,

সিন্ডিকেটের কবলে সরাইলে গরুর হাট

cow bazar--মাহবুব খান বাবুল : ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলে সিন্ডিকেটের কবলে চলছে সরকার অনুমোদিত স্থায়ী অস্থায়ী অধিকাংশ গরুর হাট। সরকার হারাচ্ছে ন্যায্য রাজস্ব। সুযোগে মোটা তাজা হচ্ছে প্রভাবশালী সিন্ডিকেটের কিছু সদস্য। কোন পরীক্ষা নিরীক্ষা ছাড়াই দেদারছে বিক্রি হচ্ছে ইনজেকশন দেওয়া মোটা তাজা গরু। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার দফতর ও স্থানীয় লোকজন জানায়, সমগ্র উপজেলায় রয়েছে সরকার অনুমোদিত একটি স্থায়ী ও পাঁচটি অস্থায়ী গরুর হাট। অস্থায়ী গরুর হাট গুলো সাধারণত: ঈদ-উল-আজহার ১৫/২০ দিন পূর্বে ইজারা দেওয়া হয়। এবার ও ইজারা দেওয়া হয়েছে পাঁচটি গরুর হাট। তবে প্রভাবশালী সিন্ডিকেটের ক্ষমতা ও দাপটের কারণে হাটের দরপত্রে অংশ গ্রহন করতে পারেননি অনেক ইজারাদার। বেশ কয়েক জায়গায় সর্বোচ্চ দরদাতাদের বিভিন্ন কৌশলে দূরে ঠেলে দেওয়া হয়েছে। অনেককে দেওয়া হয়েছে হুমকি ধমকি। ২/১ জন দরদাতাকে ধরে উপজেলায় এনে নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে ডাক বাতিলের আবেদন করানো হয়েছে। প্রকাশ্যে ভাগ বাটোয়ারা করা হয়েছে সিন্ডিকেটের টাকা। সরকার হারিয়েছে বড় অংকের রাজস্ব। সিন্ডিকেটের ক্ষমতা প্রয়োগের কারনে সরকারের রাজস্ব হারানোর কথা আক্ষেপ করে অকপটে স্বীকার করেছেন খোদ নির্বাহী কর্মকর্তা। অরুয়াইল গরুর হাট দুই লাখ টাকায় নেয়ার লোক থাকলেও সিন্ডিকেটের চাপে ৬৫ হাজার টাকায় ইজারা দেওয়া হয়েছে। নরসিংহপুর (আজবপুর) এক লাখ টাকার হাট ২৮ হাজার ৭’শ, বেড়তলা দুই লাখ টাকার হাট ৭৫ হাজার টাকায়, শাহবাজপুর হাট ১ লাখ ৮৮ হাজার ডাকার পর মাত্র ৩৮ হাজার টাকায় ও জয়ধরকান্দি দুই লাখ টাকার হাট ইজারা দিতে হয়েছে ৪৫ হাজার টাকায়। ক্ষমতা ও সিন্ডিকেটের চাপের কাছে অসহায় হয়ে পড়েছিল প্রশাসন। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ইজারার অংশীদার জনৈক ব্যক্তি বলেন, হাট ইজারা দিতে শুধু সিন্ডিকেটের সদস্যদের টাকা দিতে হয়েছে পাঁচ লাখ। অরুয়াইল গ্রামের বাসিন্ধা ইউপি যুবলীগ নেতা মোঃ শফিকুর রহমান বলেন, আমি ডাকে অংশ গ্রহন করে দেড় লাখ টাকায় হাট ইজারা নিতে সম্মত ছিলাম। স্থানীয় প্রভাবশালী কিছু জনপ্রতিনিধি সহ কিছু লোকের চাপ ও কৌশলের কারনে পারিনি। ব্যক্তি স্বার্থকে প্রাধান্য দিতে গিয়ে সরকারকে ঠকানো হয়েছে। ওদিকে সরকারি নির্দেশ থাকার পর ও নিশ্চিন্তে সরাইলে বিক্রি হচ্ছে ইনজেকশন দেওয়া, ট্যাবলেট খাইয়ে মোটা তাজা করা ষাড়। দীর্ঘদিন ধরে হাট বসিয়ে গরু বিক্রি করলেও পরীক্ষার জন্য যাচ্ছেন না প্রাণী সম্পদ হাসপাতালের কোন কর্মকর্তা। এ বিষয়ে জানতে উপজেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা ডাঃ মোঃ মজিবুর রহমানের মুঠোফোনে (০১৭১৫-৩৫৪৮৭৯) একাধিকবার চেষ্টা করেও যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ এমরান হোসেন বলেন, শক্তিশালী সিন্ডিকেটের কলা কৌশল ও চাপের কারনে গরুর হাট গুলো থেকে আশানুরুপ রাজস্ব আদায় করতে পারিনি।
 

এ জাতীয় আরও খবর

দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ কমবে, সহজ ও নিরাপদ যোগাযোগের নতুন দ্বার উন্মোচন হল নবীনগর-বাঞ্ছারামপুর সড়ক প্রশস্তকরণ কাজের উদ্বোধন

স্বনির্ভর দেশ গড়তে গ্রামীণ অর্থনীতিতে গুরুত্ব: পানিসম্পদমন্ত্রী

রংপুর জামায়াত দখল করেছে, অভিযোগ রাশেদ খাঁনের

ইরানে দুই হামলায় যুদ্ধাপরাধের অভিযোগ যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে

শনিবার জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হচ্ছে সাড়ে ১২ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস

নভেম্বরে প্রধানমন্ত্রীর দিল্লি সফর চূড়ান্ত করতে ফের আলোচনা: দ্য হিন্দু

তৃণমূলের নাম-প্রতীক নিয়ে মমতা-ঋতব্রতকে নতুন সিদ্ধান্ত কমিশনের

জামায়াতের ৭১-এর ভূমিকা নিয়ে রাজ্জাকের বক্তব্যের গুরুত্ব তুলে ধরলেন আইনমন্ত্রী

শেখ হাসিনা কালকেই আসুন, হাতকড়া দিয়ে রিসিভ করব: বিমানমন্ত্রী

নির্যাতনের অভিযোগে দাম্পত্যে ইতি, থানায় সমঝোতায় সংগীতশিল্পী কনটেন্ট ক্রিয়েটর ইউসুফ রায়হান ও মুন্নির বিবাহ বিচ্ছেদ

আজ প্রথম প্রেম মনে করার দিন

বিশ্ব বাঁশ দিবস আজ