,

কসবায় সংখ্যালগু সম্প্রদায়ের জমি দখল করে নিয়েছে প্রভাবশালীরা

Kasba pohto  (Small)নিজস্ব প্রতিবেদক : ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবায় সংখ্যালগু সম্প্রদায়ের প্রায় ১০ কোটি টাকার জমি দখল করে নিয়েছে প্রভাবশালীরা। আর জমি দখলে নিতে গিয়ে প্রভাবশালীদের হাতে নির্মম ভাবে আহত হয়েছেন সংখ্যালগুরা। এব্যাপারে কসবা থানায় ১১জন প্রভাবশালীকে আসামী করে মামলা দায়ের পর একজনকে আটক করেছে পুলিশ। গ্রেফতারকৃত প্রভাবশালীর নাম শফিকুল ইসলাম ছোট্রন।  বুধবার সকালে তাকে আদলতে পাঠানো হয়েছে।
সংখ্যালগু পরিবারের কার্তিক চন্দ্র কর্মকার জানান, দীর্ঘদিন যাবত জেলার কসবা উপজেলা শহরের খারপাড়া এলাকায় বাদল চন্দ্র দাস পতিৃক সম্পত্তি হিসেবে প্রায় ৮২ শতাংশ জমি (কসবা মৌজার যার দাগ নং ১৬৩১/১৬৩২/ ১৬৩৩) খতিয়ান নং ৪৭৪৩ ভুগদখল করে আসছে। গত ২০১৪ সালের ৯জানুয়ারী তিনি মারা যান। তাকে বাড়িতেই সমাধিত করা হয়েছে। বাদল চন্দ্র দাসের কোন ভাই বা স্ত্রী সন্তান না থাকায় তার ২ বোনের ৩ ছেলে কার্তিক চন্দ্র কর্মকার, গৌরাঙ্গ রায় কর্মকার, নিতায় চন্দ্র কর্মকার ওয়ারি মূলে ৮২ শতাংশ জমির মালিক হয়ে যান। এবং ৮২ শতাংশ জমির খারিজ তাদের নামে করেন। পরে স্থানীয় এক ব্যাক্তির কাছে নার্সারীর চারার ব্যবসা করার জন্য এ জমি লিজ দেন তারা। কিন্তু বাদল চন্দ্র দাসের মৃত্যুর পর থেকেই স্থানীয় একটি প্রভাবশালী চক্র এ জমি দখলে নিতে মরিয়া হয়ে উঠেন। এরই পরিপেক্ষিতে বেশকয়েক মাস ধরেই এ চক্রটি ওয়ারিশ কৃত মালিকদের কাছে ৩০লক্ষ টাকা চাঁদা দাবি করে আসছে। বিষয়টি নিয়ে থানায় জিডি দায়ের করেন কার্তিক চন্দ্র কর্মকার। কসবা থানা জিডি নং-৪০৬। কিন্তু তাদেরকে চাঁদা না দেয়ায় ভূয়া দলিল করে গত ৯ নভেম্বর থেকে এ জমি দখলে নিতে পায়তা চালায়। পরে গত ১৭ নভেম্বর কসবা উপজেলা শহরের খারপাড়া এলাকার শফিকুল ইসলাম ছোট্রন, মোস্তফা মিয়া, শাহিন মিয়া, জাহাঙ্গীর মিয়া, দুলু মিয়া, কুডু মিয়াসহ আরো ৫জনের নেতৃত্বে প্রথমে ৪১ শতাংশ জমি জোর পূর্বক দখলে নেয়। পরে ১৮ নভেম্বর বাকী ৪১ শতাংশ জমি আবারো দখলে নেয়। এ সময় তাদের বাধা দেয় কার্তিক চন্দ্র কর্মকার ও নাসার্রীর মালিক গেদু মিয়া। তারা বাধা দেয়ায় তাদেরকে দা, লাঠি, সোটা নিয়ে বেদম প্রহার করে এবং তাদের জমিতে বাশেঁর খুটির বেড়া দিয়ে দখল করে নেয়। এমনকি বাদল চন্দ্র দাসের সমাধিতেও তারা বাতি লাগাতে দেয়নি। আর এ ব্যাপারে থানায় মামলা দায়ের করলে প্রাণ নাশের হুমকি দেন প্রভাবশালী চক্রটি। এর পর থেকেই সংখ্যালগু পরিবার গুলো এখন চরম নিরাপত্তা হীনতায় ভোগছে। উপায় না দেখে এ পরিবারটি স্থানীয় প্রশাসনের কাছে দারস্ত হয়েছেন। পরে কার্তিক চন্দ্র কর্মকার বাদী হয়ে কসবা থানায় ১১জনকে আসামী করে মামলা দায়ের করেন।  
এ ব্যাপারে কসবা থানার ভারপ্রার্প্ত কর্মকর্তা মফিজ উদ্দিন ভূইয়া জানান, মামলা দায়েরের পর একজন আসামীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বাকী আসামীদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।

এ জাতীয় আরও খবর

ইউক্রেনকে স্টর্ম শ্যাডো ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির প্রযুক্তি দেবে যুক্তরাজ্য

বিএনপি সরকার ৬ মাসে সম্পূর্ণরূপে ব্যর্থ: নাহিদ ইসলাম

বাংলাদেশে বিনিয়োগে মার্কিন রাষ্ট্রদূতের প্রতি আহ্বান

মঙ্গলবার পবিত্র সিরাতুন্নবী (সা.) অনুষ্ঠান উদ্বোধন করবেন রাষ্ট্রপতি

নতুন সরকারের প্রথম ছয় মাসে অর্থনীতির কাঙ্ক্ষিত পুনরুদ্ধার হয়নি: দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য

ইবির ৪৪ শিক্ষকের বিষয়ে তদন্ত প্রতিবেদন জমা

সবাই রেডি হলে স্থানীয় নির্বাচন হবে: সিইসি

ডেঙ্গুতে আরও ৩ জনের মৃত্যু, আক্রান্ত ৯৯৪

বাণিজ্যমন্ত্রী ও ভারতীয় হাইকমিশনারের বৈঠক, যেসব বিষয়ে আলোচনা

রংপুরে ৪ হত্যাকাণ্ড নিয়ে যে তথ্য দিল ফরেনসিক বিভাগ

শিক্ষার্থীদের মিড-ডে মিলের মান নিয়ে যেন আপস না করা হয়: প্রধানমন্ত্রী

হাইকোর্টের রায়ে সন্তুষ্ট নুসরাতের মা