,

বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক মজবুতে জোর চীনা প্রেসিডেন্টের

PM+PIC+1775বাংলাদেশের সঙ্গে কৌশলগত সম্পর্ক আরো জোরদারের কথা শেখ হাসিনাকে বলেছেন চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং।

সফরের পঞ্চম দিন মঙ্গলবার চীনের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে বৈঠক করেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী। গ্রেট হল অফ পিপলসে শেখ হাসিনা পৌঁছলে করিডোরে এসে তাকে স্বাগত জানান শি জিনপিং। বৈঠক শেষে পররাষ্ট্র সচিব মো. শহীদুল হক সাংবাদিকদের বলেন, অত্যন্ত সৌহাদ্যপূর্ণ পরিবেশে আলোচনা হয়েছে।

“চীনের প্রেসিডেন্ট বলেছেন, দুই দেশের সম্পর্ক আরো অনেকদূর এগুবে। তিনি বলেছেন, বাংলাদেশ ভারত মহাসাগরে একটি গুরুত্বপূর্ণ দেশ। উনারা মনে করেন, বাংলাদেশ ও চীনের সম্পর্ক একটি কৌশলগত সম্পর্ক।ওই উদ্দেশ্যেই চীনের সরকার কাজ করে যাবে।”

সামরিক সহযোগিতা নিয়ে সন্তুষ্টির কথা জানিয়ে দুই দেশের সশস্ত্র বাহিনীর মধ্যে কৌশলগত সম্পর্ক আরো গাঢ় হবে বলেও আশা প্রকাশ করেন চীনের প্রেসিডেন্ট।

বাংলাদেশ ও চীনের সম্পর্ক ঐতিহাসিক মন্তব্য করে শি জিনপিং ১৯৫২ সালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের চীন সফরের কথাও তুলে ধরেন বলে পররাষ্ট্র সচিব জানান। চীনের প্রেসিডেন্ট বাণিজ্য ঘাটতি পূরণের জন্য বাংলাদেশ থেকে পাট ও পাটজাত পণ্য আমদানির কথাও বলেন বলে শহীদুল হক জানান।

বাংলাদেশের কৃষি খাতের উন্নয়নে সুপার হাইব্রিড ধান উৎপাদনে বিনা শর্তে সহায়তা দেয়ার আশ্বাসও  দিয়েছেন চীনের প্রেসিডেন্ট।

পররাষ্ট্র সচিব বলেন, শেখ হাসিনাকে চীনের জনগণের ‘পুরনো বন্ধু’ অভিহিত করে বাংলাদেশকে ঘনিষ্ঠ ও বন্ধুপ্রতিম প্রতিবেশী দেশ হিসেবেও উল্লেখ করেন শি জিনপিং।

চীনের প্রেসিডেন্ট বলেন, ২০২১ সালে মধ্য আয়ের দেশে পরিণত হতে বাংলাদেশ যে স্বপ্ন দেখছে, চীনও তেমনি ২০২০ সালের মধ্যে শান্তিপূর্ণ ও সমৃদ্ধশালী দেশের স্বপ্ন দেখছে। এজন্য দুই দেশ পরস্পরকে সহযোগিতা করতে পারে।

কমিউনিস্ট দেশ চীনের প্রেসিডেন্ট বলেছেন, বিভিন্ন দেশে বিভিন্ন ধরনের গণতন্ত্রের ‘মডেল’ থাকে। কেউ যদি মনে করে গণতন্ত্রের স্ট্যান্ডার্ড মডেল আছে- তাহলে তা ঠিক নয়।পরিস্থিতি ও পরিবেশ বুঝেই গণতন্ত্র হবে।

চীন শান্তিপূর্ণ উন্নয়নে বিশ্বাস করে এবং প্রতিবেশীদের উন্নয়নেও বিশ্বাস করে বলে শেখ হাসিনাকে বলেছেন জিনপিং।

চীনের প্রেসিডেন্ট তাদের নতুন উদ্যোগ ‘সিল্ক রুট ইকোনমিক বেল্ট অ্যান্ড টোয়েন্টি ফার্স্ট সেঞ্চুরি মেরিটাইম সিল্ক রুট’ এর কথা প্রধানমন্ত্রীর কাছে তুলে ধরেন। এই পথ চীন থেকে শুরু হয়ে বাংলাদেশ-ভারত হয়ে আফ্রিকা পর্যন্ত যাবে।

“আমাদের প্রধানমন্ত্রী এই উদোগের জন্য চীনের প্রেসিডেন্টকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন,” বলেন পররাষ্ট্র সচিব।

চীনের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ছিলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ এইচ মাহমুদ আলী, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম, প্রধানমন্ত্রী প্রেসসচিব এ এইচ এম শামীম চৌধুরী প্রমুখ।

প্রধানমন্ত্রী মঙ্গলবার গণচীনের পিপলস পলিটিক্যাল কনসালটেটিভ কনফারেন্সের সভাপতি উ ঝেনশেংয়ের সঙ্গেও বৈঠক করেন।

গ্রেট হল অফ পিপলসে ওই বৈঠকে উ ঝেনশেং পিপলস পলিটিক্যাল কনসালটেটিভ কনফারেন্সের কাঠামো ও কর্মপদ্ধতি প্রধানমন্ত্রীর কাছে তুলে ধরেন বলে পররাষ্ট্র সচিব শহীদুল হক জানান।

তিনি বলেন, এই ফোরামে চীনের কমিউনিস্ট পার্টি এবং পার্টিবহির্ভূত সদস্যেরা সরকারের নীতি এবং অন্যান্য নীতি-নির্ধারণী বিষয় নিয়ে আলোচনা করে সরকারকে জানায়।

শহীদুল হক বলেন, বাংলাদেশের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক উন্নয়নের প্রশংসা করেছেন ঝেনশেং। তিনি বলেছেন, শেখ হাসিনার নেতৃত্বেই বাংলাদেশ এগিয়ে যাবে।

এ জাতীয় আরও খবর

দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ কমবে, সহজ ও নিরাপদ যোগাযোগের নতুন দ্বার উন্মোচন হল নবীনগর-বাঞ্ছারামপুর সড়ক প্রশস্তকরণ কাজের উদ্বোধন

স্বনির্ভর দেশ গড়তে গ্রামীণ অর্থনীতিতে গুরুত্ব: পানিসম্পদমন্ত্রী

রংপুর জামায়াত দখল করেছে, অভিযোগ রাশেদ খাঁনের

ইরানে দুই হামলায় যুদ্ধাপরাধের অভিযোগ যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে

শনিবার জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হচ্ছে সাড়ে ১২ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস

নভেম্বরে প্রধানমন্ত্রীর দিল্লি সফর চূড়ান্ত করতে ফের আলোচনা: দ্য হিন্দু

তৃণমূলের নাম-প্রতীক নিয়ে মমতা-ঋতব্রতকে নতুন সিদ্ধান্ত কমিশনের

জামায়াতের ৭১-এর ভূমিকা নিয়ে রাজ্জাকের বক্তব্যের গুরুত্ব তুলে ধরলেন আইনমন্ত্রী

শেখ হাসিনা কালকেই আসুন, হাতকড়া দিয়ে রিসিভ করব: বিমানমন্ত্রী

নির্যাতনের অভিযোগে দাম্পত্যে ইতি, থানায় সমঝোতায় সংগীতশিল্পী কনটেন্ট ক্রিয়েটর ইউসুফ রায়হান ও মুন্নির বিবাহ বিচ্ছেদ

আজ প্রথম প্রেম মনে করার দিন

বিশ্ব বাঁশ দিবস আজ