বুধবার, ২৯শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ ১৪ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নেই চার-ছক্কার ঝাঁঝ, লক্ষ্যটা কী?

news-image

স্পোর্টস ডেস্ক :  প্রথম ম্যাচের চিত্র অনেক কিছুরই আভাস দিয়েছিল। হবে রানের বন্যা, ছুটবে চার-ছক্কার ফল্গুধারা। কিন্তু না, যতই ম্যাচ গড়িয়েছে ধীরে ধীরে কমেছে রানের গতি, চার-ছক্কাও এসেছে টেস্ট-ওয়ানডে মেজাজে। কিন্তু কথা হলো, এটি টি২০ ফরম্যাটের খেলা। যেখানে চার-ছক্কাই আসল। পাশাপাশি বোলারদেরও থাকবে উইকেট প্রাপ্তির উল্লাস। কিন্তু ব্যাটসম্যানদের তুলনায় চলমান বিপিএলে বোলারদের আধিপত্যই বেশী, যা ঠিক মানায় না টুর্নামেন্টের মেজাজের সঙ্গে।

প্রথম ম্যাচের কথাই ধরুন। যেখানে উদ্বোধনী ম্যাচে চিটাগং করেছিল সাত উইকেটে ১৮৭। জবাবে রংপুর ৮ উইকেটে করে ১৮৮। দুর্দান্ত জয়, ক্রিকেট ভক্তরাও খুশি দারুণ একটি ম্যাচ দেখে। তারপর ১৮০‘র ঘরে রান গেছে একবারই, সেটাও করেছে চিটাগং। জবাবে সিলেট করেছিল ১৭৯।

এরপর ক্রমেই কমেছে দলীয় স্কোর। আস্তে আস্তে তা নেমে এসেছিল ৫৮ রানে। যা করেছিল বরিশাল। হয়েছে বিপিএলের সর্বনিম্ন রানের রেকর্ড। আগামী বছরই ভারতে বসবে টি২০ বিশ্বকাপের আসর। এমন অবস্থায় বিপিএল আয়োজকদের আসলে লক্ষ্যটা কী? যদি বলেন আসন্ন বিশ্বকাপের প্রস্তুতি, তাহলে তাতে পুরোপুরি সফল না তারা। অনেক দেশেই ফ্রাঞ্চাইজি ভিত্তিক ক্রিকেট লিগ হয়। ফ্রাঞ্চাইজি মালিকরা কোটি কোটি টাকাও ব্যয় করে দলের পিছনে। ব্যবসার সাথে সাথে ক্রিকেটেরও উন্নতি করতে চান তারা দেশের স্বার্থে।

বিপিএল শুরুর আগে সবার কণ্ঠেই ছিল দেশি ক্রিকেটের জয়গান। দেশের ক্রিকেটের ইমপ্রুভমেন্ট করা। যেহেতু আমাদের সামনে টি-২০ বিশ্বকাপ,  আশা ছিল এতবড় প্লাটফর্মে প্রস্তুতিটাও হবে দারুণ। নির্বাচকরাও তাদের টিম স্কোয়াড তৈরি করতে পারবেন কোন দ্বিধা-দ্বন্দ্ব ছাড়াই।

কিন্তু চলমান বিপিএলে দেশি ক্রিকেটার দূরে থাক, বিদেশিরাও তেমন রানই পাচ্ছে না। দুই এক ম্যাচে একেকজনের ব্যাট হাসলেও বেশিরভাগ ম্যাচই লো স্কোরিং হয়েছে। খেলা শেষে অনেক অধিনায়ক উইকেটকে দুষছে আবার অনেক অধিনায়ক উইকেটের প্রশংসা করছে।

তবে এটা বুঝতে হবে ভারতে বাংলাদেশ দল খেলতে যাবে মেগা টুর্নামেন্ট তথা টি২০ বিশ্বকাপ খেলতে। সাকিব-তামিমরা যাতে মানিয়ে নিতে পারে সেই জন্য ভারতের আদলে উইকেট বানানো হলে ভালো হতো চলমান বিপিএলে। তা হলে রথ দেখা কল বেচা দুটোই হতো। মোদ্দা কথা, এই আসরটি হতো বাংলাদেশ দলের বিশ্বকাপের উত্তম প্র্যাকটিসের ‍উপলক্ষ্য।

কিন্তু মরা উইকেটে লো স্কোরিং ম্যাচের কারণে দেখা যায়নি কোন ব্যাটসম্যানের রুদ্রুমূতি। গ্রুপ পর্ব শেষ পর্যায়ের দিকে, অথচ চলতি আসরে সেঞ্চুরি এসেছে মাত্র একটি, যা করেছিলেন বরিশালের উইন্ডিজ ব্যাটসম্যান এভিন লুইস, ভাবা যায়। এমনটি হলে দর্শকও মুখ ফিরিয়ে নিতে পারে। চার-ছক্কার খেলা টি-২০ ক্রিকেটে ৫৮, ৫৯ রান কেইবা দেখতে চায়।

সংক্ষিপ্ত ঘরানোর ফরম্যাটে কেউ ৫৮, ৫৯, ৬৭, ৮৮, ৯২ রানের ইনিংস দেখতে আসে না। তারা দেখতে চায় চার-ছক্কার ফুলঝুড়ি। ২০১৬ সালে টি২০ বিশ্বকাপ হবে ভারতে। সেখানকার উইকেটগুলো বেশিরভাগই ব্যাটিংবান্ধব। তাহলে কিসের আসায় বিপিএলে স্লো পিচ। এ থেকে বাংলাদেশের ক্রিকেট আসলে কী পাবে? বা বিপিএল কতটা জনপ্রিয় হবে। মনে রাখতে হবে, টি-২০ ক্রিকেট জনপ্রিয় শুধু গেইল-আফ্রিদী, ম্যাককালাম, ম্যাক্সওয়েলদের কারণেই। তাদেরকে খেলতে দিতে হবে। কী উদ্দেশ্যে বিপিএলে স্লো উইকেট? দুই একটা ম্যাচ বাদ দিলে বিপিএল সুপার ফ্লপ। যদিও বেশ কয়েকটা ক্লোজ ম্যাচ হয়েছে, হয়েছে প্রতিদ্বন্ধ্বিতাও। তারপরও গাটের টাকা খরচ করে ৫৮, ৫৯ রানের ম্যাচ কে দেখতে চায়।

সম্প্রতি দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে ৩-০তে টেস্ট সিরিজ জিতেছে ভারত। কিন্তু এমন সাফল্যে উইকেটই প্রধান। ভারত নিজেদের স্বার্থে স্পিন উইকেট তৈরি করে প্রোটিয়াদের ধ্বসিয়ে দিয়েছে। যা আইসিসিও বাঁকা চোখে দেখেছে। কিন্তু টি২০ ফরম্যাটে বিপিএলে স্লো উইকেট কার স্বার্থে? আইপিএল এত জনপ্রিয় কেন? বিগ ব্যাশ বা সিপিএলও বেশ এগিয়ে। বিপিএলকে সেখানে নিতে নতুন করেই ভাবতে হবে সবাইকে। বাংলামেইল

এ জাতীয় আরও খবর

কারিনার নতুন লুকে মুগ্ধ ভক্তরা, স্কার্ফ নিয়ে আলোচনা

যশোরে গ্রেপ্তার ডেভিড ইমনকে চট্টগ্রামে আনা হচ্ছে

চট্টগ্রামে বিএনপি-এনসিপি মুখোমুখি, বাড়ছে উত্তেজনা

নাহিদের দাবি মামলা করেই ফিরবেন

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানাতে প্রস্তুত ভারত

গুলশান থেকে গ্রেপ্তার লতিফ সিদ্দিকী

৪৫ বছর পর প্রকাশ্যে জিয়াউর রহমান হত্যাকাণ্ডের তদন্ত প্রতিবেদন

বাহুবলে এনসিপির গাড়িবহর আটকাল পুলিশ

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করল তাহসিন

ফ্যাসিবাদের পক্ষে থাকা শিক্ষকদের পাঠদানের অধিকার নেই: মাহফুজ আলম

সাবেক ডিআইজি ফারুকের বরখাস্তের আদেশ বাতিল

চাঁদাবাজির মামলায় সাবেক বিএনপি নেতা কারাগারে