,

নাসিরনগরে শিক্ষার মানন্নোয়নে আশার দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মশালা

ASA----------ডেস্ক রির্পোট : শিক্ষা কার্যক্রম থেকে ১ম ও ২য় শ্রেনী শিক্ষার্থীদের ঝরে পড়া রোধ,পাঠ আয়ত্ব করতে সহায়তা ও শিক্ষার মান উন্নয়নে সহায়তা প্রদানের লক্ষ্যে হতদরিদ্র পরিবারের পিছিয়ে পড়া শিশুদের শিক্ষার আলোয় আলোকিত করতে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা আশার নাসিরনগর সদর ব্রাঞ্চের উদ্যোগে প্রাথমিক শিক্ষা শক্তিশালীকরণ কর্মসূচীর আওতায় ব্রাঞ্চের আওতাভূক্ত ১৫টি শিক্ষা কেন্দ্রে কর্মরত সুপারভাইজার ও শিক্ষা সেবিকাদের নিয়ে আজ বুধবার নাসিরনগর আশার আঞ্চলিক কার্যালয়ে দিনব্যাপী ষান্মাসিক প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। আশার আঞ্চলিক ব্যবস্থাপক মোঃ ইসমাইল হোসেনের সভাপতিত্বে প্রশিক্ষণ কর্মশালায় প্রধান অতিথি ছিলেন আশার ডিস্ট্রিক ম্যানেজার মো: কামরুল হাসান। বিশেষ অতিথি ছিলেন আৃশার ফিল্ড অডিটর মো: মোশাহিদ চৌধুরী, পল্লী বিদ্যুতের জুনিয়র ইঞ্জিনিয়ার খোকন নন্দী, সাংবাদিক আকতার হোসেন ভূইয়া । কর্মশালায় উপজেলার ১৫টি শিক্ষা কেন্দ্রে কর্মরত সুপারভাইজার ও সেবিকারা অংশগ্রহন করেন। প্রশিক্ষক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা প্রাথমিক রির্সোস ইন্সট্যাক্টর মোঃ শাহাজাহান ভুঁঞা। কর্মশালায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন, ব্রাঞ্চ ম্যানেজার মোঃ সাফিউদ্দিন, শিক্ষা সুপারভাইজার সালমান মিয়া। কর্মশালায় উপজেলার ১৫টি শিক্ষা কেন্দ্রে কর্মরত সুপারভাইজার ও সেবিকারা অংশগ্রহন করেন। 
কর্মশালায় আশার ডিস্ট্রিক ম্যানেজার মো: কামরুল হাসান বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নিম্নবিত্ত ও নিম্নমধ্যবিত্ত পরিবারের অধ্যায়নরত শিক্ষার্থীদের বাড়িতে প্রয়োজনীয় শিক্ষা নির্দেশনা ও সহায়তা প্রদানের জন্য সক্ষম সাধারণতঃ কেউ নেই। কারণ অধিকাংশ পিতা-মাতাই নিরক্ষর কিংবা পযার্প্ত সময়ের অভাব অথবা সারাদিনের পরিশ্রমের পর শারীরিক ও মানসিক ক্লান্তির ফলে তারা তাদের সন্তানদের প্রয়োজনীয় শিক্ষা সহায়তা দিতে পারছে না। অপরদিকে আর্থিক অসামর্থের কারণে গৃহ শিক্ষক নিয়োগ করা তাদের পক্ষে সম্ভব নয়। এর ফলশ্র“তিতে নিম্নও নিম্নমধ্যবিত্ত পরিবারের শিক্ষার্থীরা বিদ্যালয়ে গিয়ে নিজেদের পাঠদান উপস্থাপন করতে ব্যর্থ হয় এবং শিক্ষকের দ্বারা তিরস্কৃত ও অন্যান্য সহপাঠীদের চোখে হেয় প্রতিপন্ন হতে হয়। এভাবে এক পর্যায়ে স্কুলে যাওয়া থেকে বিরত থাকে ও শিক্ষাজীবনের ইতি টানে। তাই প্রাথমিক পযার্য়ে অধ্যায়নরত এই নিু ও নিুমধ্যবিত্ত শ্রেণীর ছাত্রছাত্রিদের এভাবে ঝরে পড়া হ্রাস করা যেতে পারে যদি তাদেরকে পড়া আয়ত্ব করার জন্যে বাড়িতে প্রয়োজনীয় শিক্ষা সহায়তা প্রদান করা যায়। এ প্রেক্ষাপটে এই বিশেষ শ্রেণীর শিক্ষার্থীদেরকে শিক্ষা সহায়তা প্রদানের প্রযোজনীয়তা অনুভূত হওয়ায় “বেসরকারী উন্নয়ন সংস্থা আশা ” এতে শিক্ষা কার্যক্রম থেকে ঝরে পড়া ছাত্রছাত্রিদের সংখ্যা হ্রাস করে শিক্ষার আলোয় আলোকিত করতেই আশা এ কমসূচীর্ গ্রহণ করেছে। নাসিরনগর উপজেলায় ১৫ টি শিক্ষা কেন্দ্র চালু করা হয়। আশার শাখা কার্যালয়ের অর্ন্তভূক্ত মহলায় সর্বোচ্চ ২৫ জন শিক্ষার্থী নিয়ে ১ জন সেবিকার মাধ্যমে একটি পাঠদান কেন্দ্র গঠিত হয়। বিদ্যালয়ের পাঠ্যবই অনুসরণ করে সকালে অথবা বিকালে (শিক্ষার্থীদের স্কুলের সময়ের সাথে সংগতি রেখে) মোট ২ ঘন্টা পাঠদান করানো হচ্ছে। এছাড়াও এর ধারাবাহিকতায় ২০১৪ সালে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ৪টি ব্রাঞ্চে ৬০টি শিক্ষা কেন্দ্র (চালু) সম্প্রসারণ করা হবে।

 

এ জাতীয় আরও খবর

দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ কমবে, সহজ ও নিরাপদ যোগাযোগের নতুন দ্বার উন্মোচন হল নবীনগর-বাঞ্ছারামপুর সড়ক প্রশস্তকরণ কাজের উদ্বোধন

স্বনির্ভর দেশ গড়তে গ্রামীণ অর্থনীতিতে গুরুত্ব: পানিসম্পদমন্ত্রী

রংপুর জামায়াত দখল করেছে, অভিযোগ রাশেদ খাঁনের

ইরানে দুই হামলায় যুদ্ধাপরাধের অভিযোগ যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে

শনিবার জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হচ্ছে সাড়ে ১২ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস

নভেম্বরে প্রধানমন্ত্রীর দিল্লি সফর চূড়ান্ত করতে ফের আলোচনা: দ্য হিন্দু

তৃণমূলের নাম-প্রতীক নিয়ে মমতা-ঋতব্রতকে নতুন সিদ্ধান্ত কমিশনের

জামায়াতের ৭১-এর ভূমিকা নিয়ে রাজ্জাকের বক্তব্যের গুরুত্ব তুলে ধরলেন আইনমন্ত্রী

শেখ হাসিনা কালকেই আসুন, হাতকড়া দিয়ে রিসিভ করব: বিমানমন্ত্রী

নির্যাতনের অভিযোগে দাম্পত্যে ইতি, থানায় সমঝোতায় সংগীতশিল্পী কনটেন্ট ক্রিয়েটর ইউসুফ রায়হান ও মুন্নির বিবাহ বিচ্ছেদ

আজ প্রথম প্রেম মনে করার দিন

বিশ্ব বাঁশ দিবস আজ