বৃহস্পতিবার, ৩০শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ ১৫ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কসবায় সংখ্যালগু সম্প্রদায়ের জমি দখল করে নিয়েছে প্রভাবশালীরা

Kasba pohto  (Small)নিজস্ব প্রতিবেদক : ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবায় সংখ্যালগু সম্প্রদায়ের প্রায় ১০ কোটি টাকার জমি দখল করে নিয়েছে প্রভাবশালীরা। আর জমি দখলে নিতে গিয়ে প্রভাবশালীদের হাতে নির্মম ভাবে আহত হয়েছেন সংখ্যালগুরা। এব্যাপারে কসবা থানায় ১১জন প্রভাবশালীকে আসামী করে মামলা দায়ের পর একজনকে আটক করেছে পুলিশ। গ্রেফতারকৃত প্রভাবশালীর নাম শফিকুল ইসলাম ছোট্রন।  বুধবার সকালে তাকে আদলতে পাঠানো হয়েছে।
সংখ্যালগু পরিবারের কার্তিক চন্দ্র কর্মকার জানান, দীর্ঘদিন যাবত জেলার কসবা উপজেলা শহরের খারপাড়া এলাকায় বাদল চন্দ্র দাস পতিৃক সম্পত্তি হিসেবে প্রায় ৮২ শতাংশ জমি (কসবা মৌজার যার দাগ নং ১৬৩১/১৬৩২/ ১৬৩৩) খতিয়ান নং ৪৭৪৩ ভুগদখল করে আসছে। গত ২০১৪ সালের ৯জানুয়ারী তিনি মারা যান। তাকে বাড়িতেই সমাধিত করা হয়েছে। বাদল চন্দ্র দাসের কোন ভাই বা স্ত্রী সন্তান না থাকায় তার ২ বোনের ৩ ছেলে কার্তিক চন্দ্র কর্মকার, গৌরাঙ্গ রায় কর্মকার, নিতায় চন্দ্র কর্মকার ওয়ারি মূলে ৮২ শতাংশ জমির মালিক হয়ে যান। এবং ৮২ শতাংশ জমির খারিজ তাদের নামে করেন। পরে স্থানীয় এক ব্যাক্তির কাছে নার্সারীর চারার ব্যবসা করার জন্য এ জমি লিজ দেন তারা। কিন্তু বাদল চন্দ্র দাসের মৃত্যুর পর থেকেই স্থানীয় একটি প্রভাবশালী চক্র এ জমি দখলে নিতে মরিয়া হয়ে উঠেন। এরই পরিপেক্ষিতে বেশকয়েক মাস ধরেই এ চক্রটি ওয়ারিশ কৃত মালিকদের কাছে ৩০লক্ষ টাকা চাঁদা দাবি করে আসছে। বিষয়টি নিয়ে থানায় জিডি দায়ের করেন কার্তিক চন্দ্র কর্মকার। কসবা থানা জিডি নং-৪০৬। কিন্তু তাদেরকে চাঁদা না দেয়ায় ভূয়া দলিল করে গত ৯ নভেম্বর থেকে এ জমি দখলে নিতে পায়তা চালায়। পরে গত ১৭ নভেম্বর কসবা উপজেলা শহরের খারপাড়া এলাকার শফিকুল ইসলাম ছোট্রন, মোস্তফা মিয়া, শাহিন মিয়া, জাহাঙ্গীর মিয়া, দুলু মিয়া, কুডু মিয়াসহ আরো ৫জনের নেতৃত্বে প্রথমে ৪১ শতাংশ জমি জোর পূর্বক দখলে নেয়। পরে ১৮ নভেম্বর বাকী ৪১ শতাংশ জমি আবারো দখলে নেয়। এ সময় তাদের বাধা দেয় কার্তিক চন্দ্র কর্মকার ও নাসার্রীর মালিক গেদু মিয়া। তারা বাধা দেয়ায় তাদেরকে দা, লাঠি, সোটা নিয়ে বেদম প্রহার করে এবং তাদের জমিতে বাশেঁর খুটির বেড়া দিয়ে দখল করে নেয়। এমনকি বাদল চন্দ্র দাসের সমাধিতেও তারা বাতি লাগাতে দেয়নি। আর এ ব্যাপারে থানায় মামলা দায়ের করলে প্রাণ নাশের হুমকি দেন প্রভাবশালী চক্রটি। এর পর থেকেই সংখ্যালগু পরিবার গুলো এখন চরম নিরাপত্তা হীনতায় ভোগছে। উপায় না দেখে এ পরিবারটি স্থানীয় প্রশাসনের কাছে দারস্ত হয়েছেন। পরে কার্তিক চন্দ্র কর্মকার বাদী হয়ে কসবা থানায় ১১জনকে আসামী করে মামলা দায়ের করেন।  
এ ব্যাপারে কসবা থানার ভারপ্রার্প্ত কর্মকর্তা মফিজ উদ্দিন ভূইয়া জানান, মামলা দায়েরের পর একজন আসামীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বাকী আসামীদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।

এ জাতীয় আরও খবর

বিশ্বের ‘মোমো রাজধানী’ কোন শহর?

সমতার ভিত্তিতে সম্পর্ক এগিয়ে নিতে সম্মত ঢাকা-দিল্লি : পররাষ্ট্রমন্ত্রী

পুরুষের ৫টি গোপন রহস্য জেনে নিন

সহকারী পরিচালকের ‘অদ্ভুত’ আচরণ, ভয়াল স্মৃতি কাজলের

বিএনপি সন্ত্রাসনির্ভর রাজনীতির দিকে যাচ্ছে : নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

সাগরপথে ইতালি ও গ্রীসে যাওয়ার শীর্ষে বাংলাদেশ

এই সরকার স্বৈরাচারের পথেই হাঁটছে : নাহিদ ইসলাম

ইরানের ডজনের বেশি প্রতিষ্ঠান-ট্যাংকারের ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞা

অধিনায়কত্ব হারালেন মিরাজ, দায়িত্ব বাড়ল লিটনের

কারিনার নতুন লুকে মুগ্ধ ভক্তরা, স্কার্ফ নিয়ে আলোচনা

যশোরে গ্রেপ্তার ডেভিড ইমনকে চট্টগ্রামে আনা হচ্ছে

চট্টগ্রামে বিএনপি-এনসিপি মুখোমুখি, বাড়ছে উত্তেজনা