১২ হাজার ৫০০ টাকায় শ্রমিকের সংসার চলে কীভাবে? প্রশ্ন সাদিকের
অনলাইন ডেস্ক : পোশাকশ্রমিকদের বর্তমান ন্যূনতম মজুরি দিয়ে নিজেদের ও পরিবারের ব্যয় মেটানো কতটা সম্ভব, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) ভিপি সাদিক কায়েম। তাঁর মতে, শ্রমিকদের জীবনযাত্রার ব্যয় বিবেচনায় নিয়ে সম্মানজনক মজুরি নির্ধারণ করা জরুরি।
সোমবার (২ নভেম্বর) নিজের ফেসবুক পোস্টে তিনি এসব কথা তুলে ধরেন।
পোস্টে সাদিক কায়েম উল্লেখ করেন, বাংলাদেশের পোশাকশ্রমিকদের ন্যূনতম মাসিক মজুরি ১২ হাজার ৫০০ টাকা। অথচ বাংলাদেশের অন্যতম প্রতিযোগী দেশ ভিয়েতনামে এর চেয়ে প্রায় দ্বিগুণ ন্যূনতম মজুরি দিয়েও পোশাক রপ্তানিতে অগ্রগতি অব্যাহত রয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।
তিনি প্রশ্ন তোলেন, আন্তর্জাতিক ক্রেতাদের সঙ্গে দর-কষাকষিতে সরকারের সীমাবদ্ধতার দায় কেন শ্রমিকদের বহন করতে হবে? উচ্চ মূল্যস্ফীতির মধ্যে এত কম আয়ে একজন শ্রমিকের পক্ষে নিজের ও পরিবারের প্রয়োজন মেটানো কঠিন বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
সাদিক কায়েমের অভিযোগ, শ্রমিকদের মজুরি নিয়ে আগে থেকেই মালিকপক্ষ ও শ্রমিক প্রতিনিধিদের সঙ্গে কার্যকর আলোচনা করা উচিত ছিল। কিন্তু সময়মতো সমাধানের উদ্যোগ না নিয়ে আন্দোলন শুরুর পর পুলিশি হামলা, মারধর ও গ্রেপ্তারের ঘটনা ঘটেছে। তাঁর দাবি, সরকারের পরিস্থিতি মোকাবিলায় ব্যর্থতার সুযোগ নিয়ে পতিত আওয়ামী লীগ আন্দোলনে প্রভাব বিস্তারের পরিবেশ পেয়েছে।
তিনি বলেন, জুলাইয়ের আকাঙ্ক্ষা ছিল বৈষম্যহীন ও ন্যায়ভিত্তিক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করা, যেখানে শ্রমিক, কৃষক, শিক্ষার্থী ও মধ্যবিত্তসহ সব শ্রেণির মানুষের অধিকার নিশ্চিত হবে।
পোশাকশ্রমিকদের দাবি বিবেচনায় নিয়ে মালিকপক্ষ ও শ্রমিক প্রতিনিধিদের সঙ্গে দ্রুত আলোচনায় বসে সম্মানজনক মজুরি নির্ধারণের জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানান তিনি। একই সঙ্গে উসকানির অভিযোগ তুলে শ্রমিকদের ন্যায্য অধিকার উপেক্ষা না করার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, শ্রমিকদের স্বার্থ রক্ষা করা দেশের অর্থনীতির জন্যও গুরুত্বপূর্ণ।











