,

ইসরায়েলের বিরুদ্ধে নিন্দা প্রস্তাবে ভারতের আপত্তি

india1-300x97গাজায় উত্তপ্ত পরিস্থিতির আঁঁচ পড়ল ভারতের সংসদে। গাজায় লাগাতার ইসরায়েলি হামলা নিয়ে বিরোধী দলগুলোর বিতর্কের প্রস্তাব নাকচ করে দিয়ে সরকার বলেছে, এতে ইসরায়েলের সঙ্গে ভারতের সুসম্পর্কে প্রভাব পড়তে পারে। গাজা ভূখ-ে ইসরায়েলের লাগাতার হানা নিয়ে মোদী সরকারের অবস্থান কী, সেটা খোলসা করতে বিরোধীপক্ষ সংসদে আলোচনার জন্য ক্রমাগত দাবি জানাতে থাকলে পররাষ্ট্রমন্ত্রী সুষমা স্বরাজ বলেন, সংসদে এই ইস্যু নিয়ে আলোচনা হলে ইসরায়েলের কাছে ভুল বার্তা যাবে, যেটা সরকার চায় না। তিনি বলেন, ইসরায়েলের বিরুদ্ধে কোনো নিন্দাসূচক প্রস্তাব সরকার সংসদে আনার বিরোধী। দেশের পররাষ্ট্র নীতিতে জাতীয় স্বার্থ সবার আগে। তবে ভারতের ফিলিস্তিনি নীতিতে কোনো পরিবর্তন হয়নি। স্বাধীন ফিলিস্তিনি রাষ্ট্র গঠনের প্রতি ভারতের সমর্থন আছে আগের মতোই। সেইসঙ্গে আছে ফিলিস্তিনি জনগণের প্রতি ভারতের পূর্ণ সহমর্মিতা। তার অর্থ এই নয় যে, ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক ভারত এগিয়ে নিয়ে যাবে না। কাজেই ভারতের মতে, বর্তমান গাজা সংঘর্ষ পরিস্থিতিতে সবথেকে ভালো হয় যদি মিসরের উদ্যোগে দেয়া শান্তি প্রস্তাব উভয়পক্ষ মেনে নেয়।
দিল্লির কূটনৈতিক মহল মনে করে মোদী সরকার উভয়পক্ষের সঙ্গে সম্পর্কের ক্ষেত্রে একটা ভারসাম্য আনতে চাইছে। বিজেপি সাংসদ চন্দন মিত্রের কথায়, এক পক্ষের দিকে বেশি ঝুঁকলে দেশের পররাষ্ট্র নীতিতে বিরূপ প্রভাব পড়বে। ইসরায়েলের বিরুদ্ধে নিন্দাসূচক প্রস্তাব আনার জন্য বিরোধীদের দাবি নিছক আবেগপ্রসূত।
উল্লেখ্য, বিজেপির সঙ্গে ইসরায়েলের এক বিশেষ সম্পর্ক গড়ে উঠেছিল। ২০০৬ সালে গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে মোদী ইসরায়েল সফরে গিয়ে বলেছিলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী হতে পারলে আবার তিনি ইসরায়েল যাবেন। বিজেপির শীর্ষ নেতা এল কে আদভানি ইসরায়েল গিয়েছিলেন ২০০০ সালে।
অতীতে ঐতিহাসিক সম্পর্কের প্রেক্ষিতে ফিলিস্তিনি ভূখন্ডে ইসরায়েলি হানার সঙ্গে সঙ্গে ভারত ইসরায়েলের নিন্দায় সরব হতো। কিন্তু হামাসের মতো ফিলিস্তিনি জঙ্গি সংগঠনকে ভারত কখনো সমর্থন করেনি। পাকিস্তানসহ বিশ্বের বড় বড় সন্ত্রাসী গোষ্ঠীগুলোর সঙ্গে হামাসের যোগ আছে বলে ভারতের সন্দেহ।
উল্লেখ্য, নরসিমহা রাও’র প্রধানমন্ত্রীত্বকালে তৎকালীন কংগ্রেস সরকার ইসরায়েলের সঙ্গে পূর্ণ কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপন করে ১৯৯২ সালে। ধীরে ধীরে ভারতের নিরাপত্তার খাতিরে ইসরায়েল হয়ে ওঠে ভারতের সমরাস্ত্র জোগানোর অগ্রণী দেশ। ভারত-ইসরায়েল দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক প্রসারিত হয় আর্থিক, বাণিজ্যিক এবং রাজনৈতিক স্তরে। শুধু তাই নয়, ১৯৯৮ সালে পাকিস্তানের সঙ্গে কার্গিল যুদ্ধে ভারতের পাশে দাঁড়িয়েছিল ইসরায়েল। সূত্র : ডিডব্লিউ

এ জাতীয় আরও খবর

দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ কমবে, সহজ ও নিরাপদ যোগাযোগের নতুন দ্বার উন্মোচন হল নবীনগর-বাঞ্ছারামপুর সড়ক প্রশস্তকরণ কাজের উদ্বোধন

স্বনির্ভর দেশ গড়তে গ্রামীণ অর্থনীতিতে গুরুত্ব: পানিসম্পদমন্ত্রী

রংপুর জামায়াত দখল করেছে, অভিযোগ রাশেদ খাঁনের

ইরানে দুই হামলায় যুদ্ধাপরাধের অভিযোগ যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে

শনিবার জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হচ্ছে সাড়ে ১২ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস

নভেম্বরে প্রধানমন্ত্রীর দিল্লি সফর চূড়ান্ত করতে ফের আলোচনা: দ্য হিন্দু

তৃণমূলের নাম-প্রতীক নিয়ে মমতা-ঋতব্রতকে নতুন সিদ্ধান্ত কমিশনের

জামায়াতের ৭১-এর ভূমিকা নিয়ে রাজ্জাকের বক্তব্যের গুরুত্ব তুলে ধরলেন আইনমন্ত্রী

শেখ হাসিনা কালকেই আসুন, হাতকড়া দিয়ে রিসিভ করব: বিমানমন্ত্রী

নির্যাতনের অভিযোগে দাম্পত্যে ইতি, থানায় সমঝোতায় সংগীতশিল্পী কনটেন্ট ক্রিয়েটর ইউসুফ রায়হান ও মুন্নির বিবাহ বিচ্ছেদ

আজ প্রথম প্রেম মনে করার দিন

বিশ্ব বাঁশ দিবস আজ