বৃহস্পতিবার, ৩০শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ ১৫ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

গর্ভাবস্থায় করবেন যেসব কাজ

news-image

গর্ভাবস্থায় করবেন যেসব কাজগর্ভধারণ প্রতিটি নারীর জন্যই অত্যন্ত সুখকর একটি সময়। সন্তান জন্মদানের মাধ্যমেই কেবল একজন নারী পূর্ণতা পায়। কিন্তু এত আনন্দের মধ্যেও নিজের এবং অনাগত সন্তানের কথা ভেবে নারীদের অনেক সতর্ক থাকতে হয়। গর্ভাবস্থায় সামান্য কিছু ভুলের কারণে ঘটে যেতে পারে নানা দুর্ঘটনা। কাজেই এ সময় গুরুত্বপূর্ণ সকল কাজ নিয়ম অনুযায়ী সতর্কতার সঙ্গে করতে হয়। তবেই একটা সুস্থ সন্তান জন্ম দান সম্ভব হয়।

কাজেই জেনে নিন সুস্থ সন্তান জন্মদানের জন্য গর্ভবস্থায় করবেন কোন কোন কাজ- 

তাড়াহুড়ো করবেন না
কোন কাজে তাড়াহুড়ো করার ফল কখনই ভালো হয় না। সন্তান তাড়াতাড়ি আসার থেকে নির্দিষ্ট সময়ই আসা ভাল। কাজেই আগেই তাড়াহুড়ো করে তাকে পৃথিবীতে আনতে চাইবেন না। এতে হিতে বিপরীত হতে পারে।  

সুবিধামতো কাজ করুন
গৃহিণী হলে তো কোন কথাই নেই। নিজের ইচ্ছামতো এবং সময় সুযোগমতো কাজ করুন। আর যদি আপনি চাকুরিজীবী নারী হন, তাহলে অবশ্যই এই অবস্থায় নিজের সুবিধা মতো শিফটে কাজ করুন। এতে আপনার এবং পেটের মধ্যে থাকা সন্তানের জন্য ভাল হবে।

অ্যালকোহল বাদ দিন
গর্ভাবস্থায় অ্যালকোহলের ধারে কাছেও যাবেন না। কেননা এ সময় অ্যালকোহল গ্রহণ করলে সন্তানের অনেক ক্ষতি হয়। 

জাংক ফুড থেকে বিরত থাকুন
অনেকেই আছেন যারা জাংক ফুড খেতে অনেক পছন্দ করেন। তবে গর্ভাবস্থায় আপনার এই প্রিয় খাবারটি একেবারেই ছেড়ে দিন। তা না হলে সন্তানের ক্ষতি হতে পারে। 

নিয়মিত চেকআপ করুন
ওজনের দিকে কড়া নজর রাখুন। ওজন যেনো স্বাভাবিক মাত্রায় বাড়ে সে কারণে নিয়মিত ওজন চেকআপ করুন। সুস্থ স্বাভাবিক গর্ভাবস্থায় প্রতি সপ্তাহে ওজন বাড়ে ৪৫০ গ্রাম, এই দিকে বিশেষ নজর দিন।

পোশাকের দিকে খেয়াল রাখুন
গর্ভাবস্থায় এমন কোন পোশাক পরিধান করবেন না যার কারণে অস্বস্তি অনুভূত হয়। টাইট ফিটিং পোশাক একেবারেই এড়িয়ে চলুন। এ সময় ঢিলেঢালা আরামদায়ক পোশাক পরিধান করাই বেশি ভালো।

মানসিক চাপ ছেড়ে ফেলুন
গর্ভাবস্থায় যে কোন ধরনের মানসিক চাপ ছেড়ে ফেলার চেষ্টা করুন। কেননা এই চাপই বাচ্চার মারাত্মক ক্ষতি করে। এর কারণে কম ওজনের বাচ্চা জন্মগ্রহণ করতে পারে। কাজেই যতোটা সম্ভব হাসিখুশি থাকার চেষ্টা করুন। নিজে সুমধুর সুরের কোমল মিউজিক শুনবেন এতে মস্তিষ্ক রিলাক্স থাকবে। 

যোগব্যায়াম করুন 
গর্ভাবস্থায় বিশ্রাম বাড়িয়ে দেওয়ার অর্থ এই নয় যে, আপনি শরীর একেবারেই নড়বেন না। এ সময় সন্তানের জন্য স্বাস্থ্যকর কিছু ব্যায়াম বিশেষ করে নিয়মিত হাঁটাচলা করুন। তবে ডাক্তারের পরামর্শমতো যোগব্যায়াম করতে পারলে বেশি ভালো হয়। 
 
 

এ জাতীয় আরও খবর

সমতার ভিত্তিতে সম্পর্ক এগিয়ে নিতে সম্মত ঢাকা-দিল্লি : পররাষ্ট্রমন্ত্রী

পুরুষের ৫টি গোপন রহস্য জেনে নিন

সহকারী পরিচালকের ‘অদ্ভুত’ আচরণ, ভয়াল স্মৃতি কাজলের

বিএনপি সন্ত্রাসনির্ভর রাজনীতির দিকে যাচ্ছে : নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

সাগরপথে ইতালি ও গ্রীসে যাওয়ার শীর্ষে বাংলাদেশ

এই সরকার স্বৈরাচারের পথেই হাঁটছে : নাহিদ ইসলাম

ইরানের ডজনের বেশি প্রতিষ্ঠান-ট্যাংকারের ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞা

অধিনায়কত্ব হারালেন মিরাজ, দায়িত্ব বাড়ল লিটনের

কারিনার নতুন লুকে মুগ্ধ ভক্তরা, স্কার্ফ নিয়ে আলোচনা

যশোরে গ্রেপ্তার ডেভিড ইমনকে চট্টগ্রামে আনা হচ্ছে

চট্টগ্রামে বিএনপি-এনসিপি মুখোমুখি, বাড়ছে উত্তেজনা

নাহিদের দাবি মামলা করেই ফিরবেন