি দিয়ে টিনের ঘর। পরে ইট সিমেন্ট দিয়ে স্থায়ী ইমারত নির্মান করছেন তারা। প্রভাবশালীরা এলাকার দূর্বল অসহায় লোকদের কাছে এসব দোকান ঘর মোটা অংকের টাকা জামানত নিয়ে ভাড়া দেন। দৈনিক অথবা মাসিক ভিত্তিতে আদায় করেন ভাড়া। কোন বৈধ কাগজ পত্র না থাকলেও সওজের জায়গার মালিক সেজে বসেছেন তারা। সড়ক সংলগ্ন এসব দোকান ঘরের কারনে বাড়ছে যানজট। ঘটছে দূর্ঘটনা। বৃদ্ধি পাচ্ছে নানা অপকর্ম  । সরাইলের বিশ্বরোড মোড় থেকে রাজামারিয়া কান্দি ও কুট্রাপাড়া মোড় থেকে কালিকচ্ছের ধর্মতীর্থ পর্যন্ত অসংখ্য জায়গায় এমন অবৈধ স্থাপনা দীর্ঘদিনের। গতকাল সকাল থেকে জেলা সওজের উপ-বিভাগিয় প্রকোশলী মোঃ আমির হোসেন, সরাইল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট মোহাম্মদ এমরান হোসেন, সরাইল থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ আলী আরশাদের নেতৃত্বে দিনভর চলে উচ্ছেদ অভিযান। অভিযানকালে তারা সরাইল হাসপাতালের মোড়, গরু বাজার এলাকা ও কালিকচ্ছ বাজারে দেড় শতাধিক স্থাপনা উচ্ছেদ করেন। তবে জেলা সওজের সার্ভেয়ার পিন্টু রঞ্জন চাকমা ও এরিয়া সুপার ভাইজার মোঃ হুমায়ুন মিয়ার বিরুদ্ধে মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে মাপে অনিয়ম আনেক প্রভাবশালী ব্যক্তির দোকান ও ভবনে লাল কালির দাগ না দেওয়ার অভিযোগ করেছেন ব্যবসায়ি আহসান উল্লাহ সহ একাধিক ব্যক্তি। লোকজনের সামনে পুনরায় মেপে পিন্টু রঞ্জনের অনিয়ম প্রমান করা হয়েছে। পিন্টু তার ভুল স্বীকার করলেও অনিয়মের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন হুমায়ুন মিয়া। । সওজের বিভাগিয় উপ-সহকারি প্রকৌশলী আমির হোসেন বলেন, এই উচ্ছদ অভিযান অব্যাহত থাকবে। সওজের জায়গায় আর কোন দখলদার থাকতে পারবে না। অবৈধ দখলদাররা মানুষের চলাচলে প্রতিবন্ধকতা তৈরী করে। যত্রতত্র বাঁশ গাছ ও দোকান বসিয়ে তীব্র যানজটের সৃষ্টি করে।  প্রসঙ্গত: গত ৪ মে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের সরাইলের ইসলামাবাদ, বাড়িউড়া বাজার ও শাহবাজপুর বাজার এলাকার দুই শতাধিক দোকান, মাছের আড়ৎ, ব্যক্তিগত অফিস ঘর, বাঁশের মাচা বোলডোজার দিয়ে গুড়িয়ে দিয়েছে সওজের লোকজন।
 
 

 

এ জাতীয় আরও খবর

অফিসার্স ক্লাবের নির্মাণাধীন ভবনে সাবেক অতিরিক্ত সচিবের মরদেহ

ডেঙ্গু প্রতিরোধে তরুণদের এগিয়ে আসার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

সাংবাদিক তারিকুল ইসলামের মায়ের মৃত্যুতে মাহ্‌দী আমিনের শোক

শিশু হাসপাতালে কক্ষে ধূমপান, চিকিৎসককে বরখাস্তের নির্দেশ

কুয়েত মৈত্রী হাসপাতালে অসন্তুষ্ট প্রধানমন্ত্রী, উন্নয়নে ৭ দিনের সময়

উচ্চশিক্ষায় দক্ষ মানবসম্পদ তৈরির আহ্বান রাষ্ট্রপতির

হামের উপসর্গে আরও ৩ জনের মৃত্যু, শনাক্ত ৮৫

শিশু গৃহকর্মী নির্যাতন: বিমানের সাবেক এমডিসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র

নওগাঁয় কুড়ালের আঘাতে গণেশ প্রতিমা ভাঙচুর, আটক যুবক

পরীমণির ক্ষোভ, ‘সব দায় আপনাদের’

প্রধান তথ্য কমিশনার হলেন অধ্যাপক নাহরিন ইসলাম খান

সাড়ে ৪ ঘণ্টায় ১৩ স্থান পরিদর্শন প্রধানমন্ত্রীর