,

সরাইলে ‘হিলিপ প্রকল্প’ নিয়ে যা হচ্ছে !

sorailব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলে ‘হাওর অঞ্চলের অবকাঠামো ও জীবনমান উন্নয়ন প্রকল্প’ (হিলিপ) বাস্তবায়নে অনিয়মের পাঁয়তারার পাল্টাপাল্টি অভিযোগ পাওয়া গেছে। প্রকল্প বাস্তবায়নকারি সংস্থা ও প্রথম দিকে কাজ তদারকির দায়িত্ব পাওয়া লোকজন পাল্টাপাল্টি এ অভিযোগ তুলেছেন। প্রকল্প বাস্তবায়নকারিরা অভিযোগ করেছেন, প্রথমদিকে তদারকির দায়িত্ব পাওয়া কমিটির সভাপতি ও সম্পাদকরা অসহযোগিতা করায় নতুন করে কমিটি গঠন করে দেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে প্রথমদিকে কাজের দায়িত্ব পাওয়া কমিটির লোকজন অভিযোগ করেছেন, সংশ্লিষ্টরা নিজেরা মালামাল ক্রয় করতে ব্যাঙ্ক থেকে টাকা উত্তোলন করে দিতে বলেন। এতে রাজি না হওয়ায় রাতারাতি পছন্দের লোককে দিয়ে নতুন কমিটি করা হয়েছে। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, হাওর অঞ্চলের অবকাঠামো ও জীবনমান উন্নয়ন প্রকল্পের (হিলিপ) আওতায় সরাইল উপজেলার কালীকচ্ছ ইউনিয়নের চাঁনপুর-গলানিয়া রাস্তার প্রায় এক কিলোমিটার উন্নয়ন কাজের জন্য ৮১ লাখ ৪৭ হাজার টাকা বরাদ্দ হয়। যৌথভাবে প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে এলজিইডি ও হিলিপ প্রজেক্ট। প্রথম কিস্তির কাজের জন্য ব্যয় ধরা হয় ৩১ লাখ টাকা। নিয়ম অনুসারে প্রকল্পটি টেন্ডারের বদলে সংশ্লিষ্ট ইউনিয়নের অধিবাসীদের নিয়ে করতে হবে। সেই লক্ষ্যে  স্থানীয়দের নিয়ে আটটি কমিটি করা হয় যার প্রত্যেকটিতে ১৫ জন সদস্য। সকল সদস্যের মতামতের ভিত্তিতে সভাপতি ও সম্পাদক নির্বাচিত হয়। প্রত্যেক কমিটির সভাপতি ও সম্পাদকের যৌথ স্বাক্ষরে ব্যাংক হিসাব খোলার পর তাতে টাকা জমা হয়। কালীকচ্ছ এলাকার বাসিন্দা ও একটি কমিটির সভাপতি মো. কালন মিয়া জানান, গত বছরের ১৬ নভেম্বর সকল কমিটির সভাপতি ও সম্পাদকের সাথে ৩০০ টাকার ষ্ট্যাম্পে চুক্তি স্বাক্ষর করেন প্রকল্পের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা। প্রকল্প কাজের জন্য প্রথম কিস্তি বাবদ চলতি বছরের ৯ জানুয়ারি জনতা ব্যাংক সরাইল শাখায় প্রত্যেক কমিটির সভাপতি ও সম্পাদকের অনুকুলে টাকাও জমা হয়। তিনি অভিযোগ করেন, একাউন্টের বিপরীতে দেওয়া চেক বই রেখে দেন সংশ্লিষ্টরা। হঠাৎ করে একদিন তাঁদেরকে জানানো হয় ব্যাঙ্কে গিয়ে স্বাক্ষর দিয়ে টাকা তুলে দিতে। বলা হয়, প্রকল্প সংশ্লিষ্টরাই ওই টাকা দিয়ে মালামাল কিনবে। এতে রাজি না হওয়ায় তাঁদেরকে বাদ দিয়ে এখন নতুন কমিটি গঠন করা হয়েছে। অর্থ লুট করতেই পছন্দের লোকদেরকে সভাপতি-সম্পাদক করা হয়েছে। হিলিপ প্রকল্পের কো-অর্ডিনেটর চিত্রা বসু রবিবার দুপুরে মোবাইল ফোনে সাংবাদিকদের বলেন, প্রকল্পকাজের জন্য আগে গঠন করা কমিটিগুলোর সভাপতি ও সম্পাদক মনে করছিলেন টাকাগুলো সব তাঁদের নিজের। তাঁদের ইচ্ছা মতো সব করতে চেয়েছিলেন তাঁরা। তাই অন্যসব সদস্যদের মতামত নিয়েই তাঁদেরকে বাদ দিয়ে নতুন সভাপতি, সম্পাদক নিয়োগ করা হয়েছে। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘শুনেছি তাঁরা সাংবাদিকদের কাছে গিয়ে এগুলো বলছেন। তাঁরা যা বলছে সব মিথ্যা। আমাদের যতটুকু প্রয়োজন ততটুকু টাকা তুলে সবাইকে নিয়েই মালামাল ক্রয় করব। আগে আমরা অফিসিয়াললি গিয়ে মালামালের দাম দেখব। সভাপতি-সম্পাদকেরা যদি এর চেয়ে কম দরে কোথাও মালামাল পান তাহলে সেখান থেকে আমরা আনব। আগের কমিটির লোকজন চেয়েছিলেন পছন্দের ঠিকাদারদের দিয়ে কাজটি সারিয়ে ফেলবেন’। 

এ জাতীয় আরও খবর

বিতর্কের জেরে সরানো হলো মেহজাবীন-পরীমণির ভুয়া ভিডিও

দিল্লিতে বিক্ষোভ ঘিরে ২৫ হাজার পুলিশ মোতায়েনের প্রস্তুতি

দুর্গাপূজা বাঙালির অসাম্প্রদায়িক চেতনার প্রতীক: জি এম কাদের

সেরা তরুণদের জাতিসংঘে পাঠাতে সহযোগিতা করবে সরকার

ভারত থেকে দেশে পৌঁছাল উন্নত প্রযুক্তির ১৮ রেলকোচ

রাষ্ট্রদ্রোহ মামলায় রিমান্ড শেষে কারাগারে দুই অবসরপ্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তা

দুই মাস পর বড়পুকুরিয়া খনিতে আবারও কয়লা উত্তোলন শুরু

‘নুর হাসিনার পুত্র হলে, আসিফ-নাহিদরা নাতি’: আবু হানিফ

ফ্যামিলি ও কৃষক কার্ডে দারিদ্র্য হ্রাসের আশা বিশ্বব্যাংক-আইএমএফের

ইংল্যান্ড নারী কাবাডি দলের অধিনায়ক বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত আনিসা

নিয়োগ পরীক্ষায় অনিয়ম, পরীক্ষার্থীর এক মাসের কারাদণ্ড

শান্তি ও স্থিতিশীলতা রক্ষায় সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে: আইজিপি