,

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কৃষকরা দুঃসাহসিক

riceee॥ মোঃ রাসেল মিয়া ॥ ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার কৃষক সমাজ দুঃসাহসিক পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। এই জেলার তুলনামূলক উচ্চ জমির কৃষকগণ চলতি ইরি বোরো মওসুম শেষে ধান গোলায় তুলার পর আমন আউসের অপেক্ষায় না থেকে অধিক ফসলের আশায় আবারো ইরি রোপন করেছে। চৈত্র মাসে ইরি ধান কর্তন শেষ হওয়ার সাথে সাথে বীজতলা সৃষ্টি করে ফেলে। আবহাওয়া অনুকুলে থাকায় বন্যা কিংবা অতি বর্ষার আশংকা নেই মনে করে কৃষকরা অতিরিক্ত হিসেবে ইরি ধানের চারা রোপন করে ফেলেছে। সদর উপজেলার নরসিংসার, কালিসীমা, পৈরতলা, তারুয়া, খাকচাইল, বড় হরণ, নাটাই, বিরাসার, অষ্টগ্রাম, আন্দিদিল, নাওঘাট, পুথাই, পশ্চিমাঞ্চলের বড়াইল, চিলিকুট, সাদেকপুর, খোলাপাড়া, দক্ষিণাঞ্চলের মাছিহাতা, চান্দপুর, উরশিউড়া, রামরাইল, সুলতানপুর, বিজেশ্বর, উলচাপাড়া এলাকার শতশত কৃষক বিআর ২৮ বিআর ২৯ চারা রোপন করেছে। সরেজমিনে দেখতে গিয়ে কৃষকের সাথে কথা বলে জানা যায়, যদি বন্যা না হয় তা হলে প্রতি কানি জমিতে ২০ মন ধান হবে। এই ধানের চারা রোপন থেকে কর্তন পর্যন্ত আগের ফসলের অর্ধেক উৎপাদন ব্যয় হবে। দ্বিতীয় বার প্রতি কানি খরচ হচ্ছে প্রায় ৫ হাজার টাকা উৎপাদন হবে ২০ মন ধান। ব্যয় কম হওয়ার কারণ হলো এই ফসলে সেচ সুবিধা লাগছে না। জমি তৈরীতে আগাছার জামেলা নেই। এই রোপিত চারাগুলোতে উৎপাদিত ধান শ্রাবণ মাসে কর্তন করা হবে। যে সকল কৃষক বন্যার ভয়ে ইরি রোপন করেনি জমি দেখে তারা আফসোস করছে। এই অতিরিক্ত ফসলটি কৃষক ঘরে তুলতে পারলে আগামীতে শতভাগ কৃষক ইরি চাষ করবে।

এ জাতীয় আরও খবর

২৩তম রাষ্ট্রপতি হতে যাচ্ছেন মির্জা ফখরুল

কোকোর জন্মদিনে কবর জিয়ারত ও আলোচনা সভা

বায়ুদূষণে শীর্ষে লাহোর, ঢাকার অবস্থান ২৭

বিমানবন্দরে আগুন, তদন্তে বারবার অব্যবস্থাপনার চিত্র

মির্জা আব্বাস কবে ফিরবেন সংসদে, চট্টগ্রাম-৪ আসনে কী হবে

৩১২ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে একজনও পাস করেনি

হাসিনা ও হা‌দির হত্যাকারীদের প্রত্যার্পনের অনুরোধ করেছে বাংলাদেশ : পররাষ্ট্রমন্ত্রী খ‌লিলুর রহমা‌ন

প্রস্তুতি ম্যাচ দিয়ে বাংলাদেশকে বিচার করতে নারাজ হেড

৩১ বছরের অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে চ্যাম্পিয়ন ব্রাজিল

বাবাকে শেষ বিদায় জানালেন মেসি

সৌদিতে সোফা কারখানায় অগ্নিকাণ্ডে নিহত ১৬ জনই বাংলাদেশি

রিয়াদে সোফা কারখানায় আগুন, নিহত ১৬ বাংলাদেশি