,

৯৫ ভাগ স্কুলে মেয়েদের আলাদা টয়লেট নেই

news-image

মাধ্যমিক স্কুলে মেয়েদের জন্য সুবিধা না থাকায় অনেকে স্কুল থেকে ঝড়ে পড়ছে। দেশের ৯৫ শতাংশ স্কুলে আলাদাভাবে মেয়ে শিক্ষার্থীদের জন্য কোনো টয়লেটের ব্যবস্থা নেই।৪০ শতাংশ মেয়ে শিক্ষার্থী ঋতুকালিন সময়ে বছরের ৩৬ দিন স্কুলে যায় না। স্কুলের অবাধ পানি সরবরাহ ও আলাদা হাইজিন টয়লেট না থাকায় মেয়ে শিক্ষার্থীরা এ সময়ে স্কুলে আসতে চায় না বলে শিক্ষাবিদরা মনে করেন।

এছাড়া মেয়েদের জন্য আলাদা কমন রুম ও গেমস রুম না থাকায় তারা নিরুৎসাহিত হয় স্কুলে আসতে। অধিকাংশ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানই ছেলেদের আধিপত্যে থাকে। মেয়ে শিক্ষার্থীদের উৎসাহিত করার জন্য যে পরিমাণে নারী শিক্ষক থাকার প্রয়োজন তাও নেই দেশের স্কুলগুলোতে। দেশের শিক্ষার্থীদের অর্ধেকই মেয়ে শিক্ষার্থী।

দেশের ২১.৩ শতাংশ স্কুলে নারী শিক্ষক রয়েছে। সরকারের উচিত দেশের ৩০ শতাংশ নারী শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া। সমাজ এখনো নারীদের শিক্ষায় উৎসাহিত করে না বলে নারী নেত্রীরা দাবি করেন। অনেক বাবা মা, শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরাও সমাজের মাধ্যমে অপূর্ণ থাকে।

সরকার মেয়ে শিক্ষার্থীদের জন্য পরিবেশবান্ধব সুযোগের ব্যবস্থা না করে মিথ্যা বাহবা নিচ্ছে বলে অভিযোগ করছে তারা।বাংলাদেশ শিক্ষা ও পরিসংখ্যান ব্যুরোর তথ্য অনুযায়ী, ২০১৪ সালের ৮৫ লাখ মাধ্যমিক স্কুলের শিক্ষার্থীদের মধ্যে ৫৩ শতাংশ হচ্ছে মেয়ে শিক্ষার্থী। বাংলাদেশ ন্যাশনাল উইমেন ল ইয়ার্স এসোসিয়েশনের নির্বাহী পরিচালক সালমা আলী মেয়ে  শিক্ষার্থীদের সুযোগের অভাব, বাল্য বিবাহ ও দারিদ্রতাকেই দায়ী করেছেন স্কুেল মেয়েবান্ধব না হওয়ার জন্য।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব রুহি রহমান জানান, সরকার সব স্কুলে মেয়ে  শিক্ষার্থীদের জন্য আলাদাভাবে টয়লেট নির্মাণের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে, একই সঙ্গে এটিকে সঠিকভাবে ব্যবস্থাপনা করার কথা বলা হয়েছে।বাংলাদেশ ন্যাশনাল হাইজিন ভেসলাইনের ২০১৪ সালের জুনের একটি প্রতিবেদনে বলা হয়, স্কুলে পড়ুয়া মেয়ে শিক্ষার্থীরা ঋতুকালে সবচেয়ে চ্যালেঞ্জে পড়েন। ৪০ শতাংশ মেয়ে প্রতি মাসের তিন দিন স্কুলে যায় না ঋতুকালে।

ইন্টারন্যাশনাল সেন্টার ফর ডায়ারিয়াল ডিজিস রিসার্চ বাংলাদেশ (আইসিডিডিআরবি),ওয়াটারএইড বাংলাদেশ ও স্থানীয় সরকার বিভাগের পলিসি সাপোর্ট ইউনিট যৌথভাবে বাংলাদেশের ৭০০ স্কুলে সমীক্ষা চালায়। সমীক্ষা শেষে দেখা যায় মাত্র ৫ শতাংশ স্কুলে মেয়ে শিক্ষার্থীদের জন্য আলাদা টয়লেট রয়েছে। এছাড়া সমীক্ষায় দেখা যায়, ১৫৭জন শিক্ষার্থীর জন্য মাত্র একটি টয়লেট। যেখানে সরকারের নির্দেশনা রয়েছে প্রতি ৫০ জনের জন্য একটি টয়লেট থাকার। অস্বাস্থ্যকর পরিবেশের জন্য সংক্রামক রোগ ছড়িয়ে পড়ে।

ইউনিসেফের কর্মকর্তারা জানান, বাংলাদেশের ৬৬ শতাংশ মেয়ের বিয়ে হয় ১৮ বছরের আগেই। ফলে এই শিক্ষার্থীরা স্কুল থেকে ঝরে পড়ে। মহিলা পরিষদের সভাপতি আয়েশা খানম বলেন, যৌন নির্যাতনও নারীদের শিক্ষায় এক বিরাট বাধা। 

এ জাতীয় আরও খবর

স্বনির্ভর দেশ গড়তে গ্রামীণ অর্থনীতিতে গুরুত্ব: পানিসম্পদমন্ত্রী

রংপুর জামায়াত দখল করেছে, অভিযোগ রাশেদ খাঁনের

ইরানে দুই হামলায় যুদ্ধাপরাধের অভিযোগ যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে

শনিবার জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হচ্ছে সাড়ে ১২ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস

নভেম্বরে প্রধানমন্ত্রীর দিল্লি সফর চূড়ান্ত করতে ফের আলোচনা: দ্য হিন্দু

তৃণমূলের নাম-প্রতীক নিয়ে মমতা-ঋতব্রতকে নতুন সিদ্ধান্ত কমিশনের

জামায়াতের ৭১-এর ভূমিকা নিয়ে রাজ্জাকের বক্তব্যের গুরুত্ব তুলে ধরলেন আইনমন্ত্রী

শেখ হাসিনা কালকেই আসুন, হাতকড়া দিয়ে রিসিভ করব: বিমানমন্ত্রী

নির্যাতনের অভিযোগে দাম্পত্যে ইতি, থানায় সমঝোতায় সংগীতশিল্পী কনটেন্ট ক্রিয়েটর ইউসুফ রায়হান ও মুন্নির বিবাহ বিচ্ছেদ

আজ প্রথম প্রেম মনে করার দিন

বিশ্ব বাঁশ দিবস আজ

মূল্যস্ফীতি কমার প্রভাব নেই বাজারে