,

ব্রাহ্মণবাড়িয়া আদালতে বাদি ও স্বাক্ষীদের পেটালেন হত্যা মামলার আসামিরা

news-image

Emnun bbনিজস্ব প্রতিবেদক : ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের পীরবাড়ি এলাকার প্রয়াস মাদক নিরাময় কেন্দ্রে আতিকুল ইসলাম ওরফে শাকিল হত্যা মামলার আসামিরা জেলা জজ আদালতে বাদি ও স্বাক্ষীদের পিটিয়ে আহত করেছে। আজ বৃহস্পতিবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে ওই আদালতের দ্বিতীয় তলার বারান্দা ও সিঁড়িতে পাঁচ আসামি তাদের পেটায়। এ ঘটনায় সদর থানায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।
আসামিদের হামলায় আহত হয়েছেন মামলার বাদি নিহত শাকিলের মা রহিমা খাতুন, স্বাক্ষী ফুফু সাহিদা বেগম ও ছোট ভাই প্রথম আলোর ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি শাহাদৎ হোসেন। তাদের সবাইকে জেলা সদর হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
বাদি পক্ষের আইনজীবি তারেকুল ইসলাম মৃধা বলেন, পাঁচ আসামি গত ১১ সেপ্টেম্বর উচ্চ আদালত থেকে চার সপ্তাহের জামিন নেয়। গতকাল বৃহস্পতিবার তাদের জামিনের মেয়াদ শেষ হয়। এদিন তারা জামিনের মেয়াদ শেষে আদালতে হাজির হন। কিন্তু ওই আদালতের বিচারক অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ (প্রথম আদালত) বেগম শামীমা আফরোজ আসামি পক্ষের আইনজীবিদের শুনানি আমলে নেননি। এই নিয়ে এজলাসে দুই পক্ষের আইনজীবিদের মধ্যে হইচই শুরু হয়। তখন বিচারক পরিস্থিতি শান্ত করতে কিছুক্ষণ পরেই শুনানির নির্দেশ দেন। এসময় পাঁচ আসামি এজলাস থেকে বের হয়ে আদালতের বারান্দায় থাকা মামলার বাদি ও স্বজনদের উপর হামলা করেন।
হামলার শিকার শাহাদৎ হোসেন বলেন, আসামি পাপ্পু ভট্টাচার্য আমার ফুফু সাহিদা বেগমকে ঘুষি মারেন এবং রাজীব খান আমার মায়ের গলা টিপে ধরেন। আসামি দেওয়ান এমনুন আমার ফুফুকে কয়েকটি লাথি মারেন।  এসময় তাদের বাঁচাতে গেলে রাজীব ও কামরুল আমার নাকে-মুখে ঘুষি মারেন। তাদের ঘুষিতে আমার নাক ও থুতনির নিচে মারাত্মক আঘাত লাগে।
বাদি পক্ষের আরেক আইনজীবি নূর মোহাম্মদ জামাল বলেন, দ্বিতীয় শুনানির সময় বিচারক পাঁচ আসামিকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেয়।
এদিকে এর আগে আসামিদের পক্ষে শহরের বিএনপি সমর্থিত কিছু ক্যাডার অস্ত্র-শস্ত্র নিয়ে আদালতের বাইরে অবস্থান নেয়। তারা শাহাদতের পরিবারের লোকজনদের উপর হামলা ও দেখে নেয়ার হুমকি দেন।
আসামিদের দেখতে বিএনপি নেতা শ্যামল :
এদিকে আসামিদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেয়ার খবরে তাদের দেখতে আদালত চত্বরে আসেন জেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক ও সদর আসনের সাংসদ পদপ্রার্র্থী প্রকৌশলী খালেদ হোসেন মাহবুব শ্যামল। জেলা বিএনপির হেভিওয়েট এই নেতা আদালতে হত্যা মামলার আসামিদের দেখতে যাওয়ায় মিশ্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে। আদালত চত্বরে উপস্থিত জনতাসহ আইনজীবিরা এই নিয়ে নানা সমালোচনা করেন।
অবশ্য জানতে চাইলে প্রকৌশলী খালেদ হোসেন মাহবুব শ্যামল বলেন, দলীয় নেতাকর্মীদের চাপে পড়ে আমি তাদের দেখতে যেতে বাধ্য হয়েছি।
প্রসঙ্গত, নির্যাতন শেষে হত্যার পর প্রয়াস মাদক নিরাময় কেন্দ্রের লোকজন গত ৯ আগস্ট শাকিলের লাশ জেলা সদর হাসপাতালের বারান্দায় রেখে পালিয়ে যায়। এ ঘটনায় কেন্দ্রটির পাঁচ পরিচালকের বিরুদ্ধে ১০ আগস্ট সদর থানায় হত্যা মামলা দায়ের করা হয়।

 

এ জাতীয় আরও খবর

বাড়ি দখলের গুজব, যা বললেন দিলারা জামান

সংসদ কার্যকর থাকলে রাজপথে লংমার্চ গণআকাঙ্ক্ষার বিরোধী: স্বপন

জাগৃকের শর্তে ১২৭ জনের ফ্ল্যাট অনিশ্চিত

ভাইরাল হতেই প্রধানমন্ত্রীকে কটূক্তি করেন সিফাত: স্থানীয়রা

রংপুরের চার খুনের বিচার দ্রুত শেষ হবে: ত্রাণমন্ত্রী

বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর সভায় তারেক রহমান

পাত্রী না পেয়ে আত্মহত্যা, মহারাষ্ট্রে আলোচনায় ২৯ মৃত্যু

হাম-উপসর্গে আরও ৪ মৃত্যু, আক্রান্ত ৯১৭

শিবির নেতাকে থাপ্পড়, ইবিতে ছাত্রদল-শিবির উত্তেজনা

দক্ষ শ্রমিকই দেশের বড় উৎপাদনশীল সম্পদ: মাহ্দী আমিন

জাতিসংঘে ট্রাম্পের সঙ্গে বৈঠক হতে পারে প্রধানমন্ত্রীর

ইউরোপ কেন যুক্তরাষ্ট্র থেকে স্বর্ণ সরাচ্ছে?