বৃহস্পতিবার, ৩০শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ ১৫ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সাকার আইনজীবী ফখরুলের জামিন

news-image

নিউজ ডেস্ক : যুদ্ধাপরাধে মৃত্যুদণ্ডাদেশ কার্যকর হওয়া বিএনপি নেতা সালাউদ্দিন কাদের (সাকা) চৌধুরীর মামলার রায়ের খসড়া ফাঁসের ঘটনায় দায়ের হওয়া মামলায় এক বছরের জামিন পেয়েছেন তার প্রধান আইনজীবী ব্যারিস্টার ফখরুল ইসলাম। ওই ঘটনায় ব্যারিস্টার ফখরুল ইসলাম, সাকার স্ত্রী ফারহাত কাদের চৌধুরীসহ সাতজনের বিরুদ্ধে শাহবাগ থানায় মামলাটি দায়ের করে পুলিশ।

বিচারপতি এম. ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. আমির হোসেনের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ বিষয়ে করা এক আবেদনের শুনানি করে সোমবার ফখরুলকে জামিন দেন।

আদালতে ফখরুলের পক্ষে শুনানি করেন সুপ্রিমকোর্ট বারের সাবেক সভাপতি অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন। তাকে সহযোগিতা করেন অ্যাডভোকেট জহিরুল ইসলাম সুমন।

পরে আদালত থেকে বেরিয়ে অ্যাডভোকেট জহিরুল ইসলাম সুমন বলেন, ‘গত বছরের ডিসেম্বরে ব্যারিস্টার ফখরুলের জামিন চেয়ে আমরা হাইকোর্টে একটি আবেদন করি। সে আবেদনের শুনানি করে আজ আদালত তাকে জামিন দেন।’ বিগত ২ বছর ১৬ দিন ধরে এই আইনজীবী কারাগারে আছেন বলে জানান এই আইনজীবী। 

তিনি বলেন, ‘এ মামলয় ব্যারিস্টার ফখরুলকে রায় ফাঁসের সহযোগিতার অভিযোগ করা হয়। তবে এ মামলায় জামিন এবং তার বিরুদ্ধে আর কোনো মামলা না থাকায় এই আইনজীবীর মুক্তিতে বাধা নেই।’

পুলিশের দায়ের করা এই মামলায় সাকা চৌধুরীর স্ত্রী ফারহাত কাদের, ছেলে হুম্মাম কাদের চৌধুরীও জামিনে রয়েছেন। তবে সাকা চৌধুরীর ম্যানেজার মাহবুবুল আহসান, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের কর্মচারী নয়ন আলী ও ফারুক হোসেন কারাগারে আছেন। এছাড়া মামলার অপর আসামি ব্যারিস্টার ফখরুলের সহকারী মেহেদী হাসান পলাতক রয়েছেন।

মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ২০১৩ সালের ১ অক্টোবর বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাউদ্দিন কাদেরকে মৃত্যুদণ্ডাদেশ দেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১। তবে রায়ের আগেই সাকা চৌধুরীর স্ত্রী ও তার পরিবারের সদস্য এবং আইনজীবীরা রায় ফাঁসের অভিযোগ তোলেন। তারা রায়ের ‘খসড়া কপি’ও সংবাদকর্মীদের দেখান।

এ ঘটনায় রায় ঘোষণার পরদিনই ট্রাইব্যুনালের (রেজিস্ট্রার) একেএম নাসির উদ্দিন মাহমুদ বাদী হয়ে ২ অক্টোবর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইনে শাহবাগ থানায় একটি জিডি করেন। পরে ৪ অক্টোবর ডিবি পুলিশ শাহবাগ থানায় এ মামলাটি দায়ের করেন।

ট্রাইব্যুনালের কর্মচারী নয়ন ও ফারুক হোসেনকে ২০১৩ সালের ৫ অক্টোবর গ্রেপ্তার করে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করে পুলিশ। তাদের দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে ওই বছরের ২০ নভেম্বর সেগুনবাগিচায় পাইওনিয়ার রোডের চেম্বার থেকে সাকার আইনজীবী ব্যারিস্টার ফখরুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করা হয়।

এ জাতীয় আরও খবর

সমতার ভিত্তিতে সম্পর্ক এগিয়ে নিতে সম্মত ঢাকা-দিল্লি : পররাষ্ট্রমন্ত্রী

পুরুষের ৫টি গোপন রহস্য জেনে নিন

সহকারী পরিচালকের ‘অদ্ভুত’ আচরণ, ভয়াল স্মৃতি কাজলের

বিএনপি সন্ত্রাসনির্ভর রাজনীতির দিকে যাচ্ছে : নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

সাগরপথে ইতালি ও গ্রীসে যাওয়ার শীর্ষে বাংলাদেশ

এই সরকার স্বৈরাচারের পথেই হাঁটছে : নাহিদ ইসলাম

ইরানের ডজনের বেশি প্রতিষ্ঠান-ট্যাংকারের ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞা

অধিনায়কত্ব হারালেন মিরাজ, দায়িত্ব বাড়ল লিটনের

কারিনার নতুন লুকে মুগ্ধ ভক্তরা, স্কার্ফ নিয়ে আলোচনা

যশোরে গ্রেপ্তার ডেভিড ইমনকে চট্টগ্রামে আনা হচ্ছে

চট্টগ্রামে বিএনপি-এনসিপি মুখোমুখি, বাড়ছে উত্তেজনা

নাহিদের দাবি মামলা করেই ফিরবেন