,

৮ ডিসেম্বর ব্রাহ্মণবাড়িয়া মুক্ত দিবস

obokashপ্রতিনিধি : ৮ ডিসেম্বর সোমবার ব্রাহ্মণবাড়িয়া মুক্ত দিবস ১৯৭১ সালের এই দিনে ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহর যখন পাকহানাদার দখল থেকে মুক্ত হয় তখন চারদিকে ছিল ধ্বংশের স্তুপ। স্কুল-কলেজ আবাসিক এলাকা হয়েছিল ধ্বংসের স্বীকার। এদিকে সকালে তৎকালীন এমএনএ ও আওয়ামীলীগ নেতা প্রয়াত আলী আজম ভূইঁয়া ও মুক্তিযুদ্ধের ৩নং সেক্টরের গেরিলা উপদেষ্টা প্রয়াত অ্যাডভোকেট লুৎফুল হাই সাচ্চুসহ অন্যান্য মুক্তিযুদ্ধাদের নিয়ে শহরে প্রবেশ করে দেখতে পান পাকবাহিনীর নারকীয় হত্যাযজ্ঞের দৃশ্য। পাকবাহিনী শহর ছেড়ে যাবার সময় কলেজ হোস্টেল, অন্নদা স্কুল বডিং সহ বিভিন্ন রেশন গুদামে অগ্নি সংযোগ করে। ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহর মুক্ত হবার পর তৎকালীন পূর্বাঞ্চলের লিবারেশন কাউন্সিলের চেয়ারম্যান জহুর আহাম্মেদ চৌধুরী আনুষ্ঠানিক ভাবে জাতীয় পতাকা উত্তলন করেন। একাত্তরের শহীদদের স্মরণে শহরের ফারুকী পার্র্কে গড়ে উঠে স্বৃতিসৌধ। কুমিল্লা-সিলেট মহাসড়কে কাউতলী এলাকায় তিন সড়কের মোড়ে নির্মাণ করা হয়েছে সৌধ হিরম্ময় ও মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিসৌধ। এছাড়াও রয়েছে পৈরতলা এলাকায় বধ্যভূমি। ব্রাহ্মণবাড়িয়া মুক্ত দিবস উপলক্ষে স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধা সংসদ বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠন বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করেছে।

B baria 1971

এ জাতীয় আরও খবর

আলমনগরে মেধাবীদের বৃত্তি ও শিক্ষা উপকরণ বিতরণ, উন্নয়নে অগ্রাধিকারের আশ্বাস এমপি আব্দুল মান্নানের

প্রতিমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করলেন ইশরাক হোসেন

পূজার আয়োজনে ঘরেই বানান নারিকেলের নাড়ু

লোকসান ও বিদ্যুৎ বিলের চাপে বন্ধ হচ্ছে উল্কা সিনেমা হল

সব সম্প্রদায়ের অধিকার রক্ষার কথা বলল বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ: রিজভী

মঙ্গলবার থেকে টানা ৫ দিনের ছুটি, ছুটিতে থাকবেন না যারা

ঢাকায় তাপমাত্রা অপরিবর্তিত থাকার আভাস

ফ্রান্সে বিক্ষোভ-সহিংসতা, গ্রেপ্তার ২ হাজার ৪০০

সেঞ্চুরির পর ঘরোয়া ক্রিকেটের প্রশংসায় আগা সালমান

টাইগার শ্রফকে লক্ষ্য করে গুলি, অল্পের জন্য রক্ষা

জুলাই স্মৃতিস্তম্ভ ও আধুনিক ওসমানী উদ্যান উদ্বোধন প্রধানমন্ত্রীর

ফ্রান্সে সহিংসতা, অপরাধীদের শাস্তির হুঁশিয়ারি ম্যাক্রনের