,

ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি চায় বাংলাদেশ

bd cr-2 ২০১২ সালের ১৬ মার্চ। একাদশ এশিয়া কাপের চতুর্থ ম্যাচ। মুখোমুখি বাংলাদেশ-ভারত। বাংলাদেশের অধিনায়ক মুশফিকুর রহিম টসে জয়লাভ করেন। কিন্তু ফিল্ডিং করার সিদ্ধান্ত নেন।

টস হেরে ব্যাট করতে নামে ভারত। কিংবদন্তি ব্যাটসম্যান শচীন টেন্ডুলকারের সেঞ্চুরির সেঞ্চুরি, বিরাট কোহলির ৬৬ এবং সুরেশ রায়নার ৫১ রানে ভর করে ২৮৯ রানের বিশাল সংগ্রহ দাঁড় করায় ভারত।

সবাই ধরেই নিয়েছিল বিশ্বসেরা ভারত জিতে যাবে। কিন্তু সেদিন টাইগারা বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন ভারতের বিপক্ষে ৪ বল হাতে রেখেই লড়াকু এক জয় তুলে নেয়।

২৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৪। দ্বাদশ এশিয়া কাপের দ্বিতীয় ম্যাচ। আবার মুখোমুখি বাংলাদেশ-ভারত। এবার হবে কি ২০১২ সালের পুনরাবৃত্তি? আবারও কি টাইগাররা গর্জন তুলে ছিনিয়ে নেবে জয়?

সেটা সময়ই বলে দেবে। কিন্তু পরিসংখ্যান কিন্তু ভারতের পক্ষেই কথা বলছে। ১৯৮৮-২০১২ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশ প্রতিবেশী দেশ ভারতের সঙ্গে ২৪টি ওয়ানডে ম্যাচ খেলেছে। তার মধ্যে বাংলাদেশ জয় পেয়েছে মাত্র তিনটিতে। আর ভারত জয় পেয়েছে ২১টিতে।

কিন্তু সময় বদলেছে। আজ টাইগাররা হারিয়ে দিতে পারে বিশ্বের যেকোনো দলকে। আজও খান সাহেব ওসমান আলী ক্রিকেট স্টেডিয়ামে খেলা দেখতে আসা হাজার হাজার দর্শক এবং বাংলাদেশে ও দেশের বাইরে নানান প্রান্তে টিভি সেটের সামনে বসা টাইগার ভক্তরা চাইবেন আরেকবার ফিরে আসুক ভারত-বধের ইতিহাস, অর্জিত হোক আরো একটি লড়াকু জয়।

জয় ভিন্ন অন্য কিছু চিন্তা করছেন না মাশরাফি বিন মুর্তজাও। তিনি বলেছেন, ‘ভারতকে হারানোটা অস্বাভাবিক কিছু নয়। এর আগেও তাদের আমরা হারিয়েছি। ওরা দক্ষিণ আফ্রিকা এবং নিউজিল্যান্ডে ভিন্ন উইকেটে খেলেছিল। কিন্তু উপমহাদেশে ওরা ভালো খেলে। ওদের হারাতে হলে আমাদের সেরা ক্রিকেট খেলতে হবে। আশা করছি আমরা সেরা রূপেই ফিরব।’

এদিকে বাংলাদেশকে সমীহ করছেন ভারতের উইকেটরক্ষক ব্যাটসম্যান দিনেশ কার্তিকও, ‘অবশ্যই এটি আমাদের সবার কাছেই একটি বড় টুর্নামেন্ট। দলের প্রত্যেক তরুণ খেলোয়াড়ই নিজেদের সেরাটা দেওয়ার জন্য উদগ্রীব হয়ে আছে। আমরা এখন মাঠে নিজেদের সেরাটা দেওয়ার অপেক্ষায়। আপনারা সবাই জানেন ওয়ানডেতে বাংলাদেশ খুব ভালো দল। তারা শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে সিরিজও খেলেছে। অবশ্যই তারা তাদের সেরাটাই খেলার চেষ্টা করবে। ইন্ডিয়াকে নতুনভাবে তুলে ধরতে এটা আমাদের কাছে বড় একটি সুযোগ। অবশ্যই তামিম ও সাকিব দুজনই বাংলাদেশ ক্রিকেটের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। আমার মনে হয় ওদের অভাব বাংলাদেশ ফিল করবে। তবে এটা খেলারই একটা অংশ।’

হাইভোল্টেজ আজকের এই ম্যাচকে সামনে রেখে দলে নেই ২০১২ সালে ভারতের বিপক্ষে জয়ের কারিগর তামিম ইকবাল। ইনজুরির কারণে তিনি খেলতে পারছেন না। নেই আরেক জয়ের তারকা সাকিব আল হাসানও। নিষেধাজ্ঞার কারণে তিনি ভারত ও আফগানিস্তানের বিপক্ষে খেলতে পারছেন না।

এদিকে ভারত দলে নেই ২০১২ এশিয়া কাপে টিম ইন্ডিয়াকে নেতৃত্ব দেওয়া মহেন্দ্র্র সিং ধোনি। নেই শচীনও। যিনি সব ধরনের ক্রিকেট থেকে অবসর নিয়েছেন। দ্বাদশ এশিয়া কাপ তাকেও মিস করবে।

প্রায় দুই বছর পরে আবার মুখোমুখি ভারত-বাংলাদেশ। নতুন একটা দিন। নতুন মাঠ। নতুন একটি টুর্নামেন্ট। চেনাজানা পরিবেশ। কোটি কোটি টাইগার ভক্ত অপেক্ষায় নতুন একটি জয়ের। যে জয়ের অপেক্ষায় গোটা বাংলাদেশ। ইতিহাসের পুনরাবৃত্তির প্রত্যাশায় জয়তু বাংলাদেশ। –

এ জাতীয় আরও খবর

সাবেক স্ত্রীসহ তিনজনের বিরুদ্ধে হিরো আলমের মামলা

আসিফের কণ্ঠে মাহবুবুল খালিদের নতুন গান ‘সখি তুই কি তেল মাখিস চুলে’

ধারাভাষ্য দল থেকে বাদ আথারটন-হুসেইন

জামায়াত আমিরের সঙ্গে পাকিস্তানের হাইকমিশনারের বৈঠক

অ্যাপল গ্লোবাল টেলের এমডি-চেয়ারম্যানের ২২ বছরের কারাদণ্ড

জামায়াত রাজনৈতিক দল নয়, একটি সমিতি: বিএনপি নেতা খোকন তালুকদার

ভারতজুড়ে বাংলাদেশের মতো অস্থিরতা সৃষ্টির অভিযোগ শুভেন্দুর

ডেঙ্গুতে আরও ৪ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১,৮৫১

মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রীর পদ ছাড়ার ঘোষণা ইশরাকের

রাষ্ট্রায়ত্ত তিন ব্যাংকের এমডিদের চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ বাতিল

নিজের সন্তানের ভবিষ্যতের জন্য ঢাকা পরিচ্ছন্ন রাখুন: প্রধানমন্ত্রী

সৌদিতে দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড, রায়ের কপি চেয়েছে ঢাকা