বৃহস্পতিবার, ২৩শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ ৮ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

লন্ডনের সফল ফটোগ্রাফার বাংলাদেশের ছেলে শ্যামল

news-image

শ্যামল রায় যিনি লন্ডনে ওয়েডিং ফটোগ্রাফি করে ব্যস্ত সময় পার করছেন। ২০০৪ সালের শেষের দিকে বিএসসি অ্যান্ড আইটি কোর্সে পড়াশোনার জন্য তার লন্ডনে যাত্রা। ২০১০ সাল থেকে লন্ডনে এক বন্ধুর বোনের বিয়ের ছবি তোলার মধ্য দিয়ে ফটোগ্রাফিতে তার ক্যারিয়ারের আত্মপ্রকাশ। পরে দ্রুত পরিচিত মহলে তার নাম ছড়িয়ে পড়ে। এরপর পরিচিত মহল ছাপিয়ে লন্ডনের আমজনতার কাছে ফটোগ্রাফিতে তার দক্ষতার সুনাম দিনে দিনে ছড়িয়ে পড়লে তার কর্মের পরিধি বৃদ্ধি পেতে থাকে। সেই শ্যামল রায়কে নিয়ে একটি সাক্ষাত্কার করা হয়েছে। সাক্ষাত্কারটি নিয়েছেন আবু সালেহ মো. ইউসুফ।

ফটোগ্রাফিতে কীভাবে আসলেন ?
শ্যামল রায়: ছোটবেলা থেকেই ফটোগ্রাফির প্রতি ঝোঁক ছিল। ক্যামেরা হাতে পেলেই ফটোগ্রাফার বনে যেতাম। যখন আত্মীয়-স্বজনের বিয়েতে যেতাম আমার কাছে ক্যামেরা থাকত। ছবি তোলা থেকে শুরু করে ছবি হাতে আসা পর্যন্ত পুরোটা কাজ আমি করতাম। ছোটবেলা থেকে ছবি তোলার প্রতি আমার অদম্য চাওয়ার প্রতিফল হিসেবে আজ আমি ফটোগ্রাফার। মনে পড়ে ২০০০ সালে চাচা কুয়েত থেকে আসার সময় আমার জন্য একটি ক্যামেরা নিয়ে এসেছিল। সেটি দিয়ে অনেক ফটো শ্যুট করেছি। বিষয়টি এরকম যে সবকিছুকেই ছবি তোলার জন্য উপলক্ষ করে নেয়া আরকি। পরিবার থেকে শুরু করে বন্ধুবান্ধব সবার ছবি তুলেছি। কোনো এক কারণে ক্যামেরাটি ভেঙ্গে যায়। খুব কষ্ট পেয়েছিলাম আমি।

 

একজন ফটোগ্রাফার হিসেবে লন্ডনে আপনাকে কীভাবে পরিচিত করলেন?
শ্যামল রায়: ২০১০ সালে নিয়মিত কাজ পাচ্ছিলাম। ওই বছরের শেষের দিকে ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট কোম্পানিতে গিয়ে যোগাযোগ করলাম। কিছু বিয়ের অনুষ্ঠানের কাজ পেলাম এবং করলাম। তারপর থেকে নিয়মিত ব্যস্ততায় থাকতে হচ্ছে।

এ পেশায় নিজেকে কীভাবে দক্ষ করলেন?
শ্যামল রায়: লন্ডনের স্বনামধন্য ফটোগ্রাফার ওসমানি গনি এ বিষয়ে আমাকে অনেক সহযোগিতা করেছেন। মুহূর্তের সঙ্গে কল্পনার সংমিশ্রনে ক্যামেরার অ্যাঙ্গেলসহ বিভিন্ন টেকনিক্যাল দিকগুলোর ব্যাপারে তিনি আমাকে যথেষ্ট পরামর্শ দিয়েছেন। এ জন্য আমি তার কাছে কৃতজ্ঞ।

আপনি তো বিএসসি অ্যান্ড আইটি কোর্সে পড়াশোনা করেছেন। কিন্তু ফটোগ্রাফিতে আসার পেছনে আরো বিশেষ কোনো উপলক্ষ ছিল কি?
শ্যামল রায়: ২০০২ সালে ভারতে আমি মাল্টিমিডিয়া কোর্স করেছিলাম। আর এই কোর্সটি ফটোগ্রাফির সঙ্গে যায়। বড় কথা আপনার চাওয়া-পাওয়ার দৃঢ় উপলব্ধি আপনাকে নির্দিষ্ট লক্ষ্যস্থলে পৌঁছে দিবে।

ফটোগ্রাফি নিয়ে আরো কোনো ভাবনা আছে কি?
শ্যামল রায়: ফটোগ্রাফির একটি ইভেন্ট বলতে পারেন। ‘ইতালিয়ান স্টাইল স্টোরি বুক অ্যালবাম’ নামের একটি স্টুডিও হাউজের ডিলারশিপ নিয়েছি। এবং ‘স্টোরি বেজ অ্যালবাম’ নিয়ে আমি কাজ করতে চাই। যে বুকটি হাতে নিলে বিয়ের গল্পের প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত প্রতিটি উপাখ্যানের চিত্র ফুটে উঠবে। এ অ্যালবাম বিভিন্ন সাইজে হয়ে থাকে। এর প্রচলন এখন পর্যন্ত বাংলাদেশে শুরু হয়নি। আর ‘এস রয় স্টেডিও’তে অনলাইনে যোগাযোগের মাধ্যমে এ ব্যাপারে বিস্তারিত জানা যাবে। বাংলাদেশের আর্থসামাজিক উন্নয়ন নিয়ে আপনার কোনো ভাবনা আছে কি?
শ্যামল রায়: এ ক্ষেত্রকে প্রসারের মধ্য দিয়ে ভবিষ্যতে বাংলাদেশে কর্মসংস্থান তৈরি করার পরিকল্পনা রয়েছে।

এ জাতীয় আরও খবর

বিক্ষোভে গিয়ে আটক ‘ধুরন্ধর’ অভিনেত্রী আয়েশা খান

আন্দোলনে কাঁপছে দিল্লি, চাপের মুখে মোদি

তফসিল আগস্টে, প্রথম ধাপের ভোট অক্টোবরে : ইসি আনোয়ারুল

১২৮ দলের বিশ্বকাপও হতে পারে ভবিষ্যতে

নিট আন্দোলন: আলোচনার উদ্যোগ সরকারকেই নিতে হবে বলল সিজেপি

তাসনিম জারার তদন্তের দাবি, এমপি গাজী নজরুলের ভিডিও নিয়ে বিতর্ক

২০২৭ সালের হজে বেসরকারি ৩ প্যাকেজ, খরচ কত

টেক্সটাইল খাতের সমস্যা সমাধানে কমিটি গঠন

একনেকে ১৪ হাজার কোটি টাকার ৮ প্রকল্প অনুমোদন

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বিদায়ী নৌপ্রধানের সাক্ষাৎ

শিক্ষার্থী বিক্ষোভে উত্তাল ভারত, রাহুলের পাঁচ দাবি

আহমদ ছফার দেহাবশেষ স্থানান্তর হলো বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে