বৃহস্পতিবার, ৩০শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ ১৫ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

১১ডিসেম্বর বৃহস্পতিবার আশুগঞ্জ মুক্ত দিবস

ashogonj rail brige১১ ডিসেম্বর ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জ মুক্ত দিবস। ১৯৭১ সালের এই দিনেই স্বাধীন বাংলাদেশের লাল-সবুজের পতাকা উত্তোলন করে আশুগঞ্জকে হানাদার মুক্ত ঘোষনা করেছিলেন। ১৯৭১ সালে যখন পাক বাহিনী দেশব্যাপী নির্মম হত্যাযজ্ঞ চালিয়েছিল। ৯ডিসেম্বর আশুগঞ্জ বিদ্যুৎ কেন্দ্রের কাছে পাকবাহিনীর সাথে ব্যাপক যুদ্ধহয় মুক্তি ও মিএবাহিনীর সাথে। এ সময় মুক্তি ও মিএবাহিনীর প্রায় ৩শতাধীক সেনা সদস্য মৃত্যুবরণ করে। এসময় পাকবাহিনীর প্রায় শতাধীক লোক মারা যায়। ১০ডিসেম্বর মিএবাহিনী ও বেঙ্গল রেজিমেন্ট সাড়া রাত ব্যাপী প্রস্তুতি নিয়ে ভোর বেলায় আশুগঞ্জ বিদ্যুৎ কেন্দ্রে রেষ্ট হাউজে অবস্থান করে ব্যাপক যুদ্ধা হলে পাকবাহিনী রাতে আশুগঞ্জ থেকে পাশ্ববর্তী ভৈরবে পালিয়ে যায়। পাক বাহিনী আশুগঞ্জ থেকে পালিয়ে ভৈরব যাওয়ার সময় মেঘনা নদীর উপর নির্মিত রেল সেতুর একাংশ ডিনামাইট দিয়ে উড়িয়ে দেয়। এতে সেতুর ২টি স্প্যান ভেঙ্গে নদীতে পড়ে যায়। পরে ১১ডিসেম্বর সকালে বিনা বাধায় আশুগঞ্জ বাজার এলাকা দখল করে মিএবাহিনী ও মুক্তিযোদ্ধারা। এতে আশুগঞ্জ শুক্র মুক্ত হয় ।
ঐ সময় যুদ্ধে নেতৃত্ব সুসংগঠিত করতে যোগ দিয়েছিলেন তৎকালীন লেঃ কর্ণেল কে এম সফিউল্লাহ, লেঃ কর্ণেল মোর্শেদ, মেজর নাসির, ক্যাপ্টেন মোঃ নাসিম, ক্যাপ্টেন মতিনসহ আরো অনেকে। আশুগঞ্জকে মুক্ত করতে গিয়ে পাক হানাদারের সাথে যুদ্ধে শহীদ হয়েছিলেন সুবেদার সিরাজুল ইসলাম, ল্যান্স নায়েক আব্দুল হাই ও সিপাহী কপিল উদ্দিন প্রমুখ।
পাকবাহিনী বিভিন্ন এলাকা থেকে লোকজন ধরে এনে সাইলোর কাছে, মেঘনা নদীর উপর নির্মিত রেল সেতুর কাছে, ধানের আড়তের মাঠে, মাছ বাজারে, রেল ষ্টেশরে কাছে আশুগঞ্জের ৫টি স্পটে নির্মমভাবে নিরীহ লোকদের ধরে এনে পাখিরমত গুলি করে হত্যা করে। স্বাধীনতার ৪৩ বছর পর ও আশুগঞ্জের রেল ষ্টেশনের কাছে সম্মূখযুদ্ধের কাছে একটি স্মৃতি স্থম্ব ছাড়া ৪টি স্পটে কোন স্মৃতি স্থম্ভ গড়ে উঠেনি।
দিবসটি উপলক্ষ্যে বৃহস্পতিবার সকালে আশুগঞ্জ মুক্তিযোদ্ধা সংসদের উদ্যোগে আলোচনা সভা ও র‌্যালীর আয়োজন করেছে। আশুগঞ্জ মুক্তিযোদ্ধা সংসদের কমান্ডার ইকবাল হোসেন জানান, ১১ডিসেম্বর আশুগঞ্জ মুক্ত দিবস। এ উপলক্ষ্যে আমরা আলোচনা সভা ও র‌্যালীর আয়োজন করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকাল ৯টায় গোলচত্বর সম্মূখ যোদ্ধের সৃতি স্থম্বে ফুল দেয়া। এরপর উপজেলার সকল মুক্তিযোদ্ধাদের অংশ গ্রহনে ব্যান্টপার্টি নিয়ে র‌্যালী অনুষ্ঠিত হবে। এর পর বেলা সাড়ে ১০টায় শ্রম কল্যান কেন্দ্র মিলনায়তনে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে।

এ জাতীয় আরও খবর

বিশ্বের ‘মোমো রাজধানী’ কোন শহর?

সমতার ভিত্তিতে সম্পর্ক এগিয়ে নিতে সম্মত ঢাকা-দিল্লি : পররাষ্ট্রমন্ত্রী

পুরুষের ৫টি গোপন রহস্য জেনে নিন

সহকারী পরিচালকের ‘অদ্ভুত’ আচরণ, ভয়াল স্মৃতি কাজলের

বিএনপি সন্ত্রাসনির্ভর রাজনীতির দিকে যাচ্ছে : নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

সাগরপথে ইতালি ও গ্রীসে যাওয়ার শীর্ষে বাংলাদেশ

এই সরকার স্বৈরাচারের পথেই হাঁটছে : নাহিদ ইসলাম

ইরানের ডজনের বেশি প্রতিষ্ঠান-ট্যাংকারের ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞা

অধিনায়কত্ব হারালেন মিরাজ, দায়িত্ব বাড়ল লিটনের

কারিনার নতুন লুকে মুগ্ধ ভক্তরা, স্কার্ফ নিয়ে আলোচনা

যশোরে গ্রেপ্তার ডেভিড ইমনকে চট্টগ্রামে আনা হচ্ছে

চট্টগ্রামে বিএনপি-এনসিপি মুখোমুখি, বাড়ছে উত্তেজনা