,

আখাউড়ায় প্রীতম খুনের মামলায় নি:স্ব একটি পরিবার

folo-upবার্তা কক্ষ:ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ার রাধানগরের প্রিয়তম ঘোষ ওরফে প্রীতম এক বছর পর ফিরে এসে প্রমান করেছে তিনি খুন হন নি। কিন্তু প্রীতম হত্যার দায় যে পরিবারটির উপর চাপানো হয়েছিল সেটি এখন নিস্ব, রিক্ত। এক বছরে পরিবারটিতে বয়ে গেছে অনেক ঝড় ঝাপ্টা।
এদিকে প্রীতম ফিরে আসাকে কেন্দ্র করে ঘটে গেছে লঙ্কাকান্ড। হামলা হয়েছে মামলার কথিত আসামী রিংকুর উপর। অবশ্য বাদী পক্ষও পাল্টা হামলার অভিযোগ এনেছে।  শনিবার সন্ধ্যা থেকে রাত পর্যন্ত এ নিয়ে দু’পক্ষের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।
গত বছরের ১ আগস্ট আখাউড়া থানায় দায়ের করা মামলায় রাকেশ কুমার ঘোষ অভিযোগ করেন, তার ছোট ভাই প্রীতমকে অপহরনের পর হত্যা করা হয়েছে। ১৭ জুলাই ভারত সীমান্ত ঘেঁষা আখাউড়ার গ্রাম হীরাপুরের ওপারে ভারত অংশ পাওয়া লাশটি তার ভাইয়ের। মামলায় রাধানগরের কৃষ্ণ ঘোষ ও তার ছেলে রিংকু ঘোষকে আসামী করা হয়। পরে মামলাটি সিআইডিতে হস্তান্তর করা হয়।
এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, বিষয়টি সামাজিকভাবে মীমাংসার জন্য মাস খানেক যাবত বাদী পক্ষ তোড়জোড় শুরু করে। কিন্তু এলাকার লোকজন এতে কোনো ভাবেই রাজি হচ্ছিলেন না। তখন থেকেই প্রীতম বেঁচে থাকার বিষয়টি স্পষ্ট হয়ে উঠতে থাকে। গত শুক্রবার রাতে প্রীতম তার বাড়ি চলে আসে।
এদিকে শনিবার সন্ধ্যায় নিজ বাড়িতে যাওয়ার সময় কথিত মামলার বাদী রাকেশ ঘোষ দলবল নিয়ে রিংকু ঘোষের উপর হামলা করে। ফেরাতে গিয়ে রিংকুর ঘুষিতে আহত হন শংকর ঘোষ নামে এক ব্যক্তি। পরবর্তীতে বিষয়টি নিয়ে শংকর ঘোষের আত্মীয় নয়ন ঘোষের সঙ্গে রিংকুর বাদানুবাদ হয়। এ সময় দু’পক্ষের সংঘর্ষে অন্তত চারজন আহ হয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে রাকেশ ঘোষের বাড়ির দিকে যেতে থাকে। এ সময় কাছেই থাকা রিংকুর উপর আবার হামলা হয়। আখাউড়া হাসপাতাল থেকে চিকিৎসা নিয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়া যাওয়ার পথে আবারও রিংকুর উপর হামলা হয়।
অবশ্য রাকেশ ঘোষের পরিবার দাবি করেছে, রিংকু দলবল নিয়ে তাদের বাড়িতে হামলা করেছে। এ সময় ঘরে ভাঙচুরের পাশাপাশি প্রীতমকে পিটিয়ে আহত করা হয়। এছাড়া পরিবারের নারী সদস্যদের উপরও হামলা করা হয়।
এদিকে এলাকাবাসী জানান, রাকেশ ঘোষের পরিবার এর আগেও একটি মিথ্যা মামলা দিয়ে আরেকটি পরিবারকে হয়রানি করে। এছাড়া তাদের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা হয়। ওই পরিবারের সদস্যরা পাল্টা মামলা করে।
এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, মিথ্যা হত্যা মামলা দায়েরের পর কৃষ্ণ ঘোষের পরিবার নিস্ব হয়ে যায়। মাসের পর মাস তারা পালিয়ে বেরিয়েছে। কৃষ্ণ ঘোষ নিজে বাড়ি থেকে মেয়ের বিয়েও দিতে পারেন নি। প্রীতম বেঁচে থাকার খবর এলাকায় চাউর হতে থাকলে কৃষ্ণ ঘোষ ও তার ছেলে রিংকু বাড়ি ফিরে আসে। এরপর থেকে তাদেরকে নানাভাবে হুমকি-ধামকি দেওয়া হয়। এমনকি এ নিয়ে বাড়াবাড়ি করলে আবারো মিথ্যা মামলায় ফাঁসিয়ে দেওয়ার হুমকি দেওয়া হয়।
কৃষ্ণ ঘোষ বলেন, ‘আমার কাছ থেকে আর্থিক সুবিধা নেওয়ার জন্যই মিথ্যা মামলা দেওয়া হয়। আমরা টাকা দিতে অপারগ হওয়ায় এখন বাধ্য হয়েই তারা প্রীতমকে এলাকায় নিয়ে এসেছে। এখন আবার আমাদের উপর নির্যাতন শুরু হয়েছে। আমি ন্যায় বিচারের জন্য আদালত ও প্রশাসনের শরণাপন্ন হব’।—সূত্র: নিউজ ব্রাহ্মণবাড়িয়া

এ জাতীয় আরও খবর

দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ কমবে, সহজ ও নিরাপদ যোগাযোগের নতুন দ্বার উন্মোচন হল নবীনগর-বাঞ্ছারামপুর সড়ক প্রশস্তকরণ কাজের উদ্বোধন

স্বনির্ভর দেশ গড়তে গ্রামীণ অর্থনীতিতে গুরুত্ব: পানিসম্পদমন্ত্রী

রংপুর জামায়াত দখল করেছে, অভিযোগ রাশেদ খাঁনের

ইরানে দুই হামলায় যুদ্ধাপরাধের অভিযোগ যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে

শনিবার জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হচ্ছে সাড়ে ১২ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস

নভেম্বরে প্রধানমন্ত্রীর দিল্লি সফর চূড়ান্ত করতে ফের আলোচনা: দ্য হিন্দু

তৃণমূলের নাম-প্রতীক নিয়ে মমতা-ঋতব্রতকে নতুন সিদ্ধান্ত কমিশনের

জামায়াতের ৭১-এর ভূমিকা নিয়ে রাজ্জাকের বক্তব্যের গুরুত্ব তুলে ধরলেন আইনমন্ত্রী

শেখ হাসিনা কালকেই আসুন, হাতকড়া দিয়ে রিসিভ করব: বিমানমন্ত্রী

নির্যাতনের অভিযোগে দাম্পত্যে ইতি, থানায় সমঝোতায় সংগীতশিল্পী কনটেন্ট ক্রিয়েটর ইউসুফ রায়হান ও মুন্নির বিবাহ বিচ্ছেদ

আজ প্রথম প্রেম মনে করার দিন

বিশ্ব বাঁশ দিবস আজ