বৃহস্পতিবার, ৩০শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ ১৫ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ইরাকে মার্কিন আগ্রাসনের যুগপূর্তি

Iraq-warআন্তর্জাতিক ডেস্ক : গণবিধ্বংসী অস্ত্র ধ্বংস ও জনগণকে মুক্ত’ করার ঘোষণা দিয়ে ২০০৩ সালের ২০ মার্চ ইরাকে আক্রমণ চালিয়েছিল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বাধীন জোট। মিথ্যা অজুহাতে চালানো ওই আক্রমনের ১২ বছর পূর্তি হচ্ছে আজ।

ওই যুদ্ধ শেষ হলেও যুগপূর্তির দিনেও নতুন অভিযানের নামে ইরাকের ভূখণ্ডে হামলা চালিয়ে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের সেনারা।

ইরাকের বিধ্বংসী মারণাস্ত্র ধ্বংস ও সাদ্দাম সরকারের পতনের ঘোষণা দিয়ে সে দিন প্রাচীন সভ্যতার তীর্থভূমি ইরাকের মাটিতে হামলা শুরু করে মার্কিন বাহিনী। তাদের সঙ্গে যোগ দেয় যুক্তরাজ্য, অস্ট্রেলিয়া ও পোল্যান্ড।

তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জর্জ ডব্লিউ বুশের আগ্রাসী বাসনাকে পূর্ণ সমর্থন দিয়ে তার সঙ্গে যোগ দিয়েছিলেন যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী টনি ব্লেয়ার। ‘অপারেশন এনডিউরিং ফ্রিডম’ নামে ওই অভিযান চালায় জোট।

ওই বছরেরই জানুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্রে সিবিএসের চালানো এক জরিপে দেখা গিয়েছিল, ৬৪ শতাংশ আমেরিকান ইরাকে সামরিক আক্রমণকে সমর্থন করেন। ৬৩ শতাংশ চাইছিলেন যুদ্ধের পরিবর্তে কূটনৈতিকভাবে সমাধান করুক বুশ। ৬২ শতাংশ আমেরিকানের ধারণা ছিল, ইরাকে এ ধরনের আক্রমণ যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবাদী ঘটনা বাড়িয়ে দেবে।

জোট সেনারা ২০০৩ সালের ৯ এপ্রিল ইরাকের রাজধানী বাগদাদকে ঘিরে ফেলে। ১০ এপ্রিল কিরকুক ও ১৫ এপ্রিল তিকরিত দখল করে তারা। এরপর মাত্র ২২ দিনের মাথায় ১ মে বাগদাদের পূর্ণ দখলের মাধ্যমে প্রধান অভিযানের সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।

ওই যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের ১ লাখ ৪৮ হাজার, যুক্তরাজ্যের ৪৫ হাজার, অস্ট্রেলিয়ার ২ হাজার ও পোল্যান্ডের ১৯৪ সেনা অংশ নেয়। ইরাকের কুর্দিস্তানের কুর্দি সেনারা তাদের সহায়তা করে।

পরবর্তী সময়ে বাথ পার্টির নেতা ও দেশটির প্রেসিডেন্ট সাদ্দাম হোসেনকে গোপন অবস্থান থেকে আটক করে মার্কিন বাহিনী। এরপর আদালতের রায়ের মাধ্যমে তাকে ফাঁসিতে ঝোলানো হয়।

হাজার হাজার ইরাকী হতাহতের পর ২০০৪ সালের জুনে অভিযানের পূর্ণাঙ্গ সমাপ্তি ঘোষণা করে জোট বাহিনী। অভিযান সমাপ্ত হলেও রাষ্ট্র ‘পুনর্গঠনে’র কথা বলে ২০১১ সাল পর্যন্ত দেশটিতে অবস্থান করে মার্কিন সেনারা।

ইরাকে আক্রমণ, সাদ্দাম সরকারের পতন ও পরবর্তী সময়ে কয়েক বছর দেশটিতে অবস্থান করেও কোনো ধরনের মরণঘাতী রাসায়নিক অস্ত্রের খোঁজ পায়নি জোট সেনারা। এমনকি এ ব্যাপারে আর কোনো কথাও বলেননি বুশসহ জোট নেতারা।

২০১৪ সালে ইরাক ও সিরিয়ায় ইসলামপন্থী সংগঠন আইএস -এর (ইসলামিক স্টেট) উত্থানের পর আবারও ইরাকে এসেছে মার্কিন সেনারা। এবার আরও বড় জোট গঠন করে আইএস দমনের লক্ষ্যে দেশটিতে বিমান হামলা চালাচ্ছে তারা।

‘অপারেশন ইনহারেন্ট রিজল্ভ’ নামে ২০১৪ সালের ৮ আগস্ট থেকে শুরু হওয়া অভিযান এখনো চলছে।

এ জাতীয় আরও খবর

বিশ্বের ‘মোমো রাজধানী’ কোন শহর?

সমতার ভিত্তিতে সম্পর্ক এগিয়ে নিতে সম্মত ঢাকা-দিল্লি : পররাষ্ট্রমন্ত্রী

পুরুষের ৫টি গোপন রহস্য জেনে নিন

সহকারী পরিচালকের ‘অদ্ভুত’ আচরণ, ভয়াল স্মৃতি কাজলের

বিএনপি সন্ত্রাসনির্ভর রাজনীতির দিকে যাচ্ছে : নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

সাগরপথে ইতালি ও গ্রীসে যাওয়ার শীর্ষে বাংলাদেশ

এই সরকার স্বৈরাচারের পথেই হাঁটছে : নাহিদ ইসলাম

ইরানের ডজনের বেশি প্রতিষ্ঠান-ট্যাংকারের ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞা

অধিনায়কত্ব হারালেন মিরাজ, দায়িত্ব বাড়ল লিটনের

কারিনার নতুন লুকে মুগ্ধ ভক্তরা, স্কার্ফ নিয়ে আলোচনা

যশোরে গ্রেপ্তার ডেভিড ইমনকে চট্টগ্রামে আনা হচ্ছে

চট্টগ্রামে বিএনপি-এনসিপি মুখোমুখি, বাড়ছে উত্তেজনা