বুধবার, ২৯শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ ১৪ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বঙ্গভবনের ওয়েবসাইটে সাবেক রাষ্ট্রপতির তালিকায় জিয়া ও এরশাদ

news-image

বঙ্গভবনের ওয়েবসাইটে সাবেক রাষ্ট্রপতিদের তালিকায় দেশের নবম রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং ত্রয়োদশ ও চতুর্দশ রাষ্ট্রপতি এইচ এম এরশাদ। তবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গত বৃহস্পতিবার গণভবনে এক অনুষ্ঠানে বলেছেন, জিয়াউর রহমান ও এইচ এম এরশাদকে সাবেক রাষ্ট্রপতি বলা যাবে না।
জিয়াউর রহমান ও এরশাদকে অবৈধ রাষ্ট্রপতি আখ্যায়িত করে গণভবনে প্রধানমন্ত্রী বলেনÑ হাইকোর্টের স্পষ্ট রায় আছে, জিয়াউর রহমানের ক্ষমতা দখল সম্পূর্ণ অবৈধ। এরশাদের ক্ষমতা দখল অবৈধ। তাই পঞ্চম ও সপ্তম সংশোধনী বাতিল ঘোষিত হয়েছে। তার মানে, জিয়াউর রহমানকে সাবেক রাষ্ট্রপতি বলা যাবে না। যদি রাষ্ট্রপতি বলা হয়, তাহলে হাইকোর্টের রায়কে লঙ্ঘন করা হবে। কারণ, তার ক্ষমতা অবৈধ। তিনি যেসব মার্শাল ল অর্ডিন্যান্স জারি করেছেন, সংবিধান সংশোধন বা যেসব আইন করেছেন, সব বাতিল ঘোষণা করা হয়েছে। কাজেই এখন সাবেক রাষ্ট্রপতি এরশাদ বা জিয়াউর রহমান, কেউ কিন্তু আর সাবেক রাষ্ট্রপতি নন। কারণ, তারা অবৈধ ক্ষমতা দখলকারী। উচ্চ আদালত যখন এই ঘোষণা দেন, তখন সবাইকে এটা মানতেই হবে।

zia-ars
প্রসঙ্গত, বঙ্গভবনের ওয়েবসাইট অনুসারে জিয়াউর রহমান ১৯৭৭ সালের ২১ এপ্রিল থেকে ১৯৮১ সালের ৩০ মে পর্যন্ত দুই দফায় রাষ্ট্রপতির পদে ছিলেন। তবে দুই দফাতেই তাকে নবম রাষ্ট্রপতি হিসেবে দেখানো হয়েছে। এরমধ্যে ১৯৭৮ সালের ১২ জুন পর্যন্ত প্রথম দফায় এবং এই তারিখ থেকে বাকি সময় দ্বিতীয় দফায় তাকে রাষ্ট্রপতি হিসেবে দেখানো হয়েছে। দুই দফাতেই তার নাম লেখা হয়েছে ‘মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমান, বীর উত্তম, পিএসসি’।


অন্যদিকে এইচ এম এরশাদ ১৯৮৩ সালের ১১ ডিসেম্বর থেকে ১৯৯০ সালের ৬ ডিসেম্বর পর্যন্ত রাষ্ট্রপতি ছিলেন। এরমধ্যে ১৯৮৬ সালের ২৩ অক্টোবর পর্যন্ত ছিলেন ত্রয়োদশ রাষ্ট্রপতি এবং এই তারিখ থেকে বাকি সময় ছিলেন চতুর্দশ রাষ্ট্রপতি। বঙ্গভবনের ওয়েবসাইটে এই দুই মেয়াদে রাষ্ট্রপতি হিসেবে তার নাম লেখা আছে যথাক্রমে ‘লে. জেনারেল হুসাইন মুহাম্মদ এরশাদ, এনডিসি, পিএসসি’ ও ‘জনাব হুসাইস মুহাম্মদ এরশাদ’।


গত বৃহস্পতিবার প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী সংসদ ও সংসদীয় বোর্ডের জরুরি সভার সূচনা বক্তব্যে শেখ হাসিনা বলেনÑ জিয়াউর রহমান ক্ষমতা দখল করেছিলেন হত্যা, ক্যু, ষড়যন্ত্রের রাজনীতির মাধ্যমে। জিয়ার ক্ষমতা দখল অবৈধ। তিনি সংবিধান লঙ্ঘন করেছেন, আর্মি রুলস অ্যান্ড অ্যাক্ট লঙ্ঘন করেছিলেন। নিজেকে নিজে রাষ্ট্রপতি ঘোষণা দিয়েছিলেন। শুধু তা-ই না, একাধারে সেনাপ্রধান, রাষ্ট্রপতি। একই অঙ্গে দুই রূপ নিয়ে রাষ্ট্র শাসন করেছিলেন। ঠিক যেভাবে আইয়ুব খান ক্ষমতা দখল করেছিলেন।

এ জাতীয় আরও খবর

কারিনার নতুন লুকে মুগ্ধ ভক্তরা, স্কার্ফ নিয়ে আলোচনা

যশোরে গ্রেপ্তার ডেভিড ইমনকে চট্টগ্রামে আনা হচ্ছে

চট্টগ্রামে বিএনপি-এনসিপি মুখোমুখি, বাড়ছে উত্তেজনা

নাহিদের দাবি মামলা করেই ফিরবেন

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানাতে প্রস্তুত ভারত

গুলশান থেকে গ্রেপ্তার লতিফ সিদ্দিকী

৪৫ বছর পর প্রকাশ্যে জিয়াউর রহমান হত্যাকাণ্ডের তদন্ত প্রতিবেদন

বাহুবলে এনসিপির গাড়িবহর আটকাল পুলিশ

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করল তাহসিন

ফ্যাসিবাদের পক্ষে থাকা শিক্ষকদের পাঠদানের অধিকার নেই: মাহফুজ আলম

সাবেক ডিআইজি ফারুকের বরখাস্তের আদেশ বাতিল

চাঁদাবাজির মামলায় সাবেক বিএনপি নেতা কারাগারে