,

জিএসপি ফিরে পেতে আরও পদক্ষেপ নিতে হবে: মজীনা

52f1eca06fd88-51cc4674a812b-imagesঢাকায় নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ড্যান ডব্লিউ মজীনা বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রে অগ্রাধিকারমূলক বাজারসুবিধা (জিএসপি) ফিরে পেতে বাংলাদেশকে আরও কিছু পদক্ষেপ নিতে হবে।

আজ বুধবার সকালে বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদের সঙ্গে সচিবালয়ের তাঁর দপ্তরে আলোচনা শেষে মজীনা সাংবাদিকদের কাছে এ মন্তব্য করেন।

আলোচনার পর তোফায়েল আহমেদ সাংবাদিকদের কাছে আশা প্রকাশ করেন, বাংলাদেশ যুক্তরাষ্ট্রে জিএসপি ফিরে পাবে।

ড্যান মজিনা বলেন, বাণিজ্যমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে জিএসপি ছাড়াও বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সহযোগিতা ফোরাম চুক্তি (টিকফা) ও দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বাড়ানোর বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে।

বাংলাদেশে জিএসপি পুনর্বহালের বিষয়ে জানতে চাইলে মার্কিন রাষ্ট্রদূত বলেন, জিএসপি ফিরে পাওয়ার ব্যাপারে ১৬ দফা কর্মপরিকল্পনা গৃহীত হয়েছে। ইতিমধ্যে বাংলাদেশ কর্মপরিবেশের উন্নয়নে বেশ কিছু পদক্ষেপ নিয়েছে। আগামী ১৫ এপ্রিলের মধ্যে বাকি শর্তগুলো পূরণের জন্য বাংলাদেশকে আরও বেশ কিছু পদক্ষেপ নিতে হবে। বাংলাদেশের জিএসপি পুনর্বহালের বিষয়টি নিয়ে আগামী মে মাসে ওয়াশিংটনে পর্যালোচনা করা হবে।

টিকফা প্রসঙ্গে মজীনা বলেন, দেশের বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বাড়াতে এ চুক্তিটি সই করা হয়েছে। ৩০ জানুয়ারি থেকে তা কার্যকর হয়েছে। টিকফার প্রথম বৈঠক আগামী ৬ এপ্রিল ঢাকায় অনুষ্ঠিত হবে। বৈঠকে দুই পক্ষই জিএসপি, কারখানা ও কর্মপরিবেশের নিরাপত্তা, কারখানায় অগ্নিকাণ্ড প্রতিরোধ, শ্রমিকদের সংগঠিত হওয়ার অধিকারসহ সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা করবে।

তোফায়েল আহমেদ বলেন, আসন্ন টিকফার বৈঠকে বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার সম্মেলনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী শুল্কমুক্ত ও কোটামুক্ত সুবিধা পাওয়ার বিষয়টির ওপর বাংলাদেশ অগ্রাধিকার দেবে।

উল্লেখ্য, সম্প্রতি বালিতে শেষ হওয়া বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার সম্মেলনে আগামী দুই বছরের মধ্যে স্বল্পোন্নত দেশগুলোকে শুল্কমুক্ত ও কোটামুক্ত সুবিধা দেওয়ার কথা বলা হয়েছে।

বাণিজ্যমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ ছাড়াও বাংলাদেশের চলমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়েও আলোচনা হয়েছে বলে জানান মার্কিন রাষ্ট্রদূত। তিনি বলেন, ‘নির্বাচনের পরদিন, অর্থাত্ ৬ জানুয়ারি মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর থেকে দেওয়া বিবৃতির ব্যাপারে বাণিজ্যমন্ত্রীর কাছে যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান স্পষ্ট করেছি। রাজনৈতিক সমস্যা সমাধানে সংলাপের ওপর গুরুত্ব আরোপ করেছি।’

এ ব্যাপারে তোফায়েল আহমেদ বলেন, ‘আমরা সংলাপের  বিরোধী নই। তবে বিএনপির নেতৃত্বাধীন ১৯-দলীয় জোট যখন বর্তমান সরকারকে অবৈধ আখ্যায়িত করার চেষ্টা করে, তখন তো আর সংলাপের সুযোগ থাকে না।’

সংলাপের বিষয়ে বিদেশিদের পক্ষ থেকে কোনো চাপ আছে কি না—জানতে চাইলে তোফায়েল আহমেদ বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকারের ওপর বিদেশি কোনো দেশের কোনো রকম চাপ নেই। বিভিন্ন দেশ এখন উপলব্ধি করতে পেরেছে, নির্বাচনের কোনো বিকল্প ছিল না। নির্বাচন সংবিধান অনুযায়ীই হয়েছে।

সংলাপ কবে হবে—জানাতে চাইলে মজীনা বলেন, এটা বলা খুব মুশকিল। 

এ জাতীয় আরও খবর

‘প্লেয়ার্স বাই চয়েজে’ সমাধান! সম্মানজনক পারিশ্রমিক দাবি ক্রিকেটারদের

মাতৃত্বের পর শরীর নিয়ে কটাক্ষ, এবার মুখ খুললেন ক্যাটরিনা

একাদশে ভর্তি থেকে ছিটকে পড়লো ১ লাখ ২৭ হাজার শিক্ষার্থী

এবার গুলশানের এডিসিসহ চার কর্মকর্তাকে বদলি

নতুন পে-স্কেলের সুবিধা পাবেন না যারা

আল্লাহর কসম, এই দাবিগুলো দলের নয়, জনগণের: জামায়াত আমির

ডেঙ্গুর থাবা সারাদেশে, রেহাই পাচ্ছে না শিশুরাও

মুন্সীগঞ্জে বাস-প্রাইভেটকার সংঘর্ষে নিহত ৪

প্রয়োজনে জীবন দেব, দাবি আদায় না করে ঘরে ফিরব না : শফিকুর রহমান

রাজধানীতে ৩ বাসে আগুন

অপ্রতিম হত্যা: সিসিটিভির সূত্রে ৩ জন আটক

এসডিজি অর্জনে বিশ্বনেতাদের ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর