,

ইরাকে সহযোগিতা না পাওয়ার অভিযোগ বাংলাদেশিদের

irakkkiবাংলাদেশের প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রী খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেছেন, ইরাক থেকে বাংলাদেশের শ্রমিকদের ফেরত আনার মতো পরিস্থিতি এখনও সৃষ্টি হয়নি। তবে গত কয়েকদিনে ইরাক থেকে ৮০ জনের মতো শ্রমিক নিজের খরচে দেশে ফিরেছেন। তাদের অনেকেই অভিযোগ করেছেন, তাদের কাছে অর্থ না থাকলেও সরকার বা দূতাবাস থেকে কোনো সহায়তা তাঁরা পাননি। কর্তৃপক্ষ এমন সব অভিযোগ মানতে রাজি নয়। মন্ত্রী মনে করেন, এখনও যেহেতু সরকারি উদ্যোগে ইরাক থেকে শ্রমিকদের ফেরত আনার পরিস্থিতি হয়নি তাই এখন কেউ ফেরত এলে, তাকে নিজের খরচেই আসতে হবে। ইরাক থেকে প্রথম দফায় ২৭ জন বাংলাদেশি শ্রমিক ফেরত এসেছেন পহেলা জুলাই।
দ্বিতীয় দফায় ৫১ জন ফেরত এসেছেন ৮ জুলাই। তাদের অনেকেই সংবাদ মাধ্যমে অভিযোগ করেছেন, তাদের অনেকের অর্থ না থাকায় দেশ থেকে আত্মীয় স্বজন বিমানের টিকেট পাঠানোর পর তারা ফেরত এসেছেন। তাদের একজন নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেছেন, বাগদাদে বাংলাদেশের দূতাবাসে টেলিফোনে যোগাযোগ করেছিলাম, কিন্তু তারা বলেছে, এখনও কোন খারাপ পরিস্থিতি হয়নি। ফলে দেশে ফেরত পাঠানোর ব্যাপারে এখনই সহায়তার কিছু নেই। ফলে আমরা নিজের খরচে দেশে ফিরেছি।
দুই দফায় যে শ্রমিকরা ফেরত এসেছেন, তাদের সকলেই দক্ষিণ কোরিয়ার একটি কম্পানিতে কাজ করতেন। এই কম্পানিতে বাংলাদেশেরই সাড়ে তিন হাজারের মতো শ্রমিক রয়েছেন। সেখানে এখনও কর্মরত রয়েছেন, তিনিও নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেছেন, তাদের ক্যাম্প থেকে একজনকে ধরে নিয়ে ইরাকের সরকারি বাহিনী নির্যাতন করায় তাদের মধ্যে ভয় কাজ করছে। কিন্তু তিনি নিজেও বাগদাদে বাংলাদেশ দূতাবাসে যোগাযোগ করে একটাই বক্তব্য পেয়েছেন, তা হলো, এখনো দেশে ফেরত পাঠানোর পরিস্থিতি হয়নি। অপেক্ষা করুন। ইরাকে ২০ হাজারের মতো বাংলাদেশি শ্রমিক রয়েছেন।

তাদের ফেরত আনার প্রস্তুতি তুলে ধরার পাশাপাশি যে কোন সহায়তার জন্য বাগদাদে বাংলাদেশি দূতাবাসে ২৪ ঘণ্টার জন্য টেলিফোন লাইন চালু রাখাসহ বিভিন্ন ব্যবস্থার কথা বলা হয়েছে। কিন্তু টেলিফোনেও কোনো উত্তর না পাওয়ার অভিযোগ শ্রমিকদের অনেকেই করছেন। এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন দূতাবাসের কর্মকর্তারা। তারা বলেছেন, শ্রমিকদের সাথে তারা সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখছেন। এ ছাড়া এখনও সরকারি উদ্যোগে শ্রমিকদের ফেরত পাঠানোর পরিস্থিতি হয়নি বলে তারা মনে করেন।
দূতাবাসের কর্মকর্তারা উল্লেখ করেছেন, দক্ষিণ কোরিয়ার যে কোম্পানির কিছু শ্রমিক দেশে ফেরত গেছে, রাষ্ট্রদূত ওই কম্পানিতে গিয়ে কর্তৃপক্ষের সাথে পরিস্থিতি নিয়ে বৈঠক করেছেন। প্রবাসীকল্যাণমন্ত্রী খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেছেন, ইরাক থেকে এখনো বাংলাদেশের শ্রমিকদের ফেরত আনার কোনো অবস্থাই সৃষ্টি হয়নি। কাজেই তাদের কেউ যদি নিজের উদ্যোগে ফেরত আসে, এটা স্বাভাবিক ঘটনা। কিন্তু এর আগে তিনিও যে ফেরত আনার প্রস্তুতি রাখার কথা বলেছিলেন, সে ব্যাপারে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে মন্ত্রী বলেছেন, যাদের একেবারে কোনো উপায় থাকে না, তখন তাদের ফেরত আনা হয়। সে জন্য আমরা প্রস্তুতি রেখেছি।
কিন্তু যে শ্রমিকরা নিজের খরচে ফেরত এসেছেন, তারা বিমানে টিকেট কেনার টাকা না থাকার কথা বলেছিলেন। এটা অসত্য কথা বলে মন্ত্রী মনে করেন। তিনি বলেছেন, যারা ইরাকে দক্ষিণ কোরিয়ার কম্পানির চাকরি ছেড়ে স্বেচ্ছায় দেশে ফেরত আসছেন, ওই কম্পানি তাদের সব পাওনা মিটিয়ে দিয়েছে। তিনি দাবি করেছেন, সংশ্লিষ্ট কম্পানিগুলোর সাথে বাংলাদেশের দূতাবাস সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখছে।

সূত্র :কালের কণ্ঠ

এ জাতীয় আরও খবর

দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ কমবে, সহজ ও নিরাপদ যোগাযোগের নতুন দ্বার উন্মোচন হল নবীনগর-বাঞ্ছারামপুর সড়ক প্রশস্তকরণ কাজের উদ্বোধন

স্বনির্ভর দেশ গড়তে গ্রামীণ অর্থনীতিতে গুরুত্ব: পানিসম্পদমন্ত্রী

রংপুর জামায়াত দখল করেছে, অভিযোগ রাশেদ খাঁনের

ইরানে দুই হামলায় যুদ্ধাপরাধের অভিযোগ যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে

শনিবার জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হচ্ছে সাড়ে ১২ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস

নভেম্বরে প্রধানমন্ত্রীর দিল্লি সফর চূড়ান্ত করতে ফের আলোচনা: দ্য হিন্দু

তৃণমূলের নাম-প্রতীক নিয়ে মমতা-ঋতব্রতকে নতুন সিদ্ধান্ত কমিশনের

জামায়াতের ৭১-এর ভূমিকা নিয়ে রাজ্জাকের বক্তব্যের গুরুত্ব তুলে ধরলেন আইনমন্ত্রী

শেখ হাসিনা কালকেই আসুন, হাতকড়া দিয়ে রিসিভ করব: বিমানমন্ত্রী

নির্যাতনের অভিযোগে দাম্পত্যে ইতি, থানায় সমঝোতায় সংগীতশিল্পী কনটেন্ট ক্রিয়েটর ইউসুফ রায়হান ও মুন্নির বিবাহ বিচ্ছেদ

আজ প্রথম প্রেম মনে করার দিন

বিশ্ব বাঁশ দিবস আজ