,

কসবায় অপহরন মামলা সাজিয়ে অন্যকে ফাসাতে গিয়ে নিজেই ফেসে গেলেন

aniomকসবা (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি:নিজের শিশু পুত্রকে নিজের হেফাজতে রেখে অপহরন মামলা সাজিয়ে অন্যকে ফাসাতে গিয়ে নিজেই ফেসে গেলেন জামাল হোসেন নামের এক ব্যক্তি। ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা থানা পুলিশ কথিত অপহৃত শিশু আবু বক্করকে ময়মনসিংহের নান্দাই্ল থেকে গত  রোববার (১১ মে) রাতে বাদীর কাছ থেকে উদ্ধার করায় এ তথ্য বেরিয়ে আসে। 
কথিত অপহৃত আবু বক্কর (৪), মামলার বাদী জামাল হোসেনকে গতকাল সোমবার (১২ মে) সকালে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জৈষ্ঠ বিচারিক হাকিমের আদালতে পাঠিয়েছে পুলিশ। 
জামাল হোসেন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া উপজেলার ধরখার ইউনিয়নের ছতুরাশরীফ গ্রামের আবু লাল মিয়ার পুত্র। তার দুই স্ত্রী রয়েছে। 
আদালত ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে; জামাল হোসেন গত ২৫ মার্চ ব্রাহ্মণবাড়িয়ার জৈষ্ঠ বিচারিক হাকিমের ১ম আদালতের বিচারক মোহাম্মদ সাইফুর রহমান সিদ্দিক এর কাছে অভিযোগ করেছেন তার দ্বিতীয় স্ত্রীর শিশুপুত্র আবু বক্করকে গত ১৮ মার্চ তার প্রথম স্ত্রীর বাবার বাড়ি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলার বিনাউটি ইউনিয়নের চকচন্দ্রপুর গ্রামে বেড়াতে আসে। সেখান থেকে তার আতœীয়  কসবা উপজেলার খাড়েরা গ্রামের কবির হোসেন (৩৫)সহ ৫ ব্যক্তি অপহরন করে তার কাছে ২ লক্ষ টাকা মুক্তিপণ দাবী করেছে। 
বিচারক মোহাম্মদ সাইফুর রহমান সিদ্দিক ওই দিনই মামলাটি পিটিশান মামলা হিসাবে অর্ন্তভুক্ত করে কসবা থানার ওসিকে সরেজমিনে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার নির্দেশ দেন। 
কসবা থানা পুলিশ শিশুটির অবস্থানের খবর পেয়ে গত রোববার (১১ মে) রাতে ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজেলার ষ্টেশন রোডের সুরুজ আলী বাড়িতে বাদীর কাছ থেকে কথিত অপহৃত শিশু আবু বক্কর ও তার বাবা মামলার বাদী জামাল হোসেনকে কসবা থানায় নিয়ে আসে।
খোজঁ নিয়ে জানা গেছে; কবির হোসেন কসবা উপজেলার খাড়েরা গ্রামের আবুল হাসেমের পুত্র। তিমি জামাল মিয়া প্রথম স্ত্রীর ভগ্নিপতি। তার সাথে জামাল মিয়া ও প্রথম শশুড় বাড়ির দ্বন্ধ চলে আসছে। তাকে ফাসাঁতে তার দ্বিতীয় স্ত্রী পুত্র আবু বক্করকে দিয়ে মিথ্যা মামলা সাজিয়ে ফাঁসাতে চেয়েছিল।  
     তবে জামাল মিয়া বলেন; তিনি লেখাপড়া জানেন না, তার আগের স্ত্রী মেয়ের জামাই সোহাগ মিয়া ও তার স্ত্রী বড় ভাই জাহাঙ্গীর মিয়া তাকে দিয়ে মিথ্যা মামলা করিয়েছেন। তিনি অপহরনের বিষয়ে কিছুই জানি না। আদালতে গিয়ে কিভাবে মামলা করলেন জানতে চাইলে তিনি বলেন; আমাকে স্বাক্ষর দিতে বলেছে আমি স্বাক্ষর দিয়েছি। আর কিছুই বলতে পারি না। 
কসবা থানার উপ-পরিদর্শক (এস.আই) প্রেমধন মজুমদার বলেন; কবির মিয়াকে ফাসাঁতে জামাল মিয়া মিথ্যা মামলা সাজিয়েছে।   আদলতের নির্দেশে অপহৃত আবু বক্কর (৪)কে তার পিতা জামাল মিয়া মামলার বাদীর হেফাজতে তার দ্বিতীয় স্ত্রী বাসা ময়মনসিংহের নান্দাইল থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। 
কসবা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মিজানুর রহমান বলেন; মামলায় শিশুটির বয়স ৬ বছর লেখা হলেও তার বয়স ৪ বছর হবে। সে কোন কথা বলতে পারে না। বাদীর কাছ থেকে শিশুটিকে উদ্ধার করা হয়েছে। শিশুটিসহ মামলার বাদীকে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। বিজ্ঞ আদালতকে বিষয়টি লিখিত ভাবে অবহিত করা হয়েছে। আদালত পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেবে। 

এ জাতীয় আরও খবর

মোহাম্মদপুর গৃহায়ণ প্রকল্পে অনিয়ম, ফ্ল্যাট বরাদ্দের তথ্য উন্মোচন

৮ ঘণ্টা গ্যাস থাকবে না ঢাকার যেসব এলাকায়

এনজিও ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান হলেন খোন্দকার মোরতাজুল করিম

সংকট সমাধানে দরকার রাজনৈতিক উদ্যোগ

ইরানের সঙ্গে আলোচনায় ‘উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি’ হয়েছে: পাকিস্তান

ম্যারাডোনার মামলায় চিকিৎসা পরীক্ষার ফল নিয়ে ভুল স্বীকার

ইরানের রাষ্ট্রীয় প্রচারমাধ্যমে ট্রাম্পপুত্র ব্যারনকে হত্যার হুমকি

সংসদ অধিবেশন ঘিরে ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় সভা-সমাবেশ নিষিদ্ধ

ঢাকার পানি সংকট মোকাবিলায় ভূমিকা রাখবে ডেনমার্ক: এলজিআরডি মন্ত্রী

ইরান যুদ্ধ নিয়ে মার্কিন জনসমর্থন কমেছে, রেকর্ড নিম্নে ট্রাম্পের জনপ্রিয়তা

বাংলাদেশের সংস্কার প্রক্রিয়ায় সহযোগিতা করবে ইউএনডিপি

দেশে সারের সংকট নেই, পর্যাপ্ত মজুদ আছে