,

“বৃষ্টি ও একটি রমণী”

45869_rain_dhaka-550x330বিনোদন প্রতিবেদক :মুষলধারের তুমুল
বৃষ্টিতে হেঁটে যাচ্ছি একা একা।
কোথাও কিঞ্চিত আশ্রয়ের
যায়গাটুকুও
নেই। অবিরাম
বৃষ্টিতে ভিজতে ভিজতে যাচ্ছি সেই
নির্জন পথ ধরে…
.
এই পথে প্রতিদিন্ই পাই এক
রমণীর
দেখা।
যে অগ্নিরূপী রমণীর
পানে চাহিয়া শত-সহস্র
কবিতা লিখেছিলাম মনের
ডাইরিতে। যে রমণীকে খুব
সযত্নে এঁকেছিলাম
উপন্যাসের
প্রতিটি চরণে। যে রমণীর
মিষ্টি হাঁসি দেখে লিখেছিলাম
রূপকথার সেই কাল্পনিক
গল্প…
.
হঠাৎই সেই নাম
না জানা অগ্নিরূপ
রমণী কে দেখলাম।
ছাতা মাথায়
গুটি গুটি পায়ে হেঁটে যাচ্ছিল
সেই
নির্জন পথ ধরেই। সেই
মুষলধারের
অবিরাম বৃষ্টিতে ছাতা-
বিহীন
নিজেকে খুব অসহায়
মনে হচ্ছিল।
মনে হচ্ছিল সেই
মুহুর্তে পৃথিবীর
সবচেয়ে অসহায়
মানুষটি একমাত্র
আমিই…
.
কিছুক্ষন পর দেখলাম
রমণী খুব
করুণার দৃষ্টিতে আমার
দিকে তাকাল।
তার মিষ্টি চোখের
চাহনি দেখে বুঝতে পারলাম
আমাকে কিছু
একটা বলতে চাইতেছে,
কিন্তু সাহস
পাচ্ছে না বলার।
.
পরক্ষণে আমি খুব সাহস
নিয়া পাঁ বাড়ালাম রমণীর
দিকে।
সে শুধু অবাক দৃষ্টিতে আমার
পানে চেয়ে রইলো।
কাছে গিয়ে খুব
নিচু স্বরে রমণীকে বললাম..
” আমাকে একটু আশ্রয়
দিবা তোমার
ছাতার নিচে?”
রমণী কিছুই বললো না। শুধু
অবাক
দৃষ্টিতে তাকিয়ে রইলো।
আবার নিচু
স্বরে বললাম..
“একটু আশ্রয় দিবা তোমার
ছাতাতলে?”
.
রমণী এবার্ও কিছু
বললো না। শুধু
মিষ্টি একটা হাঁসি দিয়ে ছাতাটা আমার
দিকে বাড়িয়ে দিলো।
আশ্রয়
দিলো তার ছাতার নিচে…
.
তারপর…
.
দুজনে গুটি গুটি পায়ে নীরবে নিভৃতে হেঁটে যাচ্ছিলাম।
দুজন্ই চুপ,
কারো মুখে কিঞ্চিত
কথা নেই…
.
ইতিমধ্যেই মুষলধারের সেই
অবিরাম
বৃষ্টি থেমে গেল।
রমণী তখন্ও খুব
যত্ন
করে ছাতাটা ধরে আছে তার
কোমল হাতে।
.
একটু পর সব
নীরবতা ভেঙ্গে রমণী কে জিগ্যেস
করলাম..
“তোমার নাম কি?”
কিছু বললো না। তাহার
মুখের
দিকে চেয়ে দেখি শ্রাবণের
সব
কালো মেঘ যেন তার
মায়াবি মুখে এসে ধারন
করেছে।
তৎক্ষনাৎ বুঝতে পারলাম
রমণীর মন
খারাপ। কিন্তু কেন?
.
আবার রমণী কে জিগ্যেস
করলাম..
“তোমার নাম কি?”
এবার্ও কিছুই বললো না।
হঠাৎ
তাহার চোখের কোণে দু
ফোটা অস্রু
দেখতে পেলাম। এ কি হল!
কাঁদতেছে কেন সে? কিছু
বুঝে উঠার
আগেই দেখলাম রমণী তার
ব্যাগ
থেকে কাগজ-কলম বের
করে কিছু
একটা লিখলো,
এবং কাগজটি আমার
হাতে দিয়ে খুব দ্রুত
হেঁটে হেঁটে চলে গেল।
আমি অবাক
হয়ে তার চলে যাওয়ার
দিকে চেয়ে রইলাম।
বুঝতে পারলাম
রমণী যেতে যেতে কাঁদতেছিল…
.
রমণী চোখের আড়াল হওয়ার
পর তার
দিয়ে যাওয়া কাগজটি খুলে পড়তে লাগলাম।
কিন্তু একি!! শুধু চারটি শব্দ
দিয়ে একটি মাত্র বাক্য
লিখা “আমি কথা বলতে পারিনা (বোবা)”.
.
তারপর…
.
কোনো এক অজানা কষ্ট
বুকে এসে ভর
করলো। হঠাৎ দেখলাম আবার
মুষলধারের বৃষ্টি শুরু
হয়ে গেল।
তবে এই বৃষ্টি আকাশ
থেকে ঝরছে না।
এই বৃষ্টি ঝরছে আমার দু চোখ
থেকে…..

এ জাতীয় আরও খবর

দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ কমবে, সহজ ও নিরাপদ যোগাযোগের নতুন দ্বার উন্মোচন হল নবীনগর-বাঞ্ছারামপুর সড়ক প্রশস্তকরণ কাজের উদ্বোধন

স্বনির্ভর দেশ গড়তে গ্রামীণ অর্থনীতিতে গুরুত্ব: পানিসম্পদমন্ত্রী

রংপুর জামায়াত দখল করেছে, অভিযোগ রাশেদ খাঁনের

ইরানে দুই হামলায় যুদ্ধাপরাধের অভিযোগ যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে

শনিবার জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হচ্ছে সাড়ে ১২ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস

নভেম্বরে প্রধানমন্ত্রীর দিল্লি সফর চূড়ান্ত করতে ফের আলোচনা: দ্য হিন্দু

তৃণমূলের নাম-প্রতীক নিয়ে মমতা-ঋতব্রতকে নতুন সিদ্ধান্ত কমিশনের

জামায়াতের ৭১-এর ভূমিকা নিয়ে রাজ্জাকের বক্তব্যের গুরুত্ব তুলে ধরলেন আইনমন্ত্রী

শেখ হাসিনা কালকেই আসুন, হাতকড়া দিয়ে রিসিভ করব: বিমানমন্ত্রী

নির্যাতনের অভিযোগে দাম্পত্যে ইতি, থানায় সমঝোতায় সংগীতশিল্পী কনটেন্ট ক্রিয়েটর ইউসুফ রায়হান ও মুন্নির বিবাহ বিচ্ছেদ

আজ প্রথম প্রেম মনে করার দিন

বিশ্ব বাঁশ দিবস আজ