বৃহস্পতিবার, ৩০শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ ১৫ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ধর্ষণ ও পরে হত্যা মামলায় মৃত্যুদ-ের সাথে যাবজ্জীবন থাকা ইতিবাচক

news-image

নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে ধর্ষণ করে হত্যা মামলায় একমাত্র সাজা মৃত্যুদণ্ডের বিধানকে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ কর্তৃক অসাংবিধানিক ঘোষণাকে ইতিবাচক বলে মনে করছে মানবাধিকার কর্মী ও নারী নেত্রীরা। আপিল বিভাগের এই রায়ের ফলে ২০০০ সালের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে ‘ধর্ষণ, ধর্ষণ জনিত কারণে মৃত্যু ইত্যাদির শাস্তির বিধান রাখা ৯ অনুচ্ছেদের ২, ৩ এবং ৪ ধারায় থাকা মৃত্যুদ- ছাড়াও যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদ-, অর্থদণ্ডের বিধান বলবৎ থাকছে।

মঙ্গলবার প্রধান বিচারপতি এস কে সিনহার নেতৃত্বে চার সদস্যের বেঞ্চ ১৯৯৫ সালের নারী ও শিশু নির্যাতন (বিশেষ বিধান) আইনের ৬ এর ২, ৩, ৪ ধারাকে অসাংবিধানিক ঘোষণা করেন। ১৯৯৫ সালের নারী ও শিশু নির্যাতন আইনের ধর্ষণের পর হত্যার মামলায় একমাত্র শাস্তি ছিল মৃত্যূদ-। এই রায়ের ফলে একমাত্র মৃত্যুদণ্ডের বিধান আর থাকছে না। তার সাথে এখন থেকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের বিধানও থাকবে।

১৯৯৫ সালের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে এখনো কারো ফাঁসি কার্যকর করা হয়নি। তবে বেশ কয়েকটি মামলার রায় দেয়া হয়েছে সেগুলো এখন উচ্চ আদালতে বিচারাধীন রয়েছে। বাংলাদেশ মহিলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট সালমা আলী এসম্পর্কে বলেন, এই রায়কে অবশ্যই পজিটিভ ভাবেই দেখছি। যে যতটুকু অপরাধ করেছে তার শাস্তি ততটুকুই হওয়া দরকার। তবে মামলার পূর্ণ বিবরণ পাওয়ার পরেই বিস্তারিত মন্তব্য করা যাবে।

২০০৫ সালে ধর্ষণের অভিযোগে আব্দুস শুক্কুর নামে ফাঁসির দ-প্রাপ্ত একজন আসামি ও আইনী সহায়তাদানকারী সংস্থা বাংলাদেশ লিগ্যাল এইড সার্ভিসের আপিলের পরিপ্রেক্ষিতে আপিল বিভাগ এই রায় দেন। বাংলাদেশ লিগ্যাল এইড সার্ভিসের আইনজীবী আকমল হোসেন আপিল করার বিষয়ে বিবিসি বাংলাকে বলেন, শুক্কুর আলী ১৪ বছরের একজন মেয়েকে ধর্ষণ করে হত্যা করে। এরপর মানিকগঞ্জ ট্রাইবুনালে তার মৃত্যূদ- দেয়া হয়। এরপর সে হাইকোর্টে আপিল করলে ২০০৪ সালে হাইকোর্ট তার মৃত্যূদ- বহাল রাখে। এরপর ২০০৫ সালে আপিল বিভাগে গেলে আপিল বিভাগে তা ডিসমিস করে দেয়।

পরবর্তীতে শুক্কুর আলী ও বাংলাদেশ লিগ্যাল এইড সার্ভিস যে আইনের বিধান অনুযায়ী তার বিচার হয়েছিল সে আইনের বিরুদ্ধে চ্যালেঞ্জ করে একটি রিট পিটিশন দায়ের করে। তাতে হাইকোর্ট ডিভিশন ঐ আইনের বিধানটিকে অসাংবিধানিক ঘোষণা করে। তবে শুক্কুরের বিরুদ্ধে দেয়া রায় বা আটকাদেশকে অবৈধ ঘোষণা করে না। এরপর তা আপিল বিভাগে আসে। তিনি বলেন, এই রায়ের ফলে শুক্কুর আলীর ফাঁসির রায়ের বিষয়ে কি হবে এবং অন্যান্য বিচারাধীন মামলা কিভাবে চলবে তা রায়ের পূর্ণ কপি পাওয়ার পরেই বলা যাবে।

এ জাতীয় আরও খবর

বিশ্বের ‘মোমো রাজধানী’ কোন শহর?

সমতার ভিত্তিতে সম্পর্ক এগিয়ে নিতে সম্মত ঢাকা-দিল্লি : পররাষ্ট্রমন্ত্রী

পুরুষের ৫টি গোপন রহস্য জেনে নিন

সহকারী পরিচালকের ‘অদ্ভুত’ আচরণ, ভয়াল স্মৃতি কাজলের

বিএনপি সন্ত্রাসনির্ভর রাজনীতির দিকে যাচ্ছে : নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

সাগরপথে ইতালি ও গ্রীসে যাওয়ার শীর্ষে বাংলাদেশ

এই সরকার স্বৈরাচারের পথেই হাঁটছে : নাহিদ ইসলাম

ইরানের ডজনের বেশি প্রতিষ্ঠান-ট্যাংকারের ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞা

অধিনায়কত্ব হারালেন মিরাজ, দায়িত্ব বাড়ল লিটনের

কারিনার নতুন লুকে মুগ্ধ ভক্তরা, স্কার্ফ নিয়ে আলোচনা

যশোরে গ্রেপ্তার ডেভিড ইমনকে চট্টগ্রামে আনা হচ্ছে

চট্টগ্রামে বিএনপি-এনসিপি মুখোমুখি, বাড়ছে উত্তেজনা